আলীকদমে সাংগ্রাই উৎসবে সম্প্রীতির বার্তা, বৌদ্ধ বিহারে সেনা জোনের সহায়তা

আলীকদমে সাংগ্রাই উৎসবে সম্প্রীতির বার্তা, বৌদ্ধ বিহারে সেনা জোনের সহায়তা

আলীকদমে সাংগ্রাই উৎসবে সম্প্রীতির বার্তা, বৌদ্ধ বিহারে সেনা জোনের সহায়তা
“এখান থেকে শেয়ার করতে পারেন”

Loading

নিউজ ডেস্ক

বান্দরবান পার্বত্য জেলার আলীকদমে বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী মারমা সম্প্রদায়ের অন্যতম প্রধান উৎসব ‘সাংগ্রাই’ উপলক্ষে সম্প্রীতি, সহমর্মিতা ও ধর্মীয় চেতনার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে সেনাবাহিনীর আলীকদম জোন।

বুধবার (১৫ এপ্রিল) উপজেলার কুরুকপাতা বাজারস্থ বৌদ্ধ বিহার প্রাঙ্গণে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে স্থানীয় বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে পুরো এলাকা শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে পরিণত হয়।

সাংগ্রাই উৎসব উপলক্ষে আলীকদম জোন অধিনায়ক লেঃ কর্নেল মো. আশিকুর রহমান আশিক’র নির্দেশনায় বৌদ্ধ বিহারের উন্নয়ন ও ধর্মীয় কার্যক্রমে সহায়তার লক্ষ্যে আর্থিক অনুদান প্রদান করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মেন্দনপাড়া আর্মি ক্যাম্পের ক্যাম্প কমান্ডার মেজর মো. তুহিনুর রহমান।

এছাড়াও কুরুকপাতা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ক্রাতপুং ম্রো, বৌদ্ধ বিহার পরিচালনা কমিটির সভাপতি, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং বিপুল সংখ্যক ধর্মপ্রাণ মানুষ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন।

আলীকদমে সাংগ্রাই উৎসবে সম্প্রীতির বার্তা, বৌদ্ধ বিহারে সেনা জোনের সহায়তা

অনুষ্ঠানে উপস্থিত অতিথিরা স্থানীয় জনগণের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন এবং ধর্মীয় সম্প্রীতি, সহনশীলতা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ বজায় রাখার গুরুত্ব তুলে ধরেন। বক্তারা বলেন, পার্বত্য অঞ্চলের বৈচিত্র্যময় সংস্কৃতি ও ধর্মীয় ঐতিহ্য রক্ষা করতে হলে সকল সম্প্রদায়ের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা ও সহমর্মিতা আরও জোরদার করা প্রয়োজন।

সাংগ্রাই উৎসবকে ঘিরে আলীকদম সেনা জোনের পক্ষ থেকে সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়। গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে সেনাবাহিনীর টহল ও সতর্ক উপস্থিতি নিশ্চিত করা হয়, যার ফলে স্থানীয় জনগণ নির্বিঘ্নে ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান সম্পন্ন করতে সক্ষম হন। এতে পুরো এলাকায় শান্তিপূর্ণ ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশ বজায় থাকে।

স্থানীয়রা জানান, সেনাবাহিনীর এই ধরনের সহযোগিতামূলক কার্যক্রম শুধু নিরাপত্তা নিশ্চিতই করে না, বরং সামাজিক সম্প্রীতি জোরদারেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে সহায়তা প্রদান ও উৎসবের সময় পাশে থাকার মাধ্যমে সেনাবাহিনী সাধারণ মানুষের আস্থা অর্জনে সক্ষম হয়েছে।

উৎসব শেষে অংশগ্রহণকারীরা সেনাবাহিনীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং ভবিষ্যতেও এ ধরনের মানবিক ও জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে আশা ব্যক্ত করেন।

প্রসঙ্গত, পার্বত্য অঞ্চলে শান্তি, স্থিতিশীলতা ও সম্প্রীতি বজায় রাখতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী নিয়মিতভাবে বিভিন্ন সামাজিক ও মানবিক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে, যা স্থানীয় জনগণের মধ্যে ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে।

  • অন্যান্য খবর জানতে এখানে ক্লিক করুন।
  • ফেসবুকে আমাদের ফলো দিয়ে সর্বশেষ সংবাদের সাথে থাকুন।
  • ইউটিউবেও আছি আমরা। সাবস্ক্রাইব করে ঘুরে আসুন ডিজিটাল  কন্টেন্টের দুনিয়ায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *