দুর্গম পাহাড়ে সংস্কৃতির আলো ছড়াচ্ছে সেনাবাহিনীর লক্ষ্মীছড়ি জোন: সংগীত বিদ্যালয়ে সাউন্ড সিস্টেম প্রদান

দুর্গম পাহাড়ে সংস্কৃতির আলো ছড়াচ্ছে সেনাবাহিনীর লক্ষ্মীছড়ি জোন: সংগীত বিদ্যালয়ে সাউন্ড সিস্টেম প্রদান

দুর্গম পাহাড়ে সংস্কৃতির আলো ছড়াচ্ছে সেনাবাহিনীর লক্ষ্মীছড়ি জোন: সংগীত বিদ্যালয়ে সাউন্ড সিস্টেম প্রদান
“এখান থেকে শেয়ার করতে পারেন”

Loading

নিউজ ডেস্ক

খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলার লক্ষ্মীছড়ি উপজেলায় সাংস্কৃতিক চর্চা ও তরুণ প্রজন্মের প্রতিভা বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী।

এরই ধারাবাহিকতায় সেনাবাহিনীর ২৪ আর্টিলারি ব্রিগেড ও গুইমারা রিজিয়নের অধীনস্থ লক্ষীছড়ি জোন স্থানীয় লক্ষ্মীছড়ি সংগীত বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য সাউন্ড সিস্টেম সামগ্রী প্রদান করেছে, যা এলাকায় ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছে।

আজ শনিবার (৪ এপ্রিল) সকাল ১১টায় উপজেলা পরিষদ সংলগ্ন লক্ষ্মীছড়ি সংগীত বিদ্যালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এ সামগ্রী হস্তান্তর করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন লক্ষীছড়ি জোন অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোঃ তাজুল ইসলাম।

এ সময় জোনের অন্যান্য পদস্থ সেনা কর্মকর্তাবৃন্দ, বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটির সদস্য, শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা উপস্থিত ছিলেন।

দুর্গম পাহাড়ে সংস্কৃতির আলো ছড়াচ্ছে সেনাবাহিনীর লক্ষ্মীছড়ি জোন: সংগীত বিদ্যালয়ে সাউন্ড সিস্টেম প্রদান

অনুষ্ঠানটি শুধু একটি আনুষ্ঠানিকতা নয়, বরং পাহাড়ি অঞ্চলের সাংস্কৃতিক জাগরণের প্রতীক হিসেবে প্রতিফলিত হয়েছে। শিক্ষার্থীদের পরিবেশিত মনোমুগ্ধকর সাংস্কৃতিক পরিবেশনা অনুষ্ঠানে উপস্থিত সকলকে মুগ্ধ করে এবং স্থানীয় পর্যায়ে সাংস্কৃতিক সম্ভাবনার উজ্জ্বল দিক তুলে ধরে।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে লেফটেন্যান্ট কর্নেল তাজুল ইসলাম বলেন, সংগীত মানুষের মনন, মূল্যবোধ ও মানবিক চেতনা বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

দুর্গম পাহাড়ে সংস্কৃতির আলো ছড়াচ্ছে সেনাবাহিনীর লক্ষ্মীছড়ি জোন: সংগীত বিদ্যালয়ে সাউন্ড সিস্টেম প্রদান

তিনি উল্লেখ করেন, তরুণদের সংগীত ও সংস্কৃতির সঙ্গে সম্পৃক্ত করা গেলে তারা মাদকাসক্তি, জুয়া ও অন্যান্য সামাজিক অবক্ষয় থেকে দূরে থাকতে পারবে।

তিনি আরও আশাবাদ ব্যক্ত করেন, প্রদত্ত সাউন্ড সিস্টেম শিক্ষার্থীদের সংগীতচর্চাকে আরও গতিশীল করবে এবং এখানকার শিক্ষার্থীরা ভবিষ্যতে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নিজেদের প্রতিভার স্বাক্ষর রাখবে। ইতোমধ্যে এই প্রতিষ্ঠান থেকে যারা জাতীয় পর্যায়ে অবদান রেখেছে, তাদের ভূয়সী প্রশংসাও করেন তিনি।

স্থানীয়রা জানান, দুর্গম পার্বত্য অঞ্চলে এ ধরনের সহায়তা শুধু একটি প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন নয়, বরং একটি প্রজন্মকে ইতিবাচক পথে এগিয়ে নেওয়ার গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর এই মানবিক ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ড স্থানীয় জনগণের মধ্যে আস্থা ও ইতিবাচক মনোভাব সৃষ্টি করছে।

দুর্গম পাহাড়ে সংস্কৃতির আলো ছড়াচ্ছে সেনাবাহিনীর লক্ষ্মীছড়ি জোন: সংগীত বিদ্যালয়ে সাউন্ড সিস্টেম প্রদান

উল্লেখ্য, লক্ষীছড়ি জোন অতীতেও শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও সামাজিক উন্নয়নমূলক বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে অবদান রেখে আসছে। সর্বশেষ এই উদ্যোগের মাধ্যমে আবারও প্রমাণিত হয়েছে যে, নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি সামাজিক উন্নয়নেও সেনাবাহিনী গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।

সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এ ধরনের সহায়তা অব্যাহত থাকলে পার্বত্য অঞ্চলের সাংস্কৃতিক বিকাশ, সামাজিক স্থিতিশীলতা এবং তরুণদের সৃজনশীল বিকাশে নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে।

  • অন্যান্য খবর জানতে এখানে ক্লিক করুন।
  • ফেসবুকে আমাদের ফলো দিয়ে সর্বশেষ সংবাদের সাথে থাকুন।
  • ইউটিউবেও আছি আমরা। সাবস্ক্রাইব করে ঘুরে আসুন ডিজিটাল  কন্টেন্টের দুনিয়ায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *