বন্যাদুর্গত মানুষের পাশে বিজিবির বলিপাড়া ব্যাটালিয়ন, একদিনে ১১৮ পরিবারের মাঝে ত্রাণ বিতরণ

বন্যাদুর্গত মানুষের পাশে বিজিবির বলিপাড়া ব্যাটালিয়ন, একদিনে ১১৮ পরিবারের মাঝে ত্রাণ বিতরণ

বন্যাদুর্গত মানুষের পাশে বিজিবির বলিপাড়া ব্যাটালিয়ন, একদিনে ১১৮ পরিবারের মাঝে ত্রাণ বিতরণ
“এখান থেকে শেয়ার করতে পারেন”

Loading

নিউজ ডেস্ক

টানা কয়েক দিনের ভারী বর্ষণ ও সাঙ্গু নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় বান্দরবানের বলিপাড়া ব্যাটালিয়নের দায়িত্বপূর্ণ এলাকার বাগানপাড়া, অন্তনীপাড়া, হিন্দুপাড়া ও মুসলিমপাড়ায় বন্যার পানি প্রবেশ করেছে। এতে বহু পরিবার পানিবন্দি হয়ে চরম দুর্ভোগে পড়েছে। এমন পরিস্থিতিতে মানবিক উদ্যোগ নিয়ে বন্যাদুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।

রোববার (১২ জুলাই) বলিপাড়া ব্যাটালিয়নের (৩৮ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. ইয়াসির আরাফাত হোসেন বলিপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় আশ্রয়কেন্দ্র পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থানরত ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন, তাদের সমস্যা ও প্রয়োজন সম্পর্কে অবগত হন এবং প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহায়তা অব্যাহত রাখার আশ্বাস দেন।

পরিদর্শন শেষে অধিনায়ক আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থানরত ৫৩টি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের প্রায় ২০০ জন সদস্যের হাতে ত্রাণ ও খাদ্যসামগ্রী তুলে দেন। এ সময় বলিপাড়া ব্যাটালিয়নের সহকারী পরিচালক মো. জাকির হোসেন উপস্থিত ছিলেন।

এরপর তিনি বাগানপাড়া, অন্তনীপাড়া ও অনিলপাড়ার আরও ৫০টি বন্যাকবলিত পরিবারের প্রায় ২০০ সদস্যের মধ্যে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করেন। সব মিলিয়ে একদিনে বলিপাড়া ব্যাটালিয়নের উদ্যোগে ১১৮টি পরিবারের প্রায় ৪০০ জন সদস্যের মাঝে ত্রাণ ও প্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করা হয়।

বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার প্রায় ৬৫টি পরিবার বলিপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থান করছে। এর আগে বন্যা পরিস্থিতির শুরুতেই গত ৮ ও ৯ জুলাইও বিজিবির পক্ষ থেকে দুর্গত পরিবারগুলোর মাঝে জরুরি ত্রাণ ও খাদ্য সহায়তা পৌঁছে দেওয়া হয়েছিল।

বলিপাড়া ব্যাটালিয়নের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বন্যা পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং প্রয়োজনীয় মানবিক সহায়তা পৌঁছে দিতে বিজিবির কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

বিজিবি আরও জানায়, সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি প্রাকৃতিক দুর্যোগ, অতিবৃষ্টি, পাহাড়ি ঢল, বন্যা ও ভূমিধসসহ বিভিন্ন জরুরি পরিস্থিতিতে উদ্ধার অভিযান পরিচালনা, নিরাপদ আশ্রয়ের ব্যবস্থা, খাদ্য সহায়তা প্রদান এবং সাধারণ জনগণ ও পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বাহিনীটি সবসময় অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে। ভবিষ্যতেও এ ধরনের মানবিক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে জানানো হয়।

  • অন্যান্য খবর জানতে এখানে ক্লিক করুন।
  • ফেসবুকে আমাদের ফলো দিয়ে সর্বশেষ সংবাদের সাথে থাকুন।
  • ইউটিউবেও আছি আমরা। সাবস্ক্রাইব করে ঘুরে আসুন ডিজিটাল  কন্টেন্টের দুনিয়ায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *