রাঙামাটির বিলাইছড়িতে উপজাতি সশস্ত্র সন্ত্রাসীগোষ্ঠী কর্তৃক বৌদ্ধ বিহারে আগুন, এক সেবককে মারধর - Southeast Asia Journal

রাঙামাটির বিলাইছড়িতে উপজাতি সশস্ত্র সন্ত্রাসীগোষ্ঠী কর্তৃক বৌদ্ধ বিহারে আগুন, এক সেবককে মারধর

“এখান থেকে শেয়ার করতে পারেন”

Loading

নিউজ ডেস্ক

রাঙামাটি পার্বত্য জেলার বিলাইছড়িতে আঞ্চলিক উপজাতি সশস্ত্র সন্ত্রাসীগোষ্ঠী কর্তৃক একটি বৌদ্ধ বিহার আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেবার খবর পাওয়া গেছে। এছাড়া সেসময় বিহারে থাকা এক সেবককেও মারধরের অভিযোগ উঠেছে সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে।

১৬ মে শনিবার রাত ২টার দিকে বিলাইছড়ি উপজেলার দুর্গম ধুপসিল পাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে বলে জানা যায়।

ঘটনার বিবরণে জানা যায়, রাঙামাটির বিলাইছড়ি উপজেলার ১নং বিলাইছড়ি ইউনিয়নের (৭নং ওয়ার্ড) ধূপশীলপাড়া এলাকায় বৌদ্ধ ধর্মীয় গুরু ড. এফ. দীপংকর ভান্তে কর্তৃক আন্তর্জাতিক বিদর্শন ভাবনা কেন্দ্র নামে একটি বৌদ্ধ বিহার গড়ে তোলা হয়। সেখানে গভীর রাতে একদল সশস্ত্র উপজাতি সন্ত্রাসী এসে কোন প্রকার কথা-বার্তা ছাড়াই বৌদ্ধ বিহারে আগুন ধরিয়ে দেয়। এছাড়া সেসময় বিহারে থাকা এক সেবককে বেধরক মারধরও করে সন্ত্রাসীরা। এছাড়া বিহারে আগুন দেওয়ার ঘটনায় আশে-পাশের আরো কয়েকটি বসতবাড়িও পুড়ে ছাই হয়ে গেছে বলে জানা গেছে।

এখানে উল্লেখ্য, সন্তু লারমার নেতৃত্বাধীন জেএসএস দীর্ঘদিন ধরেই ঐ এলাকায় দীপঙ্কর ভান্তের দ্বারা স্থাপনকৃত ভাবনা কেন্দ্রের বিরোধীতা করে আসছিলো। জেএসএস’র বিলাইছড়ি উপজেলা সাধারণ সম্পাদক রাহুল চাকমা দীর্ঘদিন ধরে এ ভাবনা কেন্দ্র স্খাপন নিয়ে নানা সমালোচনা করে আসছে। তাই বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের এই ভাবনা কেন্দ্রে আগুন দেয়ার পেছনে জেএসএস’র হাত রয়েছে বলে ধারনা এলাকাবাসীর। এছাড়া ২০১৮ সালেও জেএসএস (সন্তু) দীপংকর ভান্তে ও তার ভক্তদের হুমকি দেয়, এলাকা ছেড়ে চলে যাওয়ার জন্য।

এর আগেও ফারুয়া এবং নির্মাণ গুহা এলাকায় একইভাবে ভাবনা কেন্দ্র পুড়িয়ে দেয়া হয় যা ড. দীপঙ্কর ভান্তের দ্বারা নির্মিত হয়েছিল। এই নিয়ে তৃতীয় ঘটনা যেখানে জেএসএস মূল দলের সন্ত্রাসীরা ভাবনা কেন্দ্র পুড়িয়ে দিল। স্থানীয়দের প্রশ্ন, সন্তু লারমার জেএসএস’র বৌদ্ধ ধর্মের প্রতি বিন্দু মাত্র শ্রদ্ধা আছে কি?