সেনাসদর পরিদর্শন করলেন ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজের ক্যাপস্টোন কোর্স ফেলো’রা
![]()
জার্নাল প্রতিবেদক
ঢাকা সেনানিবাসে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সদর দপ্তর পরিদর্শন করেছেন ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজ (এনডিসি) পরিচালিত ক্যাপস্টোন কোর্স-২০২৬/২-এর ফেলোরা। দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ খাত ও প্রতিষ্ঠানের ৩৯ জন জ্যেষ্ঠ প্রতিনিধি এ পরিদর্শনে অংশ নেন।
সোমবার (১৭ আগস্ট) ক্যাপস্টোন কোর্সের অংশ হিসেবে তারা সেনাসদর পরিদর্শন করেন। প্রতিনিধিদলে জাতীয় সংসদ, সশস্ত্র বাহিনী, সরকারি ও বেসরকারি সিভিল সার্ভিস, বিচার বিভাগ, শিক্ষা, গণমাধ্যম, কূটনৈতিক অঙ্গন, আইন, অর্থ, স্বাস্থ্য ও শিল্পসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ খাতের প্রতিনিধিরা ছিলেন।
পরিদর্শনকালে সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান ক্যাপস্টোন কোর্সের ফেলোদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন। পরে তিনি ফেলোদের সঙ্গে স্মারক আলোকচিত্রে অংশ নেন।
অনুষ্ঠানের শুরুতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সামরিক অপারেশনস পরিদপ্তরের পরিচালক সেনাবাহিনীর বর্তমান কর্মকৌশল, কার্যক্রম ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে একটি তথ্যবহুল উপস্থাপনা দেন। উপস্থাপনায় দেশের নিরাপত্তা, প্রতিরক্ষা প্রস্তুতি এবং জাতীয় স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে সেনাবাহিনীর ভূমিকা ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হয়।
পরে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর চিফ অব জেনারেল স্টাফ লেফটেন্যান্ট জেনারেল মো. মাইনুর রহমান-এর সঙ্গে ক্যাপস্টোন কোর্সের ফেলোদের মতবিনিময় অনুষ্ঠিত হয়।

মতবিনিময়কালে সামরিক ও বেসামরিক খাতের মধ্যে আরও নিবিড় সহযোগিতা বৃদ্ধি, জাতীয় উন্নয়নে সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণ এবং জাতি গঠনে কৌশলগত অগ্রযাত্রার বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।
আলোচনায় জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ নীতি ও উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে বিভিন্ন খাতের মধ্যে সমন্বয় এবং পারস্পরিক সহযোগিতার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। একই সঙ্গে দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সামরিক-বেসামরিক অংশীদারত্ব আরও শক্তিশালী করার বিষয়টিও উঠে আসে।
মতবিনিময় শেষে সমাপনী বক্তব্যে চিফ অব জেনারেল স্টাফ ক্যাপস্টোন কোর্সের ফেলোদের জাতীয় উন্নয়নের গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি সেনাসদর পরিদর্শনের জন্য তাদের ধন্যবাদ জানান।
ক্যাপস্টোন কোর্সে দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পেশা ও প্রতিষ্ঠানের জ্যেষ্ঠ ব্যক্তিদের অংশগ্রহণকে জাতীয় কৌশলগত চিন্তার বিকাশ ও নীতিগত সমন্বয়ের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। এ ধরনের বহুমাত্রিক অংশগ্রহণ সামরিক ও বেসামরিক খাতের মধ্যে পারস্পরিক বোঝাপড়া বাড়ানোর পাশাপাশি জাতীয় নিরাপত্তা, উন্নয়ন ও নীতি প্রণয়নে সমন্বিত চিন্তার ক্ষেত্রকে আরও বিস্তৃত করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
- অন্যান্য খবর জানতে এখানে ক্লিক করুন।
- ফেসবুকে আমাদের ফলো দিয়ে সর্বশেষ সংবাদের সাথে থাকুন।
- ইউটিউবেও আছি আমরা। সাবস্ক্রাইব করে ঘুরে আসুন ডিজিটাল কন্টেন্টের দুনিয়ায়।