চীনে ভূমিধসে ১৬ জন নিখোঁজ, বজ্রঝড়-দুর্যোগে আহত অন্তত ২৭৫

চীনে ভূমিধসে ১৬ জন নিখোঁজ, বজ্রঝড়-দুর্যোগে আহত অন্তত ২৭৫

চীনে ভূমিধসে ১৬ জন নিখোঁজ, বজ্রঝড়-দুর্যোগে আহত অন্তত ২৭৫
“এখান থেকে শেয়ার করতে পারেন”

Loading

নিউজ ডেস্ক

চীনের পশ্চিমাঞ্চলীয় কানসু প্রদেশের একটি পাহাড়ি এলাকায় ভয়াবহ ভূমিধসে অন্তত ১৬ জন মাটির নিচে চাপা পড়েছেন। একই সময়ে দেশটির বিভিন্ন অঞ্চলে প্রবল বজ্রঝড়, ভারী বৃষ্টি ও দমকা হাওয়ায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এসব দুর্যোগে অন্তত ২৭৫ জন আহত হয়েছেন।

চীনের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন সিসিটিভি জানিয়েছে, ভূমিধসের ঘটনায় শুরুতে মোট ৩৩ জন আটকা পড়েছিলেন। উদ্ধারকারীরা এখন পর্যন্ত ১৭ জনকে জীবিত উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছেন। বাকি অন্তত ১৬ জনের সন্ধানে উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

দুর্যোগের পর প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং ক্ষতিগ্রস্তদের উদ্ধার এবং নিখোঁজদের খুঁজে বের করতে সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালানোর নির্দেশ দিয়েছেন। স্থানীয় প্রশাসন, দমকল বাহিনী ও জরুরি উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে উদ্ধার কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে।

প্রাথমিকভাবে ভূমিধসের সুনির্দিষ্ট কারণ জানা না গেলেও, চলতি সপ্তাহজুড়ে চীনের বিভিন্ন অঞ্চলে প্রবল বর্ষণ, বজ্রঝড় ও ঝোড়ো হাওয়ার প্রভাব দেখা গেছে। সরকারি সংবাদ সংস্থা সিনহুয়ার তথ্য অনুযায়ী, সোমবার রাতে মধ্যাঞ্চলীয় হুবেই প্রদেশের পূর্বাংশে আকস্মিক বজ্রঝড়ে অন্তত আটজন নিহত এবং একজন নিখোঁজ হয়েছেন।

এছাড়া হুবেই প্রদেশের হুয়াংশি, হুয়াংগাং, এঝৌ ও শিয়াননিং শহরের ওপর দিয়ে ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ১৪৯ কিলোমিটার বেগে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যায়। মঙ্গলবার সকাল পর্যন্ত এসব দুর্যোগে আহত হয়েছেন অন্তত ২৭৫ জন।

চীনের জাতীয় আবহাওয়া কেন্দ্র সতর্ক করে জানিয়েছে, আগামী ২৪ ঘণ্টায় দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের গুয়াংশি এবং পূর্বাঞ্চলের জিয়াংসু ও শানডং প্রদেশে সর্বোচ্চ ২৬০ মিলিমিটার পর্যন্ত বৃষ্টিপাত হতে পারে। একই সঙ্গে উত্তর-পূর্ব ও দক্ষিণাঞ্চলের কয়েকটি এলাকায় টর্নেডোর আশঙ্কাও রয়েছে।

আবহাওয়াবিদদের মতে, ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকলে প্রায় ২০ কোটি মানুষের বসবাসকারী বিস্তীর্ণ এলাকায় নতুন করে বন্যা ও ভূমিধসের ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।

এদিকে প্রশান্ত মহাসাগর থেকে তাইওয়ানের দিকে অগ্রসর হওয়া সুপার টাইফুন ‘বাভি’কে ঘিরেও সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি করেছে চীন। যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় আবহাওয়া দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, সোমবার গুয়াম, টিনিয়ান, সাইপান ও রোটা দ্বীপপুঞ্জ অতিক্রমের সময় ঘূর্ণিঝড়টির সর্বোচ্চ গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় প্রায় ২৯০ কিলোমিটার।

  • অন্যান্য খবর জানতে এখানে ক্লিক করুন।
  • ফেসবুকে আমাদের ফলো দিয়ে সর্বশেষ সংবাদের সাথে থাকুন।
  • ইউটিউবেও আছি আমরা। সাবস্ক্রাইব করে ঘুরে আসুন ডিজিটাল  কন্টেন্টের দুনিয়ায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *