শান্তি আলোচনার আগে ইরানের আলোচক দলকে আনতে মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধবিমানের বহর পাঠাল পাকিস্তান

শান্তি আলোচনার আগে ইরানের আলোচক দলকে আনতে মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধবিমানের বহর পাঠাল পাকিস্তান

শান্তি আলোচনার আগে ইরানের আলোচক দলকে আনতে মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধবিমানের বহর পাঠাল পাকিস্তান
“এখান থেকে শেয়ার করতে পারেন”

Loading

নিউজ ডেস্ক

ইসলামাবাদে যুদ্ধবিরতি নিয়ে শনিবার যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের বৈঠক শুরুর আগেই মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধবিমানের বহর পাঠিয়েছে পাকিস্তান।

পাকিস্তানের বিমানবাহিনীর জেএফ-১৭ থান্ডার, এফ-১৬ যুদ্ধবিমানের পাশাপাশি সামরিক পরিবহন বিমান সি-১৩০ হারকিউলিস, জ্বালানিবাহী আইএল-৭৮ ট্যাঙ্কার এবং ‘এয়ারবোর্ন আর্লি ওয়ার্নিং অ্যান্ড কন্ট্রোল সিস্টেম’ (অ্যাওয়াক্স)-ও মধ্যপ্রাচ্যে পাঠানো হয়েছে।

ইন্ডিয়া টুডে’র প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতির মধ্যেও মধ্যপ্রাচ্যে অনেক বেশি উত্তেজনা বিরাজ করছে।

এর মধ্যে ইরানের আলোচক দলকে বৈঠকের জন্য নিরাপদে ইসলামাবাদে নিয়ে যাওয়ার গুরুতর দায়িত্ব রয়েছে পাকিস্তানের ওপর।

সেই দায়িত্ব পালন করতেই পাকিস্তান তাদের যুদ্ধবিমানের বহর পাঠিয়েছে মধ্যপ্রাচ্যে, যাতে তেহরান থেকে ইসলামাবাদে পৌঁছনোর সময় ইরানি প্রতিনিধিদল ইসরায়েলের হামলার শিকার না হতে পারে।

তাছাড়া, শান্তি আলোচনায় কোনওরকম নাশকতা এড়ানোর জন্যও এই কড়া সামরিক পাহারার (আয়রন এসকর্ট) বন্দোবস্ত করেছে পাকিস্তান।

ইসরায়েল যাতে কোনওরকম বিপত্তি না ঘটাতে পারে সেজন্য সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং ইরানের বন্দর আব্বাসের কাছে আকাশে

‘আয়রন এসকর্ট’-এর জন্য পাকিস্তানের জেএফ-১৭ থান্ডার জঙ্গিবিমান এবং এফ-১৬ জঙ্গিবিমান উপস্থিত রয়েছে শুক্রবার সকাল থেকেই।

এই যুদ্ধবিমানগুলো পাকিস্তান থেকে পারস্য উপসাগর পর্যন্ত এলাকার আকাশসীমা সার্বক্ষণিক নজরে রেখেছে।

আর কেবল ইরানের আকাশসীমাই নয়, আরব আমিরাত এবং সৌদি আরবের আকাশসীমার কাছেও বিমানগুলোর উপস্থিতি দেখা গেছে।

গত ৮ এপ্রিল পাকিস্তানের মধ্যস্থতা এবং চীনের সহায়তায় যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সাময়িক যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে ইরান।

যুদ্ধবিরতির শর্ত এবং মেয়াদ চূড়ান্ত করতে শনিবারে পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে দু’পক্ষের বৈঠক হবে।

১৯৭৯ সালের ইরানে ইসলামিক বিপ্লবের পর এই প্রথম ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ের সরাসরি বৈঠক হচ্ছে।

বৈঠকে মার্কিন প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেবেন ভাইস প্রেসিডেন্ট জে ডি ভান্স। তার সঙ্গে থাকবেন মার্কিন দূত স্টিভ উইটকফ এবং ট্রাম্প জামাতা জ্যারেড কুশনার।

অন্যদিকে, ইরানের প্রতিনিধিদলে থাকবেন পার্লামেন্ট স্পিকার মহম্মদ বাকে কালিবাফ এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাকচি।

বৈঠকের প্রথম পর্বে যোগ দেবেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দারও।

যুক্তরাষ্ট্র এবং ইরানের এই বৈঠক কোন দিকে মোড় নেয় সেদিকে তাকিয়ে গোটা বিশ্ব। বৈঠক কি ফলপ্রসূ হবে নাকি ভেস্তে যাবে, তা নিয়ে সবাই উদ্বিগ্ন।

  • অন্যান্য খবর জানতে এখানে ক্লিক করুন।
  • ফেসবুকে আমাদের ফলো দিয়ে সর্বশেষ সংবাদের সাথে থাকুন।
  • ইউটিউবেও আছি আমরা। সাবস্ক্রাইব করে ঘুরে আসুন ডিজিটাল  কন্টেন্টের দুনিয়ায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *