ফরিদপুর ও রাজবাড়ীতে সেনাবাহিনীর দুই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করলেন সেনাপ্রধান
![]()
জার্নাল প্রতিবেদক
দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং জ্ঞান, শৃঙ্খলা, দেশপ্রেম, নেতৃত্বগুণ ও মানবিক মূল্যবোধসম্পন্ন নাগরিক গড়ে তোলার লক্ষ্যে ফরিদপুর ও রাজবাড়ীতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর দুটি নতুন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়েছে।
রোববার (২৩ আগস্ট) সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান মিলিটারি কলেজিয়েট স্কুল ফরিদপুর (এমসিএসএফ) এবং সেনা পাবলিক স্কুল ও কলেজ রাজবাড়ীর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।

বাংলাদেশ সেনাবাহিনী দেশের শান্তি-শৃঙ্খলা, নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার পাশাপাশি দীর্ঘদিন ধরে মানসম্মত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিচালনার মাধ্যমে শিক্ষা খাতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। শিক্ষার্থীদের প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার পাশাপাশি শৃঙ্খলা, নেতৃত্ব, দেশপ্রেম ও মানবিক মূল্যবোধে গড়ে তোলার ক্ষেত্রে সেনাবাহিনী পরিচালিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো বিশেষ গুরুত্ব বহন করে।
এরই ধারাবাহিকতায় মিলিটারি কলেজিয়েট স্কুল খুলনা (এমসিএসকে)-এর আদলে ফরিদপুরে প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে মিলিটারি কলেজিয়েট স্কুল ফরিদপুর। প্রতিষ্ঠানটির মূল লক্ষ্য হলো আধুনিক ও মানসম্মত শিক্ষার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের জ্ঞান, শৃঙ্খলা, নেতৃত্বগুণ, দেশপ্রেম ও মানবিক মূল্যবোধে সমৃদ্ধ করে ভবিষ্যতের যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলা।

অন্যদিকে রাজবাড়ীর কালুখালী উপজেলার প্রত্যন্ত এলাকার শিক্ষার্থীদের জন্য আধুনিক ও যুগোপযোগী শিক্ষার সুযোগ নিশ্চিত করতে প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে সেনা পাবলিক স্কুল ও কলেজ রাজবাড়ী। নতুন এ প্রতিষ্ঠানটি স্থানীয় শিক্ষার্থীদের জন্য মানসম্মত শিক্ষা গ্রহণের সুযোগ সম্প্রসারণের পাশাপাশি এ অঞ্চলের সামগ্রিক শিক্ষার পরিবেশ উন্নয়নে ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, প্রতিষ্ঠান দুটি চালুর ফলে ফরিদপুর ও রাজবাড়ী অঞ্চলের শিক্ষার্থীদের জন্য সুশৃঙ্খল, নিরাপদ ও আধুনিক শিক্ষার পরিবেশ তৈরি হবে। একই সঙ্গে একাডেমিক শিক্ষার পাশাপাশি নৈতিকতা, শৃঙ্খলা, নেতৃত্ব ও দেশপ্রেমের চর্চার মাধ্যমে ভবিষ্যতে দক্ষ ও দায়িত্বশীল মানবসম্পদ গড়ে তোলার সুযোগ তৈরি হবে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানগুলোতে সেনাবাহিনীর এ্যাডজুটেন্ট জেনারেল, জেনারেল অফিসার কমান্ডিং (জিওসি), ৫৫ পদাতিক ডিভিশন ও এরিয়া কমান্ডার, যশোর এরিয়া, সেনাসদর ও সংশ্লিষ্ট এলাকার ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন পর্যায়ের সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
এছাড়া স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি, দুই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং আমন্ত্রিত অতিথিরাও অনুষ্ঠানে অংশ নেন।
নতুন এই দুই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান দেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় সেনাবাহিনীর অবদানকে আরও বিস্তৃত করার পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট এলাকার শিক্ষার্থীদের মানসম্মত শিক্ষা ও উন্নত ভবিষ্যৎ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।
- অন্যান্য খবর জানতে এখানে ক্লিক করুন।
- ফেসবুকে আমাদের ফলো দিয়ে সর্বশেষ সংবাদের সাথে থাকুন।
- ইউটিউবেও আছি আমরা। সাবস্ক্রাইব করে ঘুরে আসুন ডিজিটাল কন্টেন্টের দুনিয়ায়।