মিয়ানমার সীমান্তের ভূমিকম্পে কাঁপল চট্টগ্রাম অঞ্চল
![]()
নিউজ ডেস্ক
মিয়ানমার সীমান্তে হওয়া ভূমিকম্পে কেঁপেছে বাংলাদেশের চট্টগ্রাম বিভাগের বিভিন্ন অঞ্চল। রিখটার স্কেলে এ ভূমিকম্পের মাত্রা চার দশমিক এক।
বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদফতরের সহকারী আবহাওয়াবিদ ফারজানা সুলতানা সীমান্ত অঞ্চলে ভূমিকম্প অনুভূত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, রোববার (২৮ জুন) রাত ৯টা ৫৩ মিনিট ১৭ সেকেন্ডে এ কম্পন অনুভূত হয়।
এ ভূমিকম্প শুধু চট্টগ্রাম অঞ্চলে সীমাবদ্ধ ছিল। এতে উল্লেখযোগ্য কোনো ক্ষতির খবর পায়নি অধিদফতর।
সাম্প্রতিক সময়ে দেশে একের পর এক মৃদু ও মাঝারি মাত্রার ভূমিকম্প অনুভূত হওয়ায় নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। গত ২২ জুন রাজধানী ঢাকা ও আশপাশের এলাকায় ৪ দশমিক ৪ মাত্রার একটি ভূমিকম্প অনুভূত হয়। ওই ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ছিল নরসিংদীর রূপগঞ্জ-সংলগ্ন এলাকা। কম্পনটি ঢাকা, গাজীপুর, নারায়ণগঞ্জ ও আশপাশের কয়েকটি জেলায় অনুভূত হলেও কোনো ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।
এর আগে ১২ জুন সিলেট-ভারত সীমান্তসংলগ্ন এলাকায় ৪ দশমিক ৫ মাত্রার একটি ভূমিকম্প অনুভূত হয়। ওই কম্পন দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের বিভিন্ন এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টি করেছিল। একই মাসের ৭ জুন ভুটানের পুনাখা অঞ্চলে উৎপন্ন ৫ দশমিক ৬ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প বাংলাদেশের বিভিন্ন এলাকায় অনুভূত হয়। যদিও এর কেন্দ্রস্থল ছিল বাংলাদেশের বাইরে, তারপরও রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে এর প্রভাব পড়ে।
ভূমিকম্প বিশেষজ্ঞদের মতে, বাংলাদেশ ভারতীয়, ইউরেশীয় ও বার্মা টেকটোনিক প্লেটের সংযোগস্থলের কাছাকাছি অবস্থিত হওয়ায় দেশটি ভূমিকম্পের উচ্চ ঝুঁকিতে রয়েছে। বিশেষ করে কক্সবাজার, চট্টগ্রাম ও সিলেট অঞ্চল সক্রিয় ভূতাত্ত্বিক ফল্টলাইনের কাছাকাছি হওয়ায় এসব এলাকায় মাঝেমধ্যেই মৃদু ও মাঝারি মাত্রার ভূমিকম্প অনুভূত হয়।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ছোট ও মাঝারি মাত্রার ভূমিকম্পগুলো বড় কোনো ভূমিকম্পের পূর্বাভাস না হলেও এগুলো ভূগর্ভস্থ ফল্টলাইনের সক্রিয়তার ইঙ্গিত দেয়।
- অন্যান্য খবর জানতে এখানে ক্লিক করুন।
- ফেসবুকে আমাদের ফলো দিয়ে সর্বশেষ সংবাদের সাথে থাকুন।
- ইউটিউবেও আছি আমরা। সাবস্ক্রাইব করে ঘুরে আসুন ডিজিটাল কন্টেন্টের দুনিয়ায়।