‘পাহাড়ে ইকো-ট্যুরিজম ও জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় বাংলাদেশ ও কানাডার কাজের সুযোগ রয়েছে‘

‘পাহাড়ে ইকো-ট্যুরিজম ও জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় বাংলাদেশ ও কানাডার কাজের সুযোগ রয়েছে‘

‘পাহাড়ে ইকো-ট্যুরিজম ও জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় বাংলাদেশ ও কানাডার কাজের সুযোগ রয়েছে‘
“এখান থেকে শেয়ার করতে পারেন”

Loading

নিউজ ডেস্ক

পার্বত্য চট্টগ্রামে ইকো-ট্যুরিজমের প্রসারে বাংলাদেশ ও কানাডার একযোগে কাজ করার বড় সুযোগ রয়েছে বলে জানিয়েছেন দীপেন দেওয়ান। তিনি বলেন, এ অঞ্চলের টেকসই উন্নয়ন ও জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায়ও দু’দেশের মধ্যে সহযোগিতার বিস্তৃত ক্ষেত্র রয়েছে।

মঙ্গলবার বাংলাদেশ সচিবালয়ে মন্ত্রীর দপ্তরে বাংলাদেশে নিযুক্ত কানাডার হাইকমিশনার অজিত সিং-এর নেতৃত্বে চার সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে এলে তিনি এসব কথা বলেন।

সাক্ষাৎকালে মন্ত্রী বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলে বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর মানুষ পারস্পরিক সম্প্রীতি ও সমতার ভিত্তিতে বসবাস করছে। বর্তমান সরকার দুর্গম এলাকাগুলোতে সকল ধরনের নাগরিক সেবা পৌঁছে দিতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান-এর দূরদর্শী নেতৃত্বে দেশের অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

মন্ত্রী পার্বত্য অঞ্চলের উন্নয়নে কানাডা সরকারের দীর্ঘদিনের সহযোগিতার প্রশংসা করে বলেন, কানাডা সবসময় বাংলাদেশের অকৃত্রিম বন্ধু হিসেবে পাশে থেকেছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, ভবিষ্যতে পরিবেশ সুরক্ষা, বনায়ন, মানসম্মত শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, স্যানিটেশন ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে কানাডা তাদের সহযোগিতা আরও বাড়াবে।

আলোচনায় সুশাসন প্রতিষ্ঠা, পর্যটন শিল্পের আধুনিকায়ন, জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা এবং নারী ক্ষমতায়নের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ-কানাডা যৌথ অংশীদারিত্ব জোরদারের ওপর গুরুত্ব আরোপ করা হয়।

হাইকমিশনার অজিত সিং বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের প্রশংসা করে পার্বত্য অঞ্চলের উন্নয়নে তাদের সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আশ্বাস দেন।

প্রতিনিধি দলে আরও উপস্থিত ছিলেন কানাডিয়ান হাইকমিশনের রাজনৈতিক কাউন্সেলর মার্কাস ডেভিস, ফার্স্ট সেক্রেটারি (ডেভেলপমেন্ট) জোসেফ ম্যাকিনটোশ এবং ডেভেলপমেন্ট অ্যাডভাইজার ফারজানা সুলতানা।

এ সময় পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. মনিরুল ইসলাম, যুগ্ম সচিব মোহাম্মদ মমিনুর রহমান, যুগ্ম সচিব কাজী তোফায়েল হোসেন এবং মন্ত্রীর একান্ত সচিব (উপসচিব) রবীন্দ্র চাকমাসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

প্রসঙ্গত, পার্বত্য চট্টগ্রামের টেকসই উন্নয়ন ও পর্যটন খাতের সম্ভাবনা কাজে লাগাতে আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদারের ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার।

  • অন্যান্য খবর জানতে এখানে ক্লিক করুন।
  • ফেসবুকে আমাদের ফলো দিয়ে সর্বশেষ সংবাদের সাথে থাকুন।
  • ইউটিউবেও আছি আমরা। সাবস্ক্রাইব করে ঘুরে আসুন ডিজিটাল  কন্টেন্টের দুনিয়ায়।