রাঙামাটিতে হোটেল-রিসোর্ট মালিকদের সভা, নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ৭ দিনের সময়

রাঙামাটিতে হোটেল-রিসোর্ট মালিকদের সভা, নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ৭ দিনের সময়

রাঙামাটিতে হোটেল-রিসোর্ট মালিকদের সভা, নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ৭ দিনের সময়
“এখান থেকে শেয়ার করতে পারেন”

Loading

জার্নাল প্রতিবেদক

পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, মানসম্মত সেবা প্রদান এবং পর্যটন খাতের সার্বিক উন্নয়নের লক্ষ্যে রাঙামাটিতে হোটেল, রেস্তোরাঁ ও রিসোর্ট মালিকদের নিয়ে বিশেষ সভা করেছে জেলা প্রশাসন। রোববার দুপুরে জেলা প্রশাসকের সম্মেলনকক্ষে আয়োজিত এ সভায় পর্যটনসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করা হয়। সভায় সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর অব্যবস্থাপনা দূর করে পর্যটকদের জন্য নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করতে সাত দিনের সময়সীমা বেঁধে দেন জেলা প্রশাসক।

সভায় উপস্থিত ছিলেন রাঙামাটির জেলা প্রশাসক নাজমা আফারফী, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. জসিম উদ্দিন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. রুহুল আমিনসহ পর্যটনসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ এবং বিভিন্ন হোটেল, রেস্তোরাঁ ও রিসোর্টের মালিক ও প্রতিনিধিরা।

সভায় জেলার পর্যটনশিল্পের সার্বিক উন্নয়ন, পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, মানসম্মত খাবার ও আবাসনব্যবস্থা বজায় রাখা এবং সেবার মান বাড়ানোর বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। পর্যটন মৌসুমে আগত দর্শনার্থীদের সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি এবং যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সতর্ক ও দায়িত্বশীল থাকার নির্দেশনা দেওয়া হয়।

সভায় বিশেষভাবে হোটেল, রিসোর্ট ও হাউজবোটে রাতযাপনকারী পর্যটকদের নিরাপত্তার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরা হয়। এসব প্রতিষ্ঠানে পর্যটকদের অবস্থানকালীন নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সংশ্লিষ্ট মালিক ও পরিচালনাকারীদের দায়িত্ব বলে উল্লেখ করা হয়। একই সঙ্গে নিরাপত্তাব্যবস্থা ও সার্বিক ব্যবস্থাপনা যথাযথভাবে পরিচালিত হচ্ছে কি না, তা জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নজরদারির আওতায় আনার কথা জানানো হয়।

জেলা প্রশাসক নাজমা আফারফী সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর অব্যবস্থাপনা দূর করে পর্যটকদের জন্য নিরাপদ ও স্বস্তিদায়ক পরিবেশ নিশ্চিত করতে আগামী সাত দিনের মধ্যে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা সম্পন্ন করার নির্দেশ দেন। পর্যটকদের আবাসন, নিরাপত্তা ও সেবার ক্ষেত্রে কোনো ধরনের ঘাটতি যেন না থাকে, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

সংশ্লিষ্টদের মতে, রাঙামাটির পর্যটনশিল্পের বিকাশে প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের পাশাপাশি নিরাপদ আবাসন, মানসম্মত খাবার এবং উন্নত সেবার পরিবেশ নিশ্চিত করা জরুরি। জেলা প্রশাসনের এ উদ্যোগ পর্যটকদের আস্থা বৃদ্ধি এবং জেলার পর্যটন খাতকে আরও সুশৃঙ্খল করতে ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।

  • অন্যান্য খবর জানতে এখানে ক্লিক করুন।
  • ফেসবুকে আমাদের ফলো দিয়ে সর্বশেষ সংবাদের সাথে থাকুন।
  • ইউটিউবেও আছি আমরা। সাবস্ক্রাইব করে ঘুরে আসুন ডিজিটাল কন্টেন্টের দুনিয়ায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *