চীনের সহায়তায় মিয়ানমারে ফের শুরু হচ্ছে বিতর্কিত বাঁধ নির্মাণ

চীনের সহায়তায় মিয়ানমারে ফের শুরু হচ্ছে বিতর্কিত বাঁধ নির্মাণ

চীনের সহায়তায় মিয়ানমারে ফের শুরু হচ্ছে বিতর্কিত বাঁধ নির্মাণ
“এখান থেকে শেয়ার করতে পারেন”

Loading

নিউজ ডেস্ক

মিয়ানমারের নতুন সরকার বিতর্কিত মিতসোন বাঁধ প্রকল্প আগামী আট বছরের মধ্যে শেষ করতে চাইছে। সূত্রের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স। ৩৬০ কোটি ডলারের এই মিতসোন বাঁধ প্রকল্প দেশটির উত্তরাঞ্চলীয় কাচিন রাজ্যে অবস্থিত।

সামরিক জান্তাপ্রধান থেকে প্রেসিডেন্ট হওয়া মিন অং হ্লাইংয়ের সাম্প্রতিক চীন সফরের পর বিষয়টি সামনে আসে। দীর্ঘদিন ধরে মিয়ানমারের একেবারে উত্তরে এবং সংঘাতকবলিত এই অঞ্চলে বিশাল জলবিদ্যুৎ প্রকল্প নির্মাণ করতে চাইছে চীন।

এই প্রকল্প স্থানীয় মানুষের ব্যাপক বিরোধিতার মুখে পড়ে। পরে ২০১১ সালে প্রকল্পটি স্থগিত করা হয়। এতে ক্ষুব্ধ হয় এই চীন।

কাচিন রাজ্যের পার্লামেন্ট সদস্য হতেত পাইং হতু রয়টার্সকে এ প্রকল্পের বিষয়ে বলেন, খুব শিগগিরই এর নির্মাণকাজ শুরু হবে।

ফ্রান্সের দক্ষিণাঞ্চলে ভয়াবহ দাবানল, শত শত দমকলকর্মীর অভিযানফ্রান্সের দক্ষিণাঞ্চলে ভয়াবহ দাবানল, শত শত দমকলকর্মীর অভিযান
মিয়ানমারের প্রেসিডেন্টের কার্যালয়ের একজন মুখপাত্র সাংবাদিকদের জানান, মিন অং হ্লাইংয়ের চীন সফরের সময় প্রকল্পটি পুনরায় চালু করার বিষয়টি উঠে আসে। তিনি আরো বলেন, বিদ্যুৎ সংকটে জর্জরিত মিয়ানমারের জন্য প্রয়োজনীয় ১০ গিগাওয়াট বিদ্যুতের অর্ধেকেরও বেশি এই প্রকল্প থেকে পাওয়া যাবে।

মুখপাত্র খাইং খাইং সো বলেন, সরকার স্থানীয় জনগোষ্ঠীর বন্যা ও বাস্তুচ্যুতি নিয়ে উদ্বেগ বিবেচনা করছে।

পুনরুজ্জীবিত প্রকল্পের খরচ মূল খরচের তিন গুণেরও বেশি হতে পারে। আন্তর্জাতিক নবায়নযোগ্য জ্বালানি সংস্থার (আইআরই) সাম্প্রতিক হিসাব অনুযায়ী, চীন ও ভারত ছাড়া এশিয়ার অন্য দেশগুলোর জলবিদ্যুৎ প্রকল্পগুলোর জন্য প্রতি কিলোওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনে গড়ে ১ হাজার ৯১৪ ডলার খরচ হয়। সেই হিসাব থেকেই নতুন এই ব্যয়ের ধারণা পাওয়া গেছে। পুনরুজ্জীবিত মিতসোন বাঁধ নির্মাণে ১১ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলার খরচ হতে পারে, যা ২০০৯ সালের খরচের তিন গুণেরও বেশি।

কাচিন রাজ্যের আইনপ্রণেতাসহ তিনজন কর্মকর্তা জানান, মিন অং হ্লাইং-এর সরকার প্রকল্পটি পুনরুজ্জীবিত করার জন্য কাজ করছে।

মার্চ মাসে মধ্য মিয়ানমারে ৭.৭ মাত্রার একটি শক্তিশালী ভূমিকম্পে হাজার হাজার মানুষ নিহত হওয়ার পর বাঁধ নির্মাণের ঝুঁকি নিয়ে উদ্বেগ বেড়েছে। সম্প্রতি ৪৯টি নাগরিক সমাজের সংগঠন প্রকল্পে পুরোপুরি বন্ধ করার দাবি জানিয়েছে।

  • অন্যান্য খবর জানতে এখানে ক্লিক করুন।
  • ফেসবুকে আমাদের ফলো দিয়ে সর্বশেষ সংবাদের সাথে থাকুন।
  • ইউটিউবেও আছি আমরা। সাবস্ক্রাইব করে ঘুরে আসুন ডিজিটাল  কন্টেন্টের দুনিয়ায়।