ভারতের আসামে নির্বাচন ঘিরে ভুয়া খবর দমনে সিআইডির বিশেষ সেল গঠন
![]()
নিউজ ডেস্ক
আসাম বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজ্য পুলিশ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভুয়া খবর, মানহানিকর পোস্ট এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বিঘ্নিত করতে পারে—এমন কনটেন্ট নজরদারির জন্য ক্রিমিনাল ইনভেস্টিগেশন ডিপার্টমেন্টের (সিআইডি) অধীনে একটি বিশেষ সেল গঠন করেছে।
সিআইডির বিশেষ মহাপরিদর্শক (ডিজিপি) মুন্না প্রসাদ গুপ্ত শনিবার পিটিআইকে জানান, গত ২০ মার্চ থেকে কার্যক্রম শুরু করা এই সেলটি ইতোমধ্যে বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে ২৭টি প্রোফাইল সংশ্লিষ্ট ১৭টি মামলা পরিচালনা করেছে। ইউনিটটি শতভাগ কনটেন্ট অপসারণ নিশ্চিত করেছে এবং ২৯ মার্চের মধ্যে একটি এফআইআর দায়ের ও প্রধান অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
গুপ্ত বলেন, এই সেল কেন্দ্রীয় ও জেলা পর্যায়ে প্রাপ্ত অভিযোগগুলো পর্যবেক্ষণের পাশাপাশি স্বতঃস্ফূর্তভাবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম স্ক্যান করে এমন পোস্ট শনাক্ত করছে, যা বিরূপ পরিস্থিতি তৈরি করতে পারে। অধিকাংশ ক্ষেত্রে প্রার্থীদের সুনাম ক্ষুণ্ন বা ভাবমূর্তি নষ্ট করার উদ্দেশ্যে কনটেন্ট পোস্ট করা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতা (বিএনএসএস), ২০২৩ এবং তথ্যপ্রযুক্তি আইন, ২০০০-এর আওতায় পুলিশ দ্রুত ব্যবস্থা নিতে পারছে। এর মধ্যে ইলেকট্রনিক্স ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের ‘সহযোগ পোর্টাল’ ব্যবহার করে আইপি ঠিকানা শনাক্ত করাও অন্তর্ভুক্ত। কোনো প্ল্যাটফর্ম যদি কনটেন্ট অপসারণে দেরি করে, তবে তারা ‘সেফ হারবার’ সুরক্ষা হারাতে পারে।
নির্বাচন কমিশনের ভুয়া খবর সংক্রান্ত নির্দেশনার ভিত্তিতেই পুলিশ এসব কার্যক্রম পরিচালনা করছে। এ লক্ষ্যে বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মের নোডাল কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকও করা হয়েছে, যাতে নির্বাচন-সংক্রান্ত অনুরোধে দ্রুত সাড়া নিশ্চিত করা যায়।
কর্মকর্তারা জানান, শনাক্তকৃত কনটেন্ট প্রমাণ হিসেবে ডিজিটালি সংরক্ষণ করা হচ্ছে এবং এরপর ব্যবহারকারীর তথ্য সংগ্রহ ও কনটেন্ট অপসারণের জন্য নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে আনুষ্ঠানিক নোটিশ পাঠানো হচ্ছে।
- অন্যান্য খবর জানতে এখানে ক্লিক করুন।
- ফেসবুকে আমাদের ফলো দিয়ে সর্বশেষ সংবাদের সাথে থাকুন।
- ইউটিউবেও আছি আমরা। সাবস্ক্রাইব করে ঘুরে আসুন ডিজিটাল কন্টেন্টের দুনিয়ায়।