ইংলিশ চ্যানেলে নৌকাডুবিতে যুক্তরাজ্যগামী ৩১ শরণার্থীর মৃত্যু - Southeast Asia Journal

ইংলিশ চ্যানেলে নৌকাডুবিতে যুক্তরাজ্যগামী ৩১ শরণার্থীর মৃত্যু

“এখান থেকে শেয়ার করতে পারেন”

Loading

নিউজ ডেস্ক

ফ্রান্সের বন্দরনগরী কালাইয়ের কাছে ইংলিশ চ্যানেলে নৌকাডুবিতে যুক্তরাজ্যগামী ৩১ জন অভিবাসীর মৃত্যু হয়েছে। তাদের মধ্যে ৫ জন নারী এবং ২ জন শিশু রয়েছে। হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছে উদ্ধার হওয়া দুই জন।

বুধবার উপকূলের কাছে অভিবাসীদের বহনকারী নৌকাটি ডুবে যায় বলে জানিয়েছেন ফ্রান্সের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। ডুবে যাওয়া অভিবাসীদের উদ্ধারে এরই মধ্যে আকাশ ও সমুদ্রপথে কাজ শুরু করেছে ফরাসি ও ব্রিটিশ কর্তৃপক্ষ।

আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা আইওএম জানিয়েছে, ২০১৪ সালের পর ইংলিশ চ্যানেলে এটিই সবচেয়ে বড় প্রাণহানির ঘটনা। এই ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করেছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন এবং ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইম্যানুয়েল ম্যাখোঁ। টেলিফোন আলাপে মানবপাচার রোধে কঠোর পদক্ষেপ নেয়ার বিষয়ে একমত হন তারা।

বুধবার ভোরে রয়টার্সের একজন প্রত্যক্ষদর্শী সাংবাদিক ফ্রান্সের উইমোহর কাছে যুক্তরাজ্যে অভিবাসন প্রত্যাশীদের একটি দলকে বালিয়াড়ির আড়াল থেকে বের হয়ে একটি রাবারের ডিঙ্গিতে উঠ পড়তে দেখেন। এই একই দলকে কয়েক ঘণ্টা পর চ্যানেলের ৩০ কিলোমিটার জলপথ নিরাপদে পাড়ি দিয়ে দক্ষিণ ইংল্যান্ডের ডানজেনেস উপকূলে নামতে দেখা যায়।

মৎসজীবী নিকোলা মারগোল রয়টার্সকে জানান, বুধবার ভোরে তিনি ছোট দুটি ডিঙ্গি দেখেছিলেন, একটির মধ্যে লোকজন ছিল কিন্তু অপরটি খালি।

তিনি জানান, আরেকজন মৎসজীবী একটি খালি ডিঙ্গি ও কাছেই ১৫ জনকে নিশ্চল অবস্থায় ভাসতে দেখে উদ্ধারকারীদের খবর দেন, হয় তারা অজ্ঞান হয়ে ছিলেন অথবা মারা গিয়েছিলেন।

ফ্রান্সের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জেগাল্ড দাগমানা জানান, বাতাস বের হয়ে ডিঙ্গিটি চুপসে গিয়েছিল।

স্থানীয় মেরিটাইম প্রিফেকচারের এক কর্মকর্তা জানান, বুধবারের দুর্ঘটনার আগে এই চ্যানেল পাড়ি দিয়ে ব্রিটেন যাওয়ার চেষ্টাকালে আরও ১৪ জন ডুবে মারা গিয়েছিলেন। এর আগে ২০২০ এ সাত জন মারা যান ও দুই জন নিখোঁজ হন এবং ২০১৯ সালে চার জনের মৃত্যু হয়েছিল।

এবছরের জানুয়ারি থেকে এপর্যন্ত ফ্রান্স থেকে ৪৭ হাজার অভিবাসন প্রত্যাশী ইংলিশ চ্যানেল পাড়ি দিয়ে যুক্তরাজ্যে ঢোকার চেষ্টা করেছে।