জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে বাঘাইছড়িতে খাগড়াছড়ি রিজিয়ন কমান্ডারের মতবিনিময় সভা
![]()
নিউজ ডেস্ক
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে পার্বত্য জেলা রাঙামাটির বাঘাইছড়িতে বেসামরিক প্রশাসন ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের সঙ্গে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ২০৩ পদাতিক ব্রিগেড ও খাগড়াছড়ি রিজিয়নের উদ্যোগে আয়োজিত এ সভায় নির্বাচনকে অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে সার্বিক নিরাপত্তা ও সমন্বয়ের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরা হয়।
আজ সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) সকাল ৯টায় বাঘাইছড়ি উপজেলার বিজিবি মারিশ্যা জোনের (২৭ বিজিবি) সার্বিক ব্যবস্থাপনায় এই মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খাগড়াছড়ি রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল হাসান মাহমুদ।
আজকের সভায় তিনি আসন্ন জাতীয় নির্বাচনকে ঘিরে পার্বত্য অঞ্চলের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, ভোটারদের নিরাপত্তা এবং শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
মতবিনিময় সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন মারিশ্যা জোন অধিনায়ক লেঃ কর্নেল মো. জাহিদুল ইসলাম জাহিদ, রিজিয়নের স্টাফ অফিসার মেজর কাজী মোস্তফা আরেফিন, বাঘাইছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আমেনা মারজান, আনসার ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক, ২৭ বিজিবির সহকারী পরিচালক হাফিজুর রহমানসহ স্থানীয় প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, শিক্ষক, সাংবাদিক, ব্যবসায়ী ও সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

সভায় বক্তারা বলেন, পার্বত্য অঞ্চলের ভৌগোলিক ও সামাজিক বাস্তবতা বিবেচনায় রেখে নির্বাচনকালীন সময়ে প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও স্থানীয় জনগণের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সমন্বয় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অবাধ ও সুষ্ঠু ভোটগ্রহণ নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখা, ভোটারদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং যেকোনো ধরনের গুজব বা বিশৃঙ্খলা প্রতিরোধে সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখার আহ্বান জানানো হয়।
বক্তারা আরও উল্লেখ করেন, নির্বাচনকে কেন্দ্র করে পার্বত্য এলাকায় শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে সেনাবাহিনীর এই ধরনের আগাম প্রস্তুতিমূলক ও সমন্বয়মূলক উদ্যোগ ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে। সভায় অংশগ্রহণকারীরা নিজেদের মতামত তুলে ধরেন এবং নির্বাচনকালীন সময়ে পারস্পরিক সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
মতবিনিময় সভা শেষে অংশগ্রহণকারীরা বলেন, জাতীয় নির্বাচনকে ঘিরে সেনাবাহিনীর এই উদ্যোগ স্থানীয় জনগণের মধ্যে আস্থা ও নিরাপত্তাবোধ তৈরি করবে এবং একটি শান্তিপূর্ণ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনী পরিবেশ নিশ্চিত করতে সহায়ক হবে।
প্রসঙ্গত, পার্বত্য চট্টগ্রামে শান্তি, নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখার পাশাপাশি জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচিগুলো সুষ্ঠুভাবে বাস্তবায়নে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী নিয়মিতভাবে স্থানীয় প্রশাসন ও জনগণের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করে যাচ্ছে।
- অন্যান্য খবর জানতে এখানে ক্লিক করুন।
- ফেসবুকে আমাদের ফলো দিয়ে সর্বশেষ সংবাদের সাথে থাকুন।
- ইউটিউবেও আছি আমরা। সাবস্ক্রাইব করে ঘুরে আসুন ডিজিটাল কন্টেন্টের দুনিয়ায়।