রাসায়নিক নিরাপত্তা জোরদারে ২৬তম সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত, অনলাইন নিবন্ধনে গুরুত্বারোপ
![]()
নিউজ ডেস্ক
দেশের রাসায়নিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও সুসংহত করা, আন্তর্জাতিক বাধ্যবাধকতা বাস্তবায়ন এবং রাসায়নিক দুর্ঘটনা মোকাবিলায় কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের লক্ষ্যে বাংলাদেশ জাতীয় কর্তৃপক্ষ, রাসায়নিক অস্ত্র কনভেনশন (বিএনএসিডব্লিউসি)-এর ২৬তম সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (২২ জুন) সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের মাল্টিপারপাস হলে আয়োজিত এ সভায় সভাপতিত্ব করেন বিএনএসিডব্লিউসি’র চেয়ারম্যান ও সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার লেফটেন্যান্ট জেনারেল মীর মুশফিকুর রহমান।
সভায় বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, বিভাগ, সংস্থা এবং সশস্ত্র বাহিনীর প্রতিনিধিসহ বিএনএসিডব্লিউসি’র মোট ৪৩ জন সামরিক ও অসামরিক সদস্য অংশগ্রহণ করেন।
সভায় আন্তর্জাতিক রাসায়নিক অস্ত্র কনভেনশন এবং রাসায়নিক অস্ত্র (নিষিদ্ধকরণ) আইন, ২০০৬-এর কার্যকর বাস্তবায়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। বিশেষভাবে তফসিলভুক্ত রাসায়নিক দ্রব্য সংক্রান্ত কার্যক্রম এবং তফসিল বহির্ভূত স্বতন্ত্র জৈব রাসায়নিক উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানসমূহকে বিএনএসিডব্লিউসি’র সঙ্গে অনলাইনে নিবন্ধনের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরা হয়।

সভায় দেশে তফসিলভুক্ত রাসায়নিক দ্রব্যের অবৈধ আমদানি, অনলাইন ক্রয়-বিক্রয় ও অপব্যবহার প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের ওপর জোর দেওয়া হয়। পাশাপাশি রাসায়নিক দ্রব্যের তালিকাভুক্তি বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধির প্রয়োজনীয়তা, তালিকাভুক্তির ফি পুনর্নির্ধারণ, আধুনিক ও সক্ষম পরীক্ষাগারের সংখ্যা বৃদ্ধি এবং বিএনএসিডব্লিউসি’র সফটওয়্যার উন্নয়নে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সক্রিয় ভূমিকা নিশ্চিত করার বিষয়ে নির্দেশনা প্রদান করা হয়।
সভায় বক্তারা বলেন, শিল্পায়ন, গবেষণা এবং বিভিন্ন বাণিজ্যিক খাতে রাসায়নিক দ্রব্যের ব্যবহার দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। এ কারণে রাসায়নিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে একটি কার্যকর নিয়ন্ত্রণ কাঠামোর আওতায় আনা সময়ের দাবি। সঠিক তদারকি ও সমন্বয়ের মাধ্যমে রাসায়নিক ঝুঁকি অনেকাংশে কমিয়ে আনা সম্ভব।
সভাপতির বক্তব্যে লেফটেন্যান্ট জেনারেল মীর মুশফিকুর রহমান দেশের সার্বিক রাসায়নিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা শক্তিশালী করতে আমদানিকারক, ব্যবহারকারী প্রতিষ্ঠান, কাস্টমস কর্তৃপক্ষ, আইন প্রয়োগকারী সংস্থা এবং সংশ্লিষ্ট সকল অংশীজনকে আরও দায়িত্বশীল ও কার্যকর ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান।
তিনি বলেন, রাসায়নিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা শুধু একটি প্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব নয়; বরং এটি একটি সমন্বিত জাতীয় প্রচেষ্টা। তাই সম্ভাব্য রাসায়নিক দুর্ঘটনা প্রতিরোধ ও মোকাবিলায় সংশ্লিষ্ট সকলকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।
- অন্যান্য খবর জানতে এখানে ক্লিক করুন।
- ফেসবুকে আমাদের ফলো দিয়ে সর্বশেষ সংবাদের সাথে থাকুন।
- ইউটিউবেও আছি আমরা। সাবস্ক্রাইব করে ঘুরে আসুন ডিজিটাল কন্টেন্টের দুনিয়ায়।