পানছড়িতে ইউপিডিএফ-জেএসএস গোলাগুলি, সেনা অভিযানে ৫২ রাউন্ড খালি কার্তুজসহ সরঞ্জাম উদ্ধার

পানছড়িতে ইউপিডিএফ-জেএসএস গোলাগুলি, সেনা অভিযানে ৫২ রাউন্ড খালি কার্তুজসহ সরঞ্জাম উদ্ধার

পানছড়িতে ইউপিডিএফ-জেএসএস গোলাগুলি, সেনা অভিযানে ৫২ রাউন্ড খালি কার্তুজসহ সরঞ্জাম উদ্ধার
“এখান থেকে শেয়ার করতে পারেন”

Loading

নিউজ ডেস্ক

খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলার পানছড়ি উপজেলার লোগাং ইউনিয়নের ব্যাঙ্গাপাড়া এলাকায় পাহাড়ের আঞ্চলিক দুই সশস্ত্র সংগঠন প্রসীত বিকাশ খীসার নেতৃত্বাধীন ইউপিডিএফ ও সন্তু লারমার নেতৃত্বাধীন জেএসএসের মধ্যে গোলাগুলির ঘটনার পর বাংলাদেশ সেনাবাহিনী অভিযান চালিয়ে সন্ত্রাসীদের ব্যবহৃত একটি গোপন আস্তানা ধ্বংস করেছে।

এ সময় ঘটনাস্থল থেকে ৫২ রাউন্ড খালি কার্তুজ (এফসিসি) এবং সন্ত্রাসীদের ব্যবহৃত বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে।

জানা যায়, আজ বুধবার (১ জুলাই) দুপুর দেড়টার দিকে লোগাং ইউনিয়নের ব্যাঙ্গাপাড়া এলাকার দুর্গম পাহাড়ি অঞ্চলে ইউপিডিএফ ও জেএসএসের সশস্ত্র সদস্যদের মধ্যে গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। গোলাগুলির খবর পাওয়ার পর সেনাবাহিনীর খাগড়াছড়ি সদর জোনের অধীন পানছড়ি ক্যাম্প থেকে একটি সেনা টহল দল বিকেল আনুমানিক ৩টা ৪৫ মিনিট থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে।

অভিযান চলাকালে সেনাসদস্যরা জঙ্গলের ভেতরে সন্ত্রাসীদের একটি গোপন আস্তানা শনাক্ত করেন। সেনাবাহিনীর উপস্থিতি টের পেয়ে সন্ত্রাসীরা দ্রুত আস্তানা ছেড়ে পালিয়ে যায়। পরে আস্তানাটি তল্লাশি করে ৫২ রাউন্ড এফসিসি উদ্ধার করা হয়।

পানছড়িতে ইউপিডিএফ-জেএসএস গোলাগুলি, সেনা অভিযানে ৫২ রাউন্ড খালি কার্তুজসহ সরঞ্জাম উদ্ধার

এছাড়া সন্ত্রাসীদের ব্যবহৃত কলসি, রান্নার পাতিল, ওষুধপত্র, এলআরপি তাবুসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম জব্দ করা হয়। অভিযান শেষে সন্ত্রাসীদের আস্তানাটি সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস করে দেয় সেনাবাহিনী, যাতে ভবিষ্যতে সেটি পুনরায় ব্যবহার করা না যায়।

অভিযান শেষে সেনা সদস্যরা স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন এবং ঘটনার বিষয়ে বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করেন। একই সঙ্গে এলাকার সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সেনাবাহিনীর টহল ও গোয়েন্দা নজরদারি আরও জোরদার করা হয়েছে বলে স্থানীয়দের আশ্বস্ত করা হয়।

স্থানীয় সূত্রগুলোর দাবি, পার্বত্য অঞ্চলে আধিপত্য বিস্তার, চাঁদাবাজি এবং প্রভাব বিস্তারকে কেন্দ্র করে আঞ্চলিক সশস্ত্র সংগঠনগুলোর মধ্যে প্রায়ই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এসব ঘটনায় সাধারণ মানুষ আতঙ্কের মধ্যে জীবনযাপন করতে বাধ্য হন।

সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পার্বত্য চট্টগ্রামে সন্ত্রাস, অবৈধ অস্ত্রের ব্যবহার এবং যেকোনো ধরনের নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড দমনে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে। দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় শান্তি, স্থিতিশীলতা এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।

  • অন্যান্য খবর জানতে এখানে ক্লিক করুন।
  • ফেসবুকে আমাদের ফলো দিয়ে সর্বশেষ সংবাদের সাথে থাকুন।
  • ইউটিউবেও আছি আমরা। সাবস্ক্রাইব করে ঘুরে আসুন ডিজিটাল  কন্টেন্টের দুনিয়ায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

You may have missed