পার্বত্য চট্টগ্রামে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতির আশা, উত্তর-পূর্বে শঙ্কা
![]()
জার্নাল প্রতিবেদক
টানা বৃষ্টির কারণে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতি ভিন্ন চিত্র ধারণ করেছে। পার্বত্য চট্টগ্রামে নদ-নদীর পানি কমতে থাকায় আগামী দুই থেকে তিন দিনের মধ্যে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতির আশা করছে বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র।
তবে একই সময়ে সুরমা, কুশিয়ারা, সোমেশ্বরী এবং তিস্তা-ধরলা অববাহিকার কয়েকটি স্থানে আগামী ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টায় বন্যা পরিস্থিতির অবনতি ও নতুন এলাকা প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কার কথা জানিয়েছে সংস্থাটি।
সোমবার (১৩ জুলাই) বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের নির্বাহী প্রকৌশলী সরদার উদয় রায়হান ঢাকা মেইলকে এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম এলাকায় বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হওয়ার সম্ভাবনা আছে। ইতোমধ্যে পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলের সব নদীর পানি নেমে গেছে এবং গত ২৪ ঘণ্টায় পানি হ্রাস পেয়েছে, যা অব্যাহত থাকতে পারে। আগামী দুই থেকে তিন দিন সামগ্রিকভাবে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হবে।
সিলেটের বন্যা পরিস্থিতির সম্ভাবনা আছে কি না—জানতে চাইলে তিনি বলেন, সিলেটের সুরমা নদীর ছাতক পয়েন্টে এবং সুনামগঞ্জে পানি বিপৎসীমার ওপরে রয়েছে। ফেঞ্চুগঞ্জে কুশিয়ারা নদীর পানিও বর্তমানে বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এই দুটি পয়েন্টে পানি আরও বৃদ্ধি পেতে পারে এবং বন্যা পরিস্থিতির কিছুটা অবনতি হতে পারে। একই সঙ্গে আরও কিছু পয়েন্টে পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করছে এবং আগামী ২৪ ঘণ্টায় বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।

কবে নাগাদ বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হবে—জানতে চাইলে তিনি বলেন, বর্তমান মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে উজানের কিছু অববাহিকায় ভারী বৃষ্টিপাত চলমান আছে। তবে আগামী ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টা বা পরবর্তী সময়ে ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টিপাত হ্রাস পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
এর প্রভাবে পরবর্তীতে পানি হ্রাস পাওয়ার একটি চিত্র লক্ষ্য করা যেতে পারে। তবে দেশের প্রধান কয়েকটি নদীতে আগামী কয়েক দিন পানি বৃদ্ধি পাবে এবং তা বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হবে।
- অন্যান্য খবর জানতে এখানে ক্লিক করুন।
- ফেসবুকে আমাদের ফলো দিয়ে সর্বশেষ সংবাদের সাথে থাকুন।
- ইউটিউবেও আছি আমরা। সাবস্ক্রাইব করে ঘুরে আসুন ডিজিটাল কন্টেন্টের দুনিয়ায়।