১৯১৬ সালে পৌর বিধি: ভারতের হরিদ্বারে 'হিন্দু না হলে' প্রবেশ নিষেধ

১৯১৬ সালে পৌর বিধি: ভারতের হরিদ্বারে ‘হিন্দু না হলে’ প্রবেশ নিষেধ

১৯১৬ সালে পৌর বিধি: ভারতের হরিদ্বারে 'হিন্দু না হলে' প্রবেশ নিষেধ
“এখান থেকে শেয়ার করতে পারেন”

Loading

নিউজ ডেস্ক

ভারতের উত্তরাখণ্ডের হরিদ্বারে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে ‘হিন্দু না হলে প্রবেশ নিষেধ’ লেখা সাইনবোর্ড। শহরের বিখ্যাত হর কি পৌরি ঘাটে শতবর্ষ পুরোনো একটি বিধির উল্লেখ করে নতুন করে এসব বোর্ড বসানো হয়েছে। শনিবার (১৭ জানুয়ারি) এক প্রতিবেদনে দেশটির সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়া এ তথ্য জানায়।

সাইনবোর্ডে উল্লেখ করা হয়েছে, ১৯১৬ সালে প্রণীত একটি পৌর বিধির কথা। ঘাটের পরিচালনাকারী সংগঠন গঙ্গা সভার সেক্রেটারি উজ্জ্বল পণ্ডিত জানান, দর্শনার্থীদের ধর্মীয় বিধিনিষেধ সম্পর্কে সচেতন করতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, ‘যাদের সনাতন ধর্মের সঙ্গে কোনো সম্পর্ক নেই, তাদের এই পবিত্র স্থানে প্রবেশ করা উচিত নয়।’

১৯১৬ সালের ওই বিধি অনুযায়ী, দায়িত্বপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা ছাড়া কোনো ভিন্ন ধর্মাবলম্বী ব্যক্তি হর কি পৌরি এলাকা কিংবা কুশাবর্ত ঘাটে প্রবেশ করতে পারবেন না।

তবে জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, এ বিষয়ে নতুন কোনো সরকারি নির্দেশনা জারি করা হয়নি।

এদিকে গঙ্গা সভার সভাপতি নীতিন গৌতম জানান, তিনি রাজ্য সরকার ও মুখ্যমন্ত্রীকে অনুরোধ করেছেন—সমগ্র গঙ্গা ঘাট এবং কুম্ভমেলা এলাকায় এ ধরনের সাইনবোর্ড বসানোর জন্য। তার দাবি, ‘ঘাট দখলের চেষ্টা বেড়ে যাওয়ায় এমন বোর্ড জরুরি।’

কর্তৃপক্ষের তথ্যমতে, হরিদ্বারে গঙ্গা নদীর তীরে মোট ৭২টি ঘাট রয়েছে। তবে, জেলা প্রশাসন বিষয়টি নিয়ে সতর্ক অবস্থান নিয়েছে। এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, পৌর বিধি কার্যকর করার দায়িত্ব সিভিক কর্তৃপক্ষ ও পুলিশের।

তিনি বলেন, ‘এ বিষয়ে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নতুন কোনো নির্দেশ জারি করা হয়নি। যেকোনো পদক্ষেপ আইন অনুযায়ীই নিতে হবে।’

  • অন্যান্য খবর জানতে এখানে ক্লিক করুন।
  • ফেসবুকে আমাদের ফলো দিয়ে সর্বশেষ সংবাদের সাথে থাকুন।
  • ইউটিউবেও আছি আমরা। সাবস্ক্রাইব করে ঘুরে আসুন ডিজিটাল  কন্টেন্টের দুনিয়ায়।

You may have missed