এফ-১৫সহ মার্কিন বিমানের বিপুল পরিমাণ ধ্বংসাবশেষ জনসম্মুখে আনল ইরান
![]()
জার্নাল প্রতিবেদক
ভূপাতিত মার্কিন ও ইসরায়েলি সামরিক বিমানের বিপুল পরিমাণ ধ্বংসাবশেষ প্রদর্শনে রেখেছে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)। এসব ধ্বংসাবশেষের মধ্যে ইরানের বিরুদ্ধে চলা যুদ্ধে আইআরজিসির অ্যারোস্পেস ফোর্সের গুলিতে ভূপাতিত একটি মার্কিন এফ-১৫ যুদ্ধবিমানের অংশবিশেষও রয়েছে।
ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আইআরআইবি প্রকাশিত একটি টিজারে প্রদর্শনীর বিভিন্ন সামগ্রী তুলে ধরা হয়েছে। এতে এফ-১৫ যুদ্ধবিমানের পাইলটের ইজেকশন সিট, বিমানের ককপিটের ক্যানোপির একটি অংশ এবং লেজের একটি অংশ দেখা যায়।
প্রদর্শনীতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের অন্যান্য সামরিক বিমানের ধ্বংসাবশেষের পাশাপাশি ভূপাতিত ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্রের বিভিন্ন অংশও রাখা হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এফ-১৫ যুদ্ধবিমানের ধ্বংসাবশেষ এবারই প্রথমবারের মতো জনসম্মুখে প্রদর্শন করা হচ্ছে।
এর আগে আইআরজিসির মুখপাত্র জেনারেল হোসেইন মোহেবি জানিয়েছিলেন, ১২ দিনের যুদ্ধের পর আইআরজিসির অ্যারোস্পেস ফোর্সকে নিজস্ব বিমান প্রতিরক্ষা সক্ষমতা তৈরির দায়িত্ব দেওয়া হয়। তার দাবি, দ্রুততার সঙ্গে প্রকল্পটি সম্পন্ন করা হয় এবং এর মাধ্যমে একটি নতুন দেশীয় বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা তৈরি করা হয়। পরবর্তী সময়ে যুদ্ধের সময় ওই ব্যবস্থা ব্যবহার করা হয়েছে।
মোহেবি আরও দাবি করেন, সংঘাতের সময় ওই প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সফলভাবে একটি এফ-৩৫ যুদ্ধবিমানও প্রতিহত করতে সক্ষম হয়।
এদিকে, আইআরজিসি অঞ্চলে থাকা মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে পাল্টা ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানোর সময় যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সরঞ্জামের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি ও ধ্বংসের দাবি করেছে।
আইআরজিসির দাবি অনুযায়ী, ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হওয়া সরঞ্জামের মধ্যে বিভিন্ন ধরনের রাডার ব্যবস্থা, বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, এয়ারবোর্ন আর্লি ওয়ার্নিং অ্যান্ড কন্ট্রোল (এডব্লিউএসিএস) বিমান, আকাশে জ্বালানি সরবরাহকারী বিমান, চালকসহ ও চালকবিহীন যুদ্ধবিমান এবং বিমান রাখার সুরক্ষিত স্থাপনাও রয়েছে।
- অন্যান্য খবর জানতে এখানে ক্লিক করুন।
- ফেসবুকে আমাদের ফলো দিয়ে সর্বশেষ সংবাদের সাথে থাকুন।
- ইউটিউবেও আছি আমরা। সাবস্ক্রাইব করে ঘুরে আসুন ডিজিটাল কন্টেন্টের দুনিয়ায়।