বাঘাইছড়িতে কৃষকের ধান কেটে ঘরে তুললেন ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা
![]()
নিউজ ডেস্ক
রাঙামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলায় কালবৈশাখী ঝড় ও টানা অতিবৃষ্টির কারণে নিম্নাঞ্চলের বিস্তীর্ণ ফসলি জমি পানিতে তলিয়ে গেছে। প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও শ্রমিক সংকটে যখন পাকা ধান ঘরে তোলা নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন কৃষকরা, তখন তাদের পাশে দাঁড়িয়েছে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা।
শুক্রবার (৮ মে) বিকেলে মধ্যমপাড়া এলাকায় রাঙামাটি জেলা ছাত্রদলের নির্দেশনায় বাঘাইছড়ি পৌর ছাত্রদলের উদ্যোগে কৃষকের পাকা ধান কেটে ঘরে তুলে দেওয়া হয়। কর্মসূচিতে নেতৃত্ব দেন পৌর ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক শাহাদাত মোল্লা।
এসময় উপস্থিত ছিলেন হাবিবুর রহমান তারেক, কলেজ ছাত্রদলের সহ-সভাপতি নয়ন, ১নং ওয়ার্ড ছাত্রদলের সভাপতি আমিনুল ইসলাম বাবু, পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য নাছির, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য আরিফ, ১নং ওয়ার্ড ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক রাসেলসহ ছাত্রদলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।
নেতৃবৃন্দ বলেন, প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের পাশে দাঁড়ানো সামাজিক ও নৈতিক দায়িত্ব। ভবিষ্যতেও সাধারণ মানুষের কল্যাণে ছাত্রদলের এমন মানবিক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

পৌর ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক শাহাদাত মোল্লা বলেন, “বাঘাইছড়ির মাঠজুড়ে সোনালি ধান পেকে গেছে। কিন্তু কয়েক দিনের দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া ও শ্রমিক সংকটের কারণে কৃষকরা ধান ঘরে তুলতে পারছিলেন না। জেলা ছাত্রদলের নির্দেশনায় আমরা কৃষকের ধান কেটে ঘরে তুলে দিয়েছি।”
স্থানীয় কৃষক আবুল খায়ের বলেন, “এবার আমার বোরো ধানের ভালো ফলন হয়েছে। কিন্তু বৃষ্টি ও শ্রমিক সংকটের কারণে ধান কাটতে পারছিলাম না। ছাত্রদলের ছেলেরা এসে ধান কেটে দিয়েছে। এতে আমি অনেক খুশি।”
বাঘাইছড়ি উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. নূর আলম জানান, চলতি মৌসুমে উপজেলায় ৩ হাজার ৫২৫ হেক্টর জমিতে বোরো ধানের চাষ হয়েছে। তবে আগাম বৃষ্টিতে কিছু জমির ধান পানিতে ডুবে গেছে। তিনি দ্রুত ধান কেটে ঘরে তোলার জন্য কৃষকদের পরামর্শ দেন।
রাঙামাটি কৃষি বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, সাম্প্রতিক প্রাকৃতিক দুর্যোগে জেলার অন্তত ৩৬৯ হেক্টর ফসলি জমি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
- অন্যান্য খবর জানতে এখানে ক্লিক করুন।
- ফেসবুকে আমাদের ফলো দিয়ে সর্বশেষ সংবাদের সাথে থাকুন।
- ইউটিউবেও আছি আমরা। সাবস্ক্রাইব করে ঘুরে আসুন ডিজিটাল কন্টেন্টের দুনিয়ায়।