লামায় ইটভাটা স্থাপনের জন্য ১০ একর পাহাড় কেটে সাবাড়ের অভিযোগ, প্রশাসনের হস্তক্ষেপ দাবি
![]()
নিউজ ডেস্ক
বান্দরবান পার্বত্য জেলার লামা উপজেলার ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নে অবৈধভাবে পাহাড় কেটে সমতল করার অভিযোগ উঠেছে। নতুন ইটভাটা স্থাপনের উদ্দেশ্যে প্রায় ১০ একর পাহাড়ি জমি কেটে ফেলা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দা মোঃ ওসমান গণি। এ ঘটনায় পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্যের ওপর মারাত্মক ক্ষতির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
রোববার (১৭ মে) তিনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) বরাবরে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের বাঁশখাইল্যা ঝিরি এলাকায় দুইটি এস্কেভেটর ব্যবহার করে বেআইনিভাবে পাহাড় কেটে সমতল করা হচ্ছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, বিবাদী মোঃ লোকমান যৌথ মালিকানাধীন পাহাড়ি জমিতে অনুমতি ছাড়া এ কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন। ২০২৭ সালে ইটভাটা স্থাপনের লক্ষ্যে ইতোমধ্যে প্রায় ১০ একর পাহাড় কেটে প্রথম শ্রেণীর সমতল ভূমি তৈরি করা হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।

স্থানীয়দের আশঙ্কা, এভাবে পাহাড় কাটার ফলে এলাকার প্রাকৃতিক ভারসাম্য মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। পাহাড়ের স্বাভাবিক গঠন নষ্ট হয়ে ভূমিধস, মাটিধস ও আকস্মিক বন্যার ঝুঁকি বাড়ছে। পাশাপাশি ঝিরি, জলধারা, বনজ সম্পদ ও বন্যপ্রাণীর আবাসস্থল ধ্বংস হয়ে পরিবেশে বিরূপ প্রভাব পড়ছে।
অভিযোগে আরও বলা হয়, ভবিষ্যতে সেখানে ইটভাটা স্থাপন করা হলে বায়ুদূষণ, কালো ধোঁয়া এবং শব্দদূষণের কারণে স্থানীয় জনস্বাস্থ্য হুমকির মুখে পড়বে। এতে খরা, পানি সংকট ও তাপমাত্রা বৃদ্ধির মতো সমস্যাও তীব্র আকার ধারণ করতে পারে।

অভিযোগকারী দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে অবৈধ পাহাড় কাটা বন্ধ এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের কোনো বক্তব্য এখনো পাওয়া যায়নি। তবে স্থানীয় সচেতন মহল বলছে, দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা না নিলে পরিবেশগত বিপর্যয় আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে।
- অন্যান্য খবর জানতে এখানে ক্লিক করুন।
- ফেসবুকে আমাদের ফলো দিয়ে সর্বশেষ সংবাদের সাথে থাকুন।
- ইউটিউবেও আছি আমরা। সাবস্ক্রাইব করে ঘুরে আসুন ডিজিটাল কন্টেন্টের দুনিয়ায়।