কাউখালীতে বন্য হাতির আক্রমণে নিহত মেশি মারমার পরিবারকে ৩ লাখ টাকার অনুদান দিল বনবিভাগ
![]()
নিউজ ডেস্ক
রাঙামাটি পার্বত্য জেলার কাউখালী উপজেলায় ২০১৯ সালে বন্য হাতির আক্রমণে নিহত মেশি মারমার পরিবারের সদস্যকে তিন লাখ টাকার ক্ষতিপূরণের চেক প্রদান করেছে ঝুম নিয়ন্ত্রণ বন বিভাগ।
বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) সকালে রাঙামাটি বিভাগীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এ চেক হস্তান্তর করা হয়।
অনুষ্ঠানে ঝুম নিয়ন্ত্রণ বন বিভাগ রাঙামাটি বিভাগীয় কার্যালয়ের উপ-বন সংরক্ষক মোহাম্মদ গোলাম কুদ্দুস ভূঁইয়া নিহতের স্বামী পাইঅং মারমার হাতে চেক তুলে দেন।
চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে উপ-বন সংরক্ষক বলেন, বন্য প্রাণী লোকালয়ে চলে এলে তাদের আক্রমণ না করে নিরাপদ দূরত্ব বজায় রেখে চলা প্রয়োজন। তিনি জানান, বন্য প্রাণীকে উসকানি না দিলে সাধারণত তারা আক্রমণ করে না। তবে কোনো কারণে মানুষের জানমালের ক্ষতি হলে সরকার ক্ষতিপূরণের মাধ্যমে সেই ক্ষতি কিছুটা লাঘবের চেষ্টা করে।
তিনি আরও বলেন, বর্তমান বিধিমালা অনুযায়ী বন্য প্রাণীর আক্রমণে কেউ মারা গেলে যথাযথ নিয়মে আবেদন সাপেক্ষে পরিবারকে তিন লাখ টাকা প্রদান করা হয়। এছাড়া গুরুতর আহত হলে সর্বোচ্চ এক লাখ টাকা এবং বনাঞ্চলের বাইরে ফসল, ঘরবাড়ি বা অন্যান্য সম্পদের ক্ষতি হলে সর্বোচ্চ ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত ক্ষতিপূরণ দেওয়া হয়।
এদিকে ঝুম নিয়ন্ত্রণ বন বিভাগের সহকারী বন সংরক্ষক মো. তবিবুর রহমান জানান, কিছু ক্ষেত্রে এ ক্ষতিপূরণ প্রযোজ্য নয়। যেমন—সরকারি বনাঞ্চলে অনুমতি ছাড়া প্রবেশ করে কেউ আক্রান্ত হলে, কেউ উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বন্য প্রাণীকে আঘাত করলে বা অবৈধ শিকারের সময় আহত হলে, বিদেশি নাগরিক সীমান্তবর্তী ‘নো ম্যানস ল্যান্ড’-এ আক্রান্ত হলে এবং সাফারি পার্কে ঝুঁকি ভাতা প্রাপ্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এ সুবিধা পাবেন না।
অনুষ্ঠানে কাউখালী উপজেলার কাশখালী রেঞ্জের রেঞ্জ কর্মকর্তা আব্দুল জলিল, সাবেক রেঞ্জ কর্মকর্তা আব্দুর গফুরসহ বন বিভাগের অন্যান্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
- অন্যান্য খবর জানতে এখানে ক্লিক করুন।
- ফেসবুকে আমাদের ফলো দিয়ে সর্বশেষ সংবাদের সাথে থাকুন।
- ইউটিউবেও আছি আমরা। সাবস্ক্রাইব করে ঘুরে আসুন ডিজিটাল কন্টেন্টের দুনিয়ায়।