‘চায়না-বাংলাদেশ সার্জিক্যাল ক্লিনিক’ চালু করতে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর

‘চায়না-বাংলাদেশ সার্জিক্যাল ক্লিনিক’ চালু করতে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর

‘চায়না-বাংলাদেশ সার্জিক্যাল ক্লিনিক’ চালু করতে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর
“এখান থেকে শেয়ার করতে পারেন”

Loading

নিউজ ডেস্ক

বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএমইউ) ও চীনের কুনমিং মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (কেএমইউ) মধ্যে ‘চায়না-বাংলাদেশ জয়েন্ট সার্জিক্যাল ক্লিনিক’ চালুর লক্ষ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করা হয়েছে।

বুধবার (২২ এপ্রিল) দুপুরে রাজধানীর শাহবাগে বাংলাদেশ মেডিকেল ইউনিভার্সিটি সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালের লেকচার হলে দুই বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে এই স্মারক স্বাক্ষরিত হয়।

বিএমইউর উপাচার্য অধ্যাপক ডা. এফ এম সিদ্দিকীর সভাপতিত্বে এবং উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ডা. মো. নজরুল ইসলামের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।

অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন, স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. নাজমুল হোসেন, বিএমইউর সার্জারি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ডা. মো. ইব্রাহিম সিদ্দিক, কেএমইউর ভাইস প্রেসিডেন্ট অধ্যাপক ডা. ইয়াং ওয়েন, অধ্যাপক ডা. লি জিওন মিং প্রমুখ।

স্বাগত বক্তব্য দেন বিএমইউর উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) ড. মো. আবুল কালাম আজাদ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে চীনের রাষ্ট্রদূতের উদ্দেশে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ১৯৭১ বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর চীন আমাদের অনেক সহায়তা করেছে।

আমাদের অর্থনৈতিক উন্নয়নে দেশটির গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা আছে। এছাড়া প্রান্তিক পর্যায়ে স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে চীন আমাদের অন্যতম সহযোগী।

তিনি জনস্বাস্থ্য উন্নয়নে বাংলাদেশের মেডিকেল সেবায় সার্বিক সহযোগিতা করতে চীনের প্রতি অনুরোধ জানান।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, করোনার সময় আমাদের ডাক্তার, নার্স এবং মেডিকেল সহযোগীরা সাহসের সঙ্গে এই অতিমারি মোকাবিলা করেছে৷ যার ফলে অনেক দেশের চেয়ে আমাদের দেশের মৃত্যুর হার অনেক কম ছিল। বর্তমান সময়েও ‘মিজেলস’ (হাম) ভাইরাসও আমরা মোকাবিলা করছি। বিগত সরকারের ব্যর্থতার কারণে আমাদের ভ্যাকসিনের মজুত শূন্য ছিল। এই সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর ৬৮ দিনের মধ্যে ইউনিসেফ, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা, গ্যাভিসহ অন্যান্য আন্তর্জাতিক সংস্থার সহযোগিতায় ভ্যাকসিন সংগ্রহ করে তা সারাদেশে দেওয়ার ব্যবস্থা করেছি। এই মাসের ৫ তারিখ থেকে ১৮টি জেলা ও ৩০টি উপজেলায় এই কার্যক্রম শুরু হয়। এছাড়া ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ, ময়মনসিংহ এবং বরিশাল শহরেও ভ্যাকসিন দেওয়ার কার্যক্রম শুরু করেছি। এই মাসের ২০ তারিখ থেকে এই কার্যক্রম সারাদেশে শুরু হয়।

এ সময় তিনি বাংলাদেশ ও চীনের শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিভিন্ন ধরনের প্রশিক্ষণ ও এক্সচেঞ্জ প্রোগ্রাম চালুর জন্য দেশটির প্রতি আহ্বান জানান।

রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বলেন, চীন ও বাংলাদেশ সব সময়ই উন্নয়ন সহযোগী ছিল। এই সহযোগিতার কারণে দুই দেশের মানুষই উপকৃত হচ্ছে। গত বছর চীন বাংলাদেশের চিকিৎসা ক্ষেত্রে চার মিলিয়ন ডলার অনুদান দিয়েছে। এছাড়া বিভিন্ন বিশেষায়িত হাসপাতাল ও গবেষণা সেন্টার নির্মাণে চীন বাংলাদেশ একসঙ্গে কাজ করেছে।

চীন বাংলাদেশের সঙ্গে কাজ করার জন্য সব সময় প্রস্তুত উল্লেখ করে রাষ্ট্রদূত বলেন, এই সহযোগিতার মাধ্যমে দুই দেশের মানুষই উপকৃত হবে এবং সহযোগিতার নতুন দুয়ার উন্মোচিত হবে।

  • অন্যান্য খবর জানতে এখানে ক্লিক করুন।
  • ফেসবুকে আমাদের ফলো দিয়ে সর্বশেষ সংবাদের সাথে থাকুন।
  • ইউটিউবেও আছি আমরা। সাবস্ক্রাইব করে ঘুরে আসুন ডিজিটাল  কন্টেন্টের দুনিয়ায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

You may have missed