কালাদান প্রকল্প, রেলপথ ও বাংলাদেশ সীমান্তে বেড়া নির্মাণের অগ্রগতি পর্যালোচনা মিজোরামের মুখ্যমন্ত্রীর

কালাদান প্রকল্প, রেলপথ ও বাংলাদেশ সীমান্তে বেড়া নির্মাণের অগ্রগতি পর্যালোচনা মিজোরামের মুখ্যমন্ত্রীর

কালাদান প্রকল্প, রেলপথ ও বাংলাদেশ সীমান্তে বেড়া নির্মাণের অগ্রগতি পর্যালোচনা মিজোরামের মুখ্যমন্ত্রীর
“এখান থেকে শেয়ার করতে পারেন”

Loading

জার্নাল প্রতিবেদক

ভারতের মিজোরামের মুখ্যমন্ত্রী লালদুহোমা রাজ্যের গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি অবকাঠামো প্রকল্পের অগ্রগতি পর্যালোচনা করেছেন। বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) অনুষ্ঠিত ষষ্ঠ মিজোরাম প্রো-অ্যাকটিভ গভর্ন্যান্স অ্যান্ড টাইমলি ইমপ্লিমেন্টিং (মি-প্রগতি) বৈঠকে কালাদান মাল্টি-মোডাল ট্রানজিট ট্রান্সপোর্ট প্রকল্প (কেএমএমটিটিপি), রেলপথ সম্প্রসারণ এবং ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে বেড়া নির্মাণসহ চলমান বিভিন্ন প্রকল্পের অগ্রগতি নিয়ে আলোচনা হয়।

মুখ্যমন্ত্রীর সম্মেলনকক্ষে অনুষ্ঠিত বৈঠকে আগের মি-প্রগতি বৈঠকগুলোতে নেওয়া সিদ্ধান্তের বাস্তবায়ন পরিস্থিতি পর্যালোচনা করা হয়। পাশাপাশি বিভিন্ন চলমান উন্নয়ন প্রকল্পের অগ্রগতি এবং বাস্তবায়নে থাকা সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে সেগুলো দ্রুত সমাধানের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দেওয়া হয়।

বৈঠকে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিরা ভার্চুয়ালি অংশ নেন। তাদের মিজোরামের ভেতরে কালাদান প্রকল্পের আওতাধীন মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত সড়কের অংশগুলো দ্রুত মেরামতের উদ্যোগ নিতে বলা হয়। একই সঙ্গে প্রকল্পের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ক্ষতিপূরণসংক্রান্ত যেসব বিষয় এখনও নিষ্পত্তি হয়নি, সেগুলো দ্রুত সমাধানের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীনে বাস্তবায়নাধীন ১০৯ দশমিক ২ কিলোমিটার দীর্ঘ পালেতওয়া-কেলেতওয়া-জোচাছুয়া সড়ক প্রকল্পের অগ্রগতিও বৈঠকে পর্যালোচনা করা হয়। কর্মকর্তাদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, প্রকল্পটির ভৌত অগ্রগতি বর্তমানে ২৩ দশমিক ৩৫ শতাংশ এবং আর্থিক অগ্রগতি ৩০ শতাংশ।

এ ছাড়া দক্ষিণ মিজোরামের লংতলাই জেলার সাইরাং থেকে হ্মাওংবুচুয়া পর্যন্ত প্রস্তাবিত রেলপথ নির্মাণের অগ্রগতি সম্পর্কে বৈঠকে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে মুখ্যমন্ত্রীকে অবহিত করা হয়। সাইরাং রেলওয়ে স্টেশনে চলমান উন্নয়ন ও সংস্কারকাজের অগ্রগতিও পর্যালোচনা করা হয়েছে।

ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে সীমান্ত বেড়া ও সড়ক নির্মাণ প্রকল্পও বৈঠকের আলোচনায় আসে। বিশেষ করে রাজীবনগর এলাকার কাজের অগ্রগতি নিয়ে আলোচনা করা হয়। ভারতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা অনলাইনে বৈঠকে যুক্ত হয়ে প্রকল্পটির বর্তমান পরিস্থিতি সম্পর্কে মুখ্যমন্ত্রীকে অবহিত করেন।

বৈঠকে মিজোরামের বিভিন্ন সড়কের বেহাল দশা নিয়েও আলোচনা হয়। মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত সড়কগুলো দ্রুত মেরামত এবং বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়নে দীর্ঘদিন ধরে চলমান সমস্যাগুলো নিষ্পত্তির প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেওয়া হয়। একই সঙ্গে আইজল-তুইপাং জাতীয় মহাসড়কের চলমান কাজের বিভিন্ন বিষয়ও পর্যালোচনা করা হয়।

সাইবার অপরাধ এবং ‘ডিজিটাল অ্যারেস্ট’ সংক্রান্ত প্রতারণা মোকাবিলায় রাজ্য সাইবার ক্রাইম কো-অর্ডিনেশন সেন্টারের নেওয়া উদ্যোগগুলোর অগ্রগতিও বৈঠকে পর্যালোচনা করা হয়। প্রযুক্তিনির্ভর অপরাধ মোকাবিলায় সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর কার্যক্রম আরও কার্যকর করার বিষয়ে আলোচনা হয়।

বৈঠক শেষে চলমান প্রকল্পগুলোর কাজ দ্রুত এগিয়ে নেওয়া এবং অমীমাংসিত বিষয়গুলো নিষ্পত্তির জন্য একটি ফলোআপ কর্মপরিকল্পনা তৈরি করা হয়েছে। পরবর্তী মি-প্রগতি বৈঠকগুলোতে এসব প্রকল্প ও সমস্যার অগ্রগতি নিয়মিতভাবে পর্যালোচনা করা হবে বলে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

  • অন্যান্য খবর জানতে এখানে ক্লিক করুন।
  • ফেসবুকে আমাদের ফলো দিয়ে সর্বশেষ সংবাদের সাথে থাকুন।
  • ইউটিউবেও আছি আমরা। সাবস্ক্রাইব করে ঘুরে আসুন ডিজিটাল কন্টেন্টের দুনিয়ায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

You may have missed