সরকার সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা ও স্বার্থ সুরক্ষাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে

সরকার সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা ও স্বার্থ সুরক্ষাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে

সরকার সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা ও স্বার্থ সুরক্ষাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে
“এখান থেকে শেয়ার করতে পারেন”

Loading

নিউজ ডেস্ক

সরকার সামাজিক, রাজনৈতিক ও ধর্মীয় সম্প্রীতিতে বিশ্বাস করে এবং সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা ও স্বার্থ সুরক্ষাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

সোমবার (২২ জুন) দুপুরে সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কার্যালয়ে বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের নেতাদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত বৈঠকে তিনি এ কথা জানান।

বৈঠকে দেশে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি, সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা, আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি এবং অর্পিত সম্পত্তি আইনসহ হিন্দু সম্প্রদায়ের বিভিন্ন দাবি-দাওয়া নিয়ে আলোচনা হয়।

বৈঠকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও সর্বজনীন অধিকারে দৃঢ়ভাবে বিশ্বাসী।

তিনি বলেন, অতীতে কক্সবাজারের রামু, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর ও কুমিল্লাসহ বিভিন্ন স্থানে সংখ্যালঘু নির্যাতনের ঘটনা ঘটলেও বর্তমান সরকারের আমলে এ ধরনের ঘটনার হার সবচেয়ে কম। বিচ্ছিন্ন কোনো ঘটনা ঘটলেও প্রশাসন দ্রুত কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নিয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

পূজা উদযাপন পরিষদের নেতারা সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার তথ্য তাৎক্ষণিকভাবে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে জানাতে একজন ‘ফোকাল পয়েন্ট’ কর্মকর্তা নিয়োগের দাবি জানান। এ বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দাবিটি সহানুভূতির সঙ্গে বিবেচনা করে দ্রুত বাস্তবায়নের আশ্বাস দেন।

আলোচনায় গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে হরিদাস চন্দ্র কর্তৃক রামমন্দির নির্মাণ এবং অ্যাডভোকেট চৈতালী চক্রবর্তীর কথিত সার্বভৌমত্ববিরোধী বক্তব্যের বিষয়ও উঠে আসে।

এ প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সরকার সামাজিক, রাজনৈতিক ও ধর্মীয় সম্প্রীতিতে বিশ্বাস করে এবং সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা ও স্বার্থ সুরক্ষাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে। তবে এক্ষেত্রে সব সম্প্রদায়ের দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করা প্রয়োজন। তিনি ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হানে এমন বক্তব্য বা কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান এবং দেশে শান্তি, স্থিতিশীলতা ও ধর্মীয় সম্প্রীতি বজায় রাখতে সবাইকে দায়িত্বশীল আচরণ করার আহ্বান জানান।

পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি বাসুদেব ধর ও সাধারণ সম্পাদক সন্তোষ শর্মার নেতৃত্বে আট সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল বৈঠকে অংশ নেয়। এ সময় প্রধানমন্ত্রীর হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান ও নৃ-গোষ্ঠীবিষয়ক বিশেষ সহকারী (প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদা) বিজন কান্তি সরকার উপস্থিত ছিলেন।

  • অন্যান্য খবর জানতে এখানে ক্লিক করুন।
  • ফেসবুকে আমাদের ফলো দিয়ে সর্বশেষ সংবাদের সাথে থাকুন।
  • ইউটিউবেও আছি আমরা। সাবস্ক্রাইব করে ঘুরে আসুন ডিজিটাল  কন্টেন্টের দুনিয়ায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *