সোমবারে তেহরান সফর করবেন পাকিস্তানের সেনাপ্রধান আসিম মুনির- ইরান

সোমবারে তেহরান সফর করবেন পাকিস্তানের সেনাপ্রধান আসিম মুনির- ইরান

সোমবারে তেহরান সফর করবেন পাকিস্তানের সেনাপ্রধান আসিম মুনির- ইরান
“এখান থেকে শেয়ার করতে পারেন”

Loading

জার্নাল প্রতিবেদক

আঞ্চলিক শান্তি ও নিরাপত্তা ফিরিয়ে আনার চেষ্টা অব্যাহত রাখতে পাকিস্তানের সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির আগামীকাল সোমবারে তেহরান সফর করবেন। আজ রোববার (২৩ আগস্ট) ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতির বরাতে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই এ তথ্য জানিয়েছেন।

গত ফেব্রুয়ারিতে ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলি বিমান হামলার মাধ্যমে শুরু হওয়া যুদ্ধ বন্ধে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার সংলাপে মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করছে পাকিস্তান।

পাকিস্তান সরকারের দুটি সূত্র বার্তাসংস্থা রয়টার্সের কাছে আসিম মুনিরের এই তেহরান সফরের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। এর মধ্যে প্রথম সূত্রটি জানিয়েছে, ইরান ও পাকিস্তান বর্তমানে সরাসরি যোগাযোগ রক্ষা করে চলেছে।

দ্বিতীয় সূত্রটি জানায়, আলোচনায় চলমান সংঘাতের সাম্প্রতিক ঘটনাবলী, বিশেষ করে ইরানের ওপর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আরও কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপের হুমকির বিষয়টি নিয়ে কথা হবে।

সূত্রটি জানিয়েছে, “ইরানি নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে সেনাপ্রধান আসিম মুনির ইমলামাবাদ সমঝোতা স্মারক (এমওইউ)-এর আওতায়– শান্তি প্রক্রিয়া, ট্রাম্পের নতুন এই হুমকি, পাকিস্তান-তুরস্ক-সৌদি আরব যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তির পরবর্তী সার্বিক পরিস্থিতি এবং হুথি সংকট নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করবেন।”

যুক্তরাষ্ট্রের পরিকল্পিত নতুন এসব নিষেধাজ্ঞা ইরানের ভঙ্গুর অর্থনীতিকে আরও চাপে ফেলতে পারে—এমন আশঙ্কায় তেহরান সামরিক জবাব দেওয়ার হুমকি দেওয়ায় উপসাগরীয় অঞ্চলে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। এই থমথমে পরিস্থিতির মধ্যেই পাকিস্তানি সেনাপ্রধানের এই সফর অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।

ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনিরের এই সফরটি এমন এক সময়ে অনুষ্ঠিত হচ্ছে, যার সাথে সোমবারে মার্কিন কর্মকর্তাদের কাঙ্ক্ষিত নিষেধাজ্ঞার বিস্তারিত তথ্য প্রকাশের ঘোষণা মিলে যাচ্ছে। মার্কিন কর্মকর্তারা এই পদক্ষেপকে ইরানের বিরুদ্ধে “ইতিহাসের সবচেয়ে কঠোর নিষেধাজ্ঞা” হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন।

ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানকে আন্তর্জাতিকভাবে পুরোপুরি একঘরে করার লক্ষ্যে ট্রাম্প আগেই হুঁশিয়ারি দিয়েছেন যে, তেহরানকে “যে কোনো ধরনের অর্থনৈতিক সুযোগ বা সহযোগিতা” প্রদানকারী দেশের বিরুদ্ধেও কঠোর অর্থনৈতিক মাশুল নির্ধারণ করা হবে।

এদিকে কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালি দিয়ে—তাদের অননুমোদিত যেকোনো তেলবাহী ট্যাংকার চলাচলের চেষ্টা করলে, তাতে হামলা চালানোর হুমকি দিয়ে রেখেছে তেহরান। ফলে এই জলপথ দিয়ে তেল পরিবহন একপ্রকার স্থবির হয়ে পড়েছে। অন্যদিকে, আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞার ধাক্কায় ইরানের অর্থনীতিও প্রচণ্ড চাপের মধ্যে রয়েছে।

  • অন্যান্য খবর জানতে এখানে ক্লিক করুন।
  • ফেসবুকে আমাদের ফলো দিয়ে সর্বশেষ সংবাদের সাথে থাকুন।
  • ইউটিউবেও আছি আমরা। সাবস্ক্রাইব করে ঘুরে আসুন ডিজিটাল কন্টেন্টের দুনিয়ায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *