পার্বত্য এলাকায় ঈদ-উল-ফিতর সার্বজনীন সম্প্রীতির উৎসবে পরিণত হয়েছে- পার্বত্য মন্ত্রী

পার্বত্য এলাকায় ঈদ-উল-ফিতর সার্বজনীন সম্প্রীতির উৎসবে পরিণত হয়েছে- পার্বত্য মন্ত্রী

পার্বত্য এলাকায় ঈদ-উল-ফিতর সার্বজনীন সম্প্রীতির উৎসবে পরিণত হয়েছে- পার্বত্য মন্ত্রী
“এখান থেকে শেয়ার করতে পারেন”

Loading

নিউজ ডেস্ক

পবিত্র ঈদ-উল-ফিতর উপলক্ষে রাঙামাটিতে ইফতার সামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান বলেছেন, ঈদ-উল-ফিতর একটি বড় ধর্মীয় উৎসব হলেও পার্বত্য এলাকায় এটি সার্বজনীন সম্প্রীতির উৎসবে পরিণত হয়েছে।

তিনি বলেন, পাহাড়ি ও বাঙ্গালি সবাই মিলেই সম্প্রীতির মাধ্যমে এ উৎসব পালন করে থাকে এবং শান্তি-শৃঙ্খলাভাবে যাতে সবাই উৎসব উদযাপন করতে পারে সে জন্য সরকার কাজ করছে।

মঙ্গলবার সকালে রাঙামাটির মাতৃমঙ্গল এলাকায় ব্যবসায়ী সাহাব উদ্দিন-এর পরিবারের উদ্যোগে আয়োজিত ইফতার সামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী আরও বলেন, পাহাড়ে যেমন বিজু ও দুর্গাপূজা উদযাপিত হয়, তেমনি আনন্দ ও সম্প্রীতির সঙ্গে পবিত্র ঈদ উল ফিতর উদযাপনে প্রশাসন সজাগ রয়েছে। তিনি বলেন, আমাদের একতাই হবে আমাদের শক্তি এবং সকল সামাজিক উৎসব যেন সম্প্রীতির বন্ধনে রূপ নেয়, তার দৃষ্টান্ত হবে ঈদ।

পার্বত্য এলাকায় ঈদ-উল-ফিতর সার্বজনীন সম্প্রীতির উৎসবে পরিণত হয়েছে- পার্বত্য মন্ত্রী

তিনি উল্লেখ করেন, পাহাড়ে বসবাসরত পাহাড়ি ও বাঙ্গালিরা সম্প্রীতির মধ্য দিয়ে শান্তিপূর্ণভাবে বসবাস করছে। এ সম্প্রীতি অটুট রেখে আগামী দিনগুলোতে সব সম্প্রদায়ের সামাজিক উৎসব সার্বজনীনভাবে পালিত হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। একই সঙ্গে তিনি সরকারের পাশাপাশি সমাজের বিত্তবানদের নিম্ন আয়ের মানুষের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানে প্রায় এক হাজার পরিবারের মাঝে চাল, ডাল, আলু, চিনি, সেমাই ও তেলসহ প্রায় আট প্রকারের ইফতার সামগ্রী বিতরণ করা হয়।

বিশিষ্ট ব্যবসায়ী সাহাব উদ্দিন বলেন, প্রতি বছর পবিত্র ঈদ উল ফিতর উপলক্ষে তাদের পরিবারের পক্ষ থেকে এলাকার দরিদ্র পরিবারের মাঝে ইফতার সামগ্রী বিতরণ করা হয়। এ বছরও প্রায় এক হাজার পরিবারকে এসব সামগ্রী প্রদান করা হয়েছে, যাতে তারা আনন্দের সঙ্গে রোজা ও ঈদ উদযাপন করতে পারে।

এ সময় মানস মুকুর চাকমা, মসজিদের ইমাম মাওলানা হারুন, হাফেজ মো. আফসার উদ্দিনসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, পার্বত্য এলাকায় ধর্মীয় ও সামাজিক উৎসবগুলোকে সম্প্রীতির বন্ধনে রূপ দিতে এ ধরনের সামাজিক উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

  • অন্যান্য খবর জানতে এখানে ক্লিক করুন।
  • ফেসবুকে আমাদের ফলো দিয়ে সর্বশেষ সংবাদের সাথে থাকুন।
  • ইউটিউবেও আছি আমরা। সাবস্ক্রাইব করে ঘুরে আসুন ডিজিটাল  কন্টেন্টের দুনিয়ায়।