পাহাড়-সমতলের সব জাতিগোষ্ঠীর সমন্বয়ে ‘রঙধনু জাতি’ গড়তে কাজ করছে সরকার: ওয়াদুদ ভূইয়া

পাহাড়-সমতলের সব জাতিগোষ্ঠীর সমন্বয়ে ‘রঙধনু জাতি’ গড়তে কাজ করছে সরকার: ওয়াদুদ ভূইয়া

পাহাড়-সমতলের সব জাতিগোষ্ঠীর সমন্বয়ে ‘রঙধনু জাতি’ গড়তে কাজ করছে সরকার: ওয়াদুদ ভূইয়া
“এখান থেকে শেয়ার করতে পারেন”

Loading

জার্নাল প্রতিবেদক

পাহাড় ও সমতলে বসবাসরত সব জাতিগোষ্ঠীর সমন্বয়ে একটি সম্প্রীতিপূর্ণ ‘রঙধনু জাতি’ গড়ে তোলার প্রত্যয়ে বর্তমান সরকার কাজ করছে বলে মন্তব্য করেছেন খাগড়াছড়ির সংসদ সদস্য ওয়াদুদ ভূইয়া। তিনি বলেন, দেশের সব জনগোষ্ঠীর স্বতন্ত্র পরিচয়, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে সম্মান জানিয়ে সামগ্রিক উন্নয়নের মাধ্যমে একটি ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সরকার বিভিন্ন পরিকল্পনা গ্রহণ করছে।

শুক্রবার (৯ আগস্ট) বিকেলে খাগড়াছড়ি সদরের পানখাইয়াপাড়ায় বাংলাদেশ ত্রিপুরা কল্যাণ সংসদের ৬১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ওয়াদুদ ভূইয়া বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামে বসবাসরত বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন এবং তাদের আর্থসামাজিক অবস্থার পরিবর্তনে সরকারের পক্ষ থেকে নানা পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে। উন্নয়নের সুফল যাতে পাহাড়ের প্রত্যন্ত অঞ্চলে বসবাসরত মানুষের কাছেও পৌঁছে যায়, সে বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

তিনি বলেন, পাহাড় ও সমতলের মানুষের মধ্যে পারস্পরিক আস্থা, সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতি আরও জোরদার করা প্রয়োজন। দেশের প্রতিটি নাগরিকের মর্যাদা ও অধিকার নিশ্চিত করার মধ্য দিয়ে একটি শক্তিশালী ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব।

পাহাড়-সমতলের সব জাতিগোষ্ঠীর সমন্বয়ে ‘রঙধনু জাতি’ গড়তে কাজ করছে সরকার: ওয়াদুদ ভূইয়া

আলোচনা সভায় পার্বত্য চট্টগ্রামের বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর নিজস্ব সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও সামাজিক উন্নয়নের গুরুত্ব নিয়েও আলোচনা করা হয়। বক্তারা বলেন, নিজস্ব সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য সংরক্ষণের পাশাপাশি শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কর্মসংস্থান ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের সুযোগ বাড়ানো হলে পার্বত্য অঞ্চলের মানুষের জীবনমান আরও উন্নত হবে।

অনুষ্ঠানে খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শেফালিকা ত্রিপুরা এবং বাংলাদেশ ত্রিপুরা কল্যাণ সংসদের সভাপতি কমল বিকাশ ত্রিপুরাসহ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা বক্তব্য দেন।

বক্তারা বাংলাদেশ ত্রিপুরা কল্যাণ সংসদের দীর্ঘ পথচলা ও ত্রিপুরা জনগোষ্ঠীর সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও শিক্ষাগত উন্নয়নে সংগঠনটির ভূমিকার কথা তুলে ধরেন। ভবিষ্যতেও ঐক্যবদ্ধভাবে ত্রিপুরা জনগোষ্ঠীর কল্যাণে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়।

আলোচনা সভা শেষে অতিথি ও সংগঠনের নেতৃবৃন্দ কেক কেটে বাংলাদেশ ত্রিপুরা কল্যাণ সংসদের ৬১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আনন্দ ভাগাভাগি করেন। এ সময় উপস্থিত নেতৃবৃন্দ ও অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়।

  • অন্যান্য খবর জানতে এখানে ক্লিক করুন।
  • ফেসবুকে আমাদের ফলো দিয়ে সর্বশেষ সংবাদের সাথে থাকুন।
  • ইউটিউবেও আছি আমরা। সাবস্ক্রাইব করে ঘুরে আসুন ডিজিটাল কন্টেন্টের দুনিয়ায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

You may have missed