পাহাড়ের সব সম্প্রদায়ের সম্প্রীতি অটুট রেখে উন্নয়ন করছে সরকার: পার্বত্য মন্ত্রী
![]()
জার্নাল প্রতিবেদক
পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী সাচিং প্রু জেরী এমপি বলেছেন, পাহাড়ের সব সম্প্রদায়ের মধ্যে সম্প্রীতি অটুট রেখেই সরকার উন্নয়ন কর্মকাণ্ড পরিচালনা করছে। বর্তমান সরকার টেকসই উন্নয়নে বিশ্বাসী এবং সেই লক্ষ্যেই পার্বত্য চট্টগ্রামের মানুষের জীবনমান উন্নয়ন ও অবকাঠামোগত অগ্রগতিতে বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করে যাচ্ছে।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) বিকেলে একদিনের সরকারি সফরে বান্দরবানে এসে বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকাণ্ড পরিদর্শন ও উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
পার্বত্য মন্ত্রী বলেন, পাহাড়ের মানুষের জীবনমান উন্নয়ন এবং যোগাযোগ ব্যবস্থার আধুনিকায়নে সরকার বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে। এসব উন্নয়ন কার্যক্রমে পাহাড়ের সব সম্প্রদায়ের মানুষের অংশগ্রহণ ও পারস্পরিক সম্প্রীতিকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। সম্প্রীতি বজায় রেখেই ভবিষ্যতেও উন্নয়ন কর্মকাণ্ড এগিয়ে নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।
তিনি বলেন, দুর্গম পাহাড়ি এলাকার মানুষের জীবনযাত্রা সহজ করতে যোগাযোগ অবকাঠামোর উন্নয়ন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সড়ক ও সেতু নির্মাণের মাধ্যমে দুর্গম এলাকার মানুষের যাতায়াতের সুযোগ বাড়ার পাশাপাশি শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি ও স্থানীয় অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডেও এর ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।
এ সময় পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অবসরপ্রাপ্ত) অনুপ কুমার চাকমা, ভাইস চেয়ারম্যান শেখ ছালেহ আহমেদ, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সজীব কান্তি রুদ্র, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মারুফা সুলতানা খান হীরামনি, পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড বান্দরবান ইউনিটের নির্বাহী প্রকৌশলী আবু বিন মো. ইয়াছির আরাফাতসহ পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড ও সরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
পরে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী সাচিং প্রু জেরী এমপি বান্দরবান সদর উপজেলার ক্রাউ আমতলী পাড়ায় একটি উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন করেন। পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের বাস্তবায়নে ১ কোটি ৬০ লাখ ৫০ হাজার টাকা ব্যয়ে সেতুসহ সড়ক নির্মাণ এবং ডলুপাড়া সড়কে আরসিসি ঢালাইয়ের কাজের উদ্বোধন করা হয়।
সংশ্লিষ্টরা জানান, দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় সড়ক যোগাযোগ উন্নত হলে স্থানীয় বাসিন্দাদের দৈনন্দিন চলাচল সহজ হওয়ার পাশাপাশি কৃষিপণ্য পরিবহন ও বাজারজাতকরণেও সুবিধা তৈরি হবে। একই সঙ্গে বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি সেবা দুর্গম এলাকার মানুষের কাছে আরও সহজে পৌঁছানোর সুযোগ তৈরি হবে।
উন্নয়ন প্রকল্পগুলো বাস্তবায়নের পাশাপাশি পাহাড়ের মানুষের মধ্যে পারস্পরিক সম্প্রীতি ও আস্থার পরিবেশ বজায় রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করে মন্ত্রী বলেন, উন্নয়নের সুফল যেন সব সম্প্রদায়ের মানুষ সমানভাবে পায়, সে লক্ষ্যেই সরকার কাজ করে যাচ্ছে।
- অন্যান্য খবর জানতে এখানে ক্লিক করুন।
- ফেসবুকে আমাদের ফলো দিয়ে সর্বশেষ সংবাদের সাথে থাকুন।
- ইউটিউবেও আছি আমরা। সাবস্ক্রাইব করে ঘুরে আসুন ডিজিটাল কন্টেন্টের দুনিয়ায়।