জেলা পরিষদে নিয়োগ ও শিক্ষাবৃত্তি বণ্টনে জনসংখ্যা অনুপাতে ন্যায্য হিস্যার দাবি নাগরিক পরিষদের

জেলা পরিষদে নিয়োগ ও শিক্ষাবৃত্তি বণ্টনে জনসংখ্যা অনুপাতে ন্যায্য হিস্যার দাবি নাগরিক পরিষদের

জেলা পরিষদে নিয়োগ ও শিক্ষাবৃত্তি বণ্টনে জনসংখ্যা অনুপাতে ন্যায্য হিস্যার দাবি নাগরিক পরিষদের
“এখান থেকে শেয়ার করতে পারেন”

Loading

নিউজ ডেস্ক

পার্বত্য চট্টগ্রাম জেলা পরিষদসমূহে নিয়োগ ও শিক্ষাবৃত্তি বণ্টনে জনসংখ্যা অনুপাতে ন্যায্য হিস্যা নিশ্চিত করার দাবিতে পার্বত্য চট্টগ্রাম নাগরিক পরিষদ রাঙামাটি জেলা শাখা প্রধান উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমার কাছে স্মারকলিপি প্রদান করেছে। আজ দুপুরে জেলা প্রশাসক মো. হাবিব উল্লাহ মারুফের মাধ্যমে এই স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।

স্মারকলিপি প্রদানকালে উপস্থিত ছিলেন নাগরিক পরিষদ রাঙামাটি জেলা শাখার সভাপতি মোহাম্মদ সোলায়মান, সহসভাপতি এসএমজি আজম, সাধারণ সম্পাদক ডা. মুহাম্মাদ ইব্রাহিম, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা ইব্রাহিম, মহিলা পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মোরশেদা আক্তার এবং ছাত্র পরিষদের নেতা তাজুল ইসলাম।

স্মারকলিপিতে বলা হয়, “রাষ্ট্র ও সমাজের সর্বস্তরে বৈষম্য দূর করে মেধার ভিত্তিতে সকল মানুষের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করতে ছাত্র-জনতা আন্দোলন গড়ে তুলেছে। বর্তমান সরকার গঠনের পর পাহাড়ের জনগণ আশাবাদী হয়েছিল যে, পার্বত্য চট্টগ্রামে দীর্ঘদিন ধরে চলমান বৈষম্যের অবসান হবে এবং বঞ্চিত বাঙালি জনগোষ্ঠীর ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠিত হবে।”

তারা অভিযোগ করেন, তিন পার্বত্য জেলা পরিষদ ও পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের আওতায় নিয়োগ, শিক্ষা উপবৃত্তি ও উন্নয়ন কার্যক্রমে দীর্ঘদিন ধরে বাঙালিদের প্রতি বৈষম্যমূলক আচরণ করা হচ্ছে। বিশেষ করে রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদে চাকরি ও শিক্ষাবৃত্তির বণ্টনে বাঙালিদের জন্য মাত্র ৩০ শতাংশ এবং উপজাতি সম্প্রদায়ের জন্য ৭০ শতাংশ বরাদ্দ রাখা হয়েছে, যা কোনো সরকারি নির্দেশনা ছাড়াই স্থানীয়ভাবে একতরফাভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

স্মারকলিপিতে আরও উল্লেখ করা হয়, পার্বত্য চট্টগ্রামে বাঙালি জনগোষ্ঠীর সংখ্যা প্রায় ৫৪ শতাংশ হলেও জেলা পরিষদে তাদের বরাদ্দ নির্ধারণ করা হয়েছে প্রায় অর্ধেকেরও কম। অন্যদিকে, উপজাতি কোটার ৭০ শতাংশের মধ্যে চাকমা সম্প্রদায়ের আধিক্য রয়েছে, ফলে খিয়াং, লুসাই, তঞ্চঙ্গ্যা, খুমি, আসাম প্রভৃতি প্রান্তিক নৃ-গোষ্ঠীরাও বঞ্চিত হচ্ছে।

নাগরিক পরিষদ অভিযোগ করে, তিন পার্বত্য জেলা পরিষদে দায়িত্বপ্রাপ্তরা স্বজনপ্রীতি ও ভূয়া প্রকল্পের নামে অদৃশ্য খাতে সীমাহীন দুর্নীতি ও লুটপাট চালাচ্ছে। এতে পাহাড়ের শান্তি, উন্নয়ন ও পারস্পরিক সহাবস্থানের পরিবেশ ব্যাহত হচ্ছে।

স্মারকলিপিতে দ্রুততম সময়ে তিন পার্বত্য জেলা পরিষদে বিদ্যমান বৈষম্যমূলক নীতি বাতিল করে জনসংখ্যা অনুপাতে চাকরি ও শিক্ষা উপবৃত্তি বণ্টনের সুনির্দিষ্ট নীতিমালা প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের জোর দাবি জানানো হয়।

  • অন্যান্য খবর জানতে এখানে ক্লিক করুন।
  • ফেসবুকে আমাদের ফলো দিয়ে সর্বশেষ সংবাদের সাথে থাকুন।
  • ইউটিউবেও আছি আমরা। সাবস্ক্রাইব করে ঘুরে আসুন ডিজিটাল  কন্টেন্টের দুনিয়ায়।