যুক্তরাষ্ট্রে মিয়ানমারের নাগরিকদের দেশত্যাগের সুরক্ষা বহাল

যুক্তরাষ্ট্রে মিয়ানমারের নাগরিকদের দেশত্যাগের সুরক্ষা বহাল

যুক্তরাষ্ট্রে মিয়ানমারের নাগরিকদের দেশত্যাগের সুরক্ষা বহাল
“এখান থেকে শেয়ার করতে পারেন”

Loading

নিউজ ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্রের ইলিনয় অঙ্গরাজ্যের একজন ফেডারেল বিচারক ট্রাম্প প্রশাসনের একটি সিদ্ধান্ত আটকে দিয়েছেন। এর ফলে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানরত ৩ হাজার ৬০০ জনেরও বেশি মিয়ানমারের নাগরিককে এখনই দেশ থেকে বিতাড়িত করা যাবে না। স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিচারক ম্যাথিউ কেনেলি তার ৫৭ পৃষ্ঠার মতামতে জানান, হোমল্যান্ড সিকিউরিটি সেক্রেটারি ক্রিস্টি নোয়েম মিয়ানমারের নাগরিকদের জন্য ‘টেম্পোরারি প্রোটেক্টেড স্ট্যাটাস’ (টিপিএস) বা সাময়িক সুরক্ষা সুবিধা বাতিলের যে সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন, তাতে দেশটির বর্তমান পরিস্থিতি যথাযথভাবে বিবেচনা করা হয়নি। মিয়ানমারে দীর্ঘস্থায়ী অভ্যন্তরীণ জাতিগত সংঘাতের কারণে ব্যাপক সহিংসতা ও বাস্তুচ্যুতির ঘটনা ঘটছে।

কেনেলি উল্লেখ করেন, নোয়েম দাবি করেছিলেন যে মিয়ানমারের পরিস্থিতির যথেষ্ট উন্নতি হয়েছে এবং নাগরিকদের ফেরত পাঠানো সম্ভব। তবে ট্রাম্প প্রশাসনের অন্য কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সংঘাত-বিধ্বস্ত দেশটিতে ‘বেসামরিক নাগরিকদের ওপর বিমান হামলা, গোলাবর্ষণ, গ্রাম ধ্বংস, মানব পাচার এবং ভয়াবহ মানবিক সংকট বিদ্যমান।’

বিচারক যুক্তি দেন, মিয়ানমারের (বার্মা) পরিবর্তিত পরিস্থিতির মূল্যায়নের ভিত্তিতে নয়, বরং অভিবাসন সীমিত করা এবং টিপিএস ব্যবস্থাটি পুরোপুরি বন্ধ করার ‘ব্যাপক লক্ষ্য’ বাস্তবায়নের অংশ হিসেবেই এই বিশেষ মর্যাদা বাতিল করা হয়েছিল বলে মনে হচ্ছে।

২০২১ সালের সামরিক অভ্যুত্থানের পর থেকে ৫ কোটি ৪০ লাখ জনসংখ্যার দেশটি অভ্যন্তরীণ জাতিগত সংঘাতে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। সশস্ত্র গোষ্ঠী এবং সেনাবাহিনীর মধ্যকার এই সংঘাতে হাজার হাজার মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন এবং ৩৫ লাখের বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন।

  • অন্যান্য খবর জানতে এখানে ক্লিক করুন।
  • ফেসবুকে আমাদের ফলো দিয়ে সর্বশেষ সংবাদের সাথে থাকুন।
  • ইউটিউবেও আছি আমরা। সাবস্ক্রাইব করে ঘুরে আসুন ডিজিটাল  কন্টেন্টের দুনিয়ায়।