সাজেক খুলে না দিলে খাগড়াছড়িতে সকল যানবাহন বন্ধের ঘোষণা
![]()
জার্নাল প্রতিবেদক
দেশের অন্যতম আকর্ষণীয় পাহাড়ি পর্যটনকেন্দ্র রাঙ্গামাটির সাজেক ভ্যালি খুলে দিতে প্রশাসনকে ৪৮ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দিয়েছে পর্যটন সংশ্লিষ্টরা। শুক্রবার বিকালে খাগড়াছড়ি জেলা শহরের সরকারি কলেজ গেইটের সামনে থেকে মিছিল বের হয়ে বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে শাপলা চত্বরে এসে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ থেকে প্রশাসনকে এই আল্টিমেটাম দেয়া হয়।
সমাবেশ থেকে, ৪৮ ঘণ্টার মধ্য সাজেক খুলে না দিলে খাগড়াছড়িতে সকল যানবাহন বন্ধের ঘোষণা দেয়া হয়।
সমাবেশে যানবাহন মালিক সমিতির সভাপতি আয়ুস চাকমা বলেন, “পর্যটন এখানকার অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি। পর্যটন বন্ধ হলে অনেক শ্রমিক বেকার হয়ে পড়ে। কয়েকদিন পর পর এমন অবরোধ কর্মসূচির কারণে আমরা ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছি। দ্রুত সাজেক পর্যটন কেন্দ্র খুলে দিতে হবে।”
ই-ট্যুরিজম অ্যাসোসিয়েশন বাংলাদেশ-ইটাব এর সদস্য উজ্জ্বল দে বলেন, “সাজেক কারবারি অ্যাসোসিয়েশনের মত নাম সর্বস্ব একটা প্রতিষ্ঠান একটা প্রেস রিলিজ দিয়ে অবরোধের ডাক দিয়ে দিচ্ছে। দুই আঞ্চলিক সংগঠনের বিরোধের জেরে আমরা ব্যবসায়ীরা বলি হচ্ছি। কয়েকদিন পর পর আন্দোলন কর্মসূচির কারণে আমরা যারা পর্যটনে বিনিয়োগ করছি তারা লোকসানের মুখে পড়ছি।
“আঞ্চলিক সংগঠনগুলোর বিরোধের কারণে পর্যটকরা আতঙ্কের মধ্যে আছেন। দেশের দ্বিতীয় জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র সাজেক অবিলম্বে খুলে দিতে হবে। দ্রুত অবরোধ প্রত্যাহার না করলে আমরা আরো বড় আন্দোলনের কর্মসূচি দেব।”
এ সময় আরও বক্তব্য দেন পার্বত্য চট্টগ্রাম সমঅধিকার আন্দোলনের সাধারণ সম্পাদক আসাদ উল্লাহ, সিএনজি অটোরিকশা মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক জসীম উদ্দিন, পরিবহন শ্রমিক নেতা মো. মাসুম।
তারা বলেন, আঞ্চলিক দুই সংগঠনের আধিপত্য বিস্তারের জেরে সাজেক পর্যটন কেন্দ্র বন্ধ করে দেওয়ায় ক্ষতির মুখে পড়েছে পর্যটন শিল্প।
সমাবেশ থেকে বক্তারা সরকারের কাছে সম্ভাবনাময় পর্যটন খাত রক্ষায় হস্তক্ষেপ চেয়ে বলেন, আঞ্চলিক দলের খেয়াল খুশি মত সাজেক চললে কোটি কোটি টাকা বিনিয়োগকারী পথে বসবে। দ্রুত সময়ের মধ্যে অস্ত্রধারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করে সাজেক পর্যটন কেন্দ্র সকলের জন্য উন্মুক্ত করার দাবি জানানো হয়।
- অন্যান্য খবর জানতে এখানে ক্লিক করুন।
- ফেসবুকে আমাদের ফলো দিয়ে সর্বশেষ সংবাদের সাথে থাকুন।
- ইউটিউবেও আছি আমরা। সাবস্ক্রাইব করে ঘুরে আসুন ডিজিটাল কন্টেন্টের দুনিয়ায়।