সবুজায়ন ও সম্প্রীতি জোরদারে প্রশংসনীয় উদ্যোগ বাঘাইহাট জোনের, চারা বিতরণ

সবুজায়ন ও সম্প্রীতি জোরদারে প্রশংসনীয় উদ্যোগ বাঘাইহাট জোনের, চারা বিতরণ

সবুজায়ন ও সম্প্রীতি জোরদারে প্রশংসনীয় উদ্যোগ বাঘাইহাট জোনের, চারা বিতরণ
“এখান থেকে শেয়ার করতে পারেন”

Loading

নিউজ ডেস্ক

রিবেশ সংরক্ষণ, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা এবং সবুজায়ন বৃদ্ধির লক্ষ্যে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর বাঘাইহাট জোনের উদ্যোগে রাঙামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার স্থানীয় পাহাড়ি ও বাঙালি পরিবারের মাঝে বিভিন্ন প্রজাতির ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা বিতরণ করা হয়েছে। জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং বৃক্ষরোপণকে গণআন্দোলনে রূপ দেওয়ার লক্ষ্যে আয়োজিত এ কর্মসূচি স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে।

বুধবার (১ জুলাই) সকালে ২৪ পদাতিক ডিভিশনের খাগড়াছড়ি রিজিয়নের পরিকল্পনা অনুযায়ী বাঘাইহাট জোনের আয়োজনে ৩৬ নং সাজেক ইউনিয়নের বাঘাইহাট বাজার এবং রূপকারী ইউনিয়নের আওতাধীন দুইটিলা সেনাক্যাম্প এলাকায় এই কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হয়।

অনুষ্ঠানে বাঘাইহাট জোনের উপ-অধিনায়ক প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে স্থানীয় উপকারভোগীদের হাতে বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা তুলে দেন।

এ সময় তিনি বলেন, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং জলবায়ু পরিবর্তনের ক্রমবর্ধমান চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় ব্যাপক বৃক্ষরোপণের কোনো বিকল্প নেই। একটি গাছ শুধু প্রকৃতিকে সবুজ করে না, বরং মাটি সংরক্ষণ, জীববৈচিত্র্য রক্ষা এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি নিরাপদ ও বাসযোগ্য পরিবেশ গড়ে তুলতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

তিনি উপস্থিত সবার প্রতি বিতরণকৃত চারাগুলো যথাযথভাবে রোপণ ও পরিচর্যার আহ্বান জানিয়ে বলেন, প্রতিটি পরিবার যদি অন্তত একটি করে গাছ রোপণ ও পরিচর্যার দায়িত্ব নেয়, তাহলে অল্প সময়ের মধ্যেই একটি সবুজ ও পরিবেশবান্ধব সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব হবে। একই সঙ্গে তিনি অন্যদেরও বৃক্ষরোপণে উৎসাহিত করার আহ্বান জানান।

গাছের চারা পেয়ে স্থানীয় পাহাড়ি ও বাঙালি পরিবারগুলো বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তাদের মতে, এ ধরনের উদ্যোগ শুধু পরিবেশ সংরক্ষণেই সহায়ক নয়, বরং বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মানুষের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা, সম্প্রীতি ও সামাজিক বন্ধন আরও সুদৃঢ় করতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখে।

বাঘাইহাট জোন সূত্রে জানা গেছে, পরিবেশ সংরক্ষণ, জনকল্যাণ এবং সামাজিক সম্প্রীতি বজায় রাখতে ভবিষ্যতেও এ ধরনের জনসেবামূলক ও উন্নয়নমূলক কার্যক্রম ধারাবাহিকভাবে পরিচালনা করা হবে।

প্রসঙ্গত, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী পার্বত্য চট্টগ্রামে নিরাপত্তা রক্ষার পাশাপাশি শিক্ষা, স্বাস্থ্য, পরিবেশ সংরক্ষণ, অবকাঠামো উন্নয়ন এবং বিভিন্ন মানবিক কার্যক্রম বাস্তবায়নের মাধ্যমে স্থানীয় জনগণের জীবনমান উন্নয়ন ও টেকসই উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছে। বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির মতো উদ্যোগ সেই ধারাবাহিক প্রচেষ্টারই একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।

  • অন্যান্য খবর জানতে এখানে ক্লিক করুন।
  • ফেসবুকে আমাদের ফলো দিয়ে সর্বশেষ সংবাদের সাথে থাকুন।
  • ইউটিউবেও আছি আমরা। সাবস্ক্রাইব করে ঘুরে আসুন ডিজিটাল  কন্টেন্টের দুনিয়ায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

You may have missed