মায়ানমার সীমান্তে আটক রোহিঙ্গা সশস্ত্র গোষ্ঠীর ৫২ জন কারাগারে

মায়ানমার সীমান্তে আটক রোহিঙ্গা সশস্ত্র গোষ্ঠীর ৫২ জন কারাগারে

মায়ানমার সীমান্তে আটক রোহিঙ্গা সশস্ত্র গোষ্ঠীর ৫২ জন কারাগারে
“এখান থেকে শেয়ার করতে পারেন”

Loading

নিউজ ডেস্ক

মায়ানমারের রাখাইন রাজ্যে চলমান ত্রিমুখী সংঘাতের প্রভাব পড়েছে কক্সবাজারের টেকনাফ সীমান্তে। সংঘাতের জেরে সীমান্ত অতিক্রম করে বাংলাদেশে ঢুকে পড়া ৫৭ জনের মধ্যে ৫৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। তবে যাচাই-বাছাই শেষে অপর চারজনকে মামলার আওতার বাইরে রাখা হয়েছে। তারা বাংলাদেশি জেলে বলে নিশ্চিত করেছে পুলিশ ও বিজিবি।

টেকনাফ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম জানান, সোমবার রাতে বিজিবির উখিয়াস্থ ৬৪ ব্যাটালিয়নের নায়েক ছরওয়ার মোস্তফা বাদী হয়ে ৫৩ জনের বিরুদ্ধে অবৈধ অনুপ্রবেশ আইনে মামলা দায়ের করেন। এ ছাড়া আটক অপর চারজন নাফ নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে গোলাগুলির মধ্যে পড়ে অনুপ্রবেশকারীদের সঙ্গে একত্রে সীমান্ত এলাকায় চলে আসেন। পরে পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার পর তাদেরকে পরিবারের জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়।

ওসি আরো জানান, মামলার আসামিদের মধ্যে একজন গুলিবিদ্ধ অবস্থায় বর্তমানে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পুলিশ হেফাজতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

বাকি ৫২ জনকে মঙ্গলবার দুপুরে কক্সবাজার আদালতে হাজির করা হয়। পরে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আসাদ উদ্দিন মো. আসিফ তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

এর আগে গত রবিবার টেকনাফের হোয়াইক্যং সীমান্ত এলাকা থেকে ৫৩ জনকে এবং সোমবার সকালে আরো চারজনকে আটক করে বিজিবি ও পুলিশ।

এ দিকে সোমবার সকাল ১০টার দিকে হোয়াইক্যং সীমান্তের নাফ নদীর বাংলাদেশ অংশে স্থলমাইন বিস্ফোরণে গুরুতর আহত হন আবু হানিফ নামের এক বাংলাদেশি যুবক।

বর্তমানে তিনি চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

আহতের বাবা ফজল করিম জানান, নাফ নদীতে জেগে ওঠা শাহজাহানের দ্বীপ এলাকায় জাল ও নৌকা নিয়ে মাছ ধরতে যান তার ছেলে। এক পর্যায়ে নদীতে নামার সময় বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ঘটে। এতে আবু হানিফের বাম পায়ের গোড়ালি বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় এবং অপর পায়েও আঘাত লাগে।

অন্যদিকে, হোয়াইক্যং সীমান্ত এলাকায় মায়ানমার থেকে ছোড়া গুলিতে আহত এক বাংলাদেশি শিশুর অবস্থাও আশঙ্কাজনক রয়েছে।

শিশুটিকে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে রাখা হয়েছে এবং উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে।

চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল তসলিম উদ্দিন জানান, শিশুটির মাথায় গুলিবিদ্ধ অবস্থায় রয়েছে। ঝুঁকির কারণে অস্ত্রোপচার করে গুলিটি অপসারণ করা সম্ভব হয়নি।

  • অন্যান্য খবর জানতে এখানে ক্লিক করুন।
  • ফেসবুকে আমাদের ফলো দিয়ে সর্বশেষ সংবাদের সাথে থাকুন।
  • ইউটিউবেও আছি আমরা। সাবস্ক্রাইব করে ঘুরে আসুন ডিজিটাল  কন্টেন্টের দুনিয়ায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

You may have missed