বান্দরবানের আলীকদমে কৃষকদের মাঝে ফলজ-বনজ চারা বিতরণ

বান্দরবানের আলীকদমে কৃষকদের মাঝে ফলজ-বনজ চারা বিতরণ

বান্দরবানের আলীকদমে কৃষকদের মাঝে ফলজ-বনজ চারা বিতরণ
“এখান থেকে শেয়ার করতে পারেন”

Loading

জার্নাল প্রতিবেদক

পরিবেশ সংরক্ষণ, সবুজায়ন সম্প্রসারণ এবং কৃষকদের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের লক্ষ্যে বান্দরবানের আলীকদম উপজেলায় কৃষকদের মাঝে ফলজ ও বনজ গাছের চারা বিতরণ করেছে বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদ।

মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) বিকেল ৪টায় আলীকদমের পানবাজারে জেলা পরিষদ রেস্টহাউস প্রাঙ্গণে এ চারা বিতরণ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কর্তৃক ঘোষিত দেশব্যাপী আগামী পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে এ উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে উপকারভোগী কৃষকদের হাতে ফলজ ও বনজ গাছের চারা তুলে দেন বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য সাইফুল ইসলাম রিমন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের সহকারী প্রকৌশলী লেনিন চাকমা, বালাঘাটা হর্টিকালচার সেন্টারের উপপরিচালক লিঠন দেবনাথ, আলীকদম উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. সোহেল রানা, স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মী এবং উপকারভোগী কৃষক-কৃষাণীরা।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে সাইফুল ইসলাম রিমন বলেন, দেশের পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, বনভূমি সম্প্রসারণ এবং কৃষকদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করে তুলতেই এই কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঘোষিত পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আওতায় বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদ জেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে ধারাবাহিকভাবে ফলজ ও বনজ গাছের চারা বিতরণ করছে।

বান্দরবানের আলীকদমে কৃষকদের মাঝে ফলজ-বনজ চারা বিতরণ

তিনি আরও জানান, প্রতিটি উপকারভোগীকে ১২২টি ফলজ ও ৫০টি বনজ গাছের চারা, অর্থাৎ মোট ১৭২টি চারা দেওয়া হচ্ছে। চারার পাশাপাশি প্রয়োজনীয় সার ও কীটনাশকও সরবরাহ করা হয়েছে, যাতে কৃষকরা সহজেই চারা রোপণ ও পরিচর্যা করতে পারেন।

কৃষকদের উদ্দেশে তিনি চারাগুলো সঠিক নিয়মে রোপণ ও নিয়মিত পরিচর্যার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, চারা রোপণের ১০ থেকে ১৫ দিন পর উদ্যানতত্ত্ব বিভাগের কর্মকর্তারা মাঠপর্যায়ে গিয়ে চারাগুলোর অবস্থা পর্যবেক্ষণ করবেন এবং প্রয়োজনীয় কারিগরি পরামর্শ প্রদান করবেন।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, পাহাড়ি অঞ্চলে পরিকল্পিত বৃক্ষরোপণ একদিকে যেমন পরিবেশ রক্ষা করবে, অন্যদিকে ফলজ গাছের মাধ্যমে কৃষকদের আয় বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। বনজ গাছ ভবিষ্যতে কাঠের চাহিদা পূরণের পাশাপাশি পাহাড়ের জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণেও সহায়ক হবে।

চারা পেয়ে উপকারভোগী কৃষকরা জেলা পরিষদের এই উদ্যোগকে সময়োপযোগী ও প্রশংসনীয় উল্লেখ করে বলেন, সঠিক পরিচর্যার মাধ্যমে এসব গাছ ভবিষ্যতে তাদের পরিবারের পুষ্টি, আয় বৃদ্ধি এবং পরিবেশ সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে। তারা এ ধরনের জনকল্যাণমূলক কর্মসূচি ভবিষ্যতেও অব্যাহত রাখার দাবি জানান।

  • অন্যান্য খবর জানতে এখানে ক্লিক করুন।
  • ফেসবুকে আমাদের ফলো দিয়ে সর্বশেষ সংবাদের সাথে থাকুন।
  • ইউটিউবেও আছি আমরা। সাবস্ক্রাইব করে ঘুরে আসুন ডিজিটাল কন্টেন্টের দুনিয়ায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *