মহা সাংগ্রাই উপলক্ষে খাগড়াছড়িতে বর্ণাঢ্য ওপেন কনসার্ট, সম্প্রীতির বন্ধনে একসূত্রে সব সম্প্রদায়

মহা সাংগ্রাই উপলক্ষে খাগড়াছড়িতে বর্ণাঢ্য ওপেন কনসার্ট, সম্প্রীতির বন্ধনে একসূত্রে সব সম্প্রদায়

মহা সাংগ্রাই উপলক্ষে খাগড়াছড়িতে বর্ণাঢ্য ওপেন কনসার্ট, সম্প্রীতির বন্ধনে একসূত্রে সব সম্প্রদায়
“এখান থেকে শেয়ার করতে পারেন”

Loading

নিউজ ডেস্ক

মহা সাংগ্রাই উৎসব উপলক্ষে পার্বত্য জেলা খাগড়াছড়িতে আয়োজন করা হয়েছে এক বর্ণাঢ্য ওপেন কনসার্ট, যা পরিণত হয়েছে পার্বত্য অঞ্চলের বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মানুষের মিলনমেলায়। গতকাল বুধবার (১৫ এপ্রিল) রাতে অনুষ্ঠিত এই আয়োজন সম্প্রীতি, সহাবস্থান ও সাংস্কৃতিক ঐক্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।

সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্য বৃদ্ধির লক্ষ্য নিয়ে আয়োজিত এ ওপেন কনসার্টে পাহাড়ি ও বাঙালি—সব সম্প্রদায়ের মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে পুরো আয়োজনটি প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে।

মহা সাংগ্রাই উপলক্ষে খাগড়াছড়িতে বর্ণাঢ্য ওপেন কনসার্ট, সম্প্রীতির বন্ধনে একসূত্রে সব সম্প্রদায়

সন্ধ্যা ঘনানোর সঙ্গে সঙ্গে অনুষ্ঠানস্থলে ভিড় বাড়তে থাকে এবং এক উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সেনাবাহিনীর ২০৩ পদাতিক ব্রিগেড ও খাগড়াছড়ি রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল কে এম ওবায়দুল হক। তার উপস্থিতি অনুষ্ঠানকে বিশেষ তাৎপর্য প্রদান করে।

এসময় স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তা, বিভিন্ন সম্প্রদায়ের নেতৃবৃন্দ, জনপ্রতিনিধি এবং বিপুল সংখ্যক দর্শক উপস্থিত ছিলেন।

মহা সাংগ্রাই উপলক্ষে খাগড়াছড়িতে বর্ণাঢ্য ওপেন কনসার্ট, সম্প্রীতির বন্ধনে একসূত্রে সব সম্প্রদায়

সাংস্কৃতিক পর্বে বিভিন্ন ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর শিল্পীরা নিজ নিজ ঐতিহ্যবাহী পোশাকে নৃত্য, সঙ্গীত ও লোকজ পরিবেশনা উপস্থাপন করেন। পাশাপাশি বাংলা গান, আধুনিক সঙ্গীত ও দলীয় পরিবেশনাও ছিল দর্শকদের জন্য আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু। বৈচিত্র্যময় এসব পরিবেশনা দর্শকদের মাঝে আনন্দ, উচ্ছ্বাস ও পারস্পরিক সম্প্রীতির অনুভূতি জাগিয়ে তোলে।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল কে এম ওবায়দুল হক বলেন, পার্বত্য অঞ্চলের শান্তি ও উন্নয়নের মূল ভিত্তি হলো পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ, সহনশীলতা এবং সাংস্কৃতিক সহাবস্থান।

মহা সাংগ্রাই উপলক্ষে খাগড়াছড়িতে বর্ণাঢ্য ওপেন কনসার্ট, সম্প্রীতির বন্ধনে একসূত্রে সব সম্প্রদায়

তিনি সকল সম্প্রদায়ের মানুষকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান এবং এ ধরনের আয়োজন ভবিষ্যতেও অব্যাহত রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

স্থানীয় আয়োজকরা জানান, মহা সাংগ্রাই উৎসব শুধু একটি ধর্মীয় বা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান নয়, বরং এটি পার্বত্য অঞ্চলের মানুষের মধ্যে বন্ধন, ভালোবাসা ও সহমর্মিতা বৃদ্ধির একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। তারা আশা প্রকাশ করেন, এ ধরনের আয়োজন নিয়মিত হলে পাহাড়ে সম্প্রীতির পরিবেশ আরও সুদৃঢ় হবে।

প্রসঙ্গত, সাংগ্রাই উৎসবকে ঘিরে খাগড়াছড়িসহ পার্বত্য অঞ্চলের বিভিন্ন স্থানে নানা সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় আয়োজন চলমান রয়েছে, যা পুরো অঞ্চলে উৎসবের আমেজ ছড়িয়ে দিয়েছে।

  • অন্যান্য খবর জানতে এখানে ক্লিক করুন।
  • ফেসবুকে আমাদের ফলো দিয়ে সর্বশেষ সংবাদের সাথে থাকুন।
  • ইউটিউবেও আছি আমরা। সাবস্ক্রাইব করে ঘুরে আসুন ডিজিটাল  কন্টেন্টের দুনিয়ায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

You may have missed