বরকলে হরিণা জোনের উদ্যোগে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও ১৪ অসহায় পরিবারকে মানবিক সহায়তা
![]()
জার্নাল প্রতিবেদক
রাঙামাটির দুর্গম ও নদীবেষ্টিত বরকল এলাকায় শিক্ষা ও মানবিক সহায়তা কার্যক্রমের অংশ হিসেবে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং দরিদ্র-অসহায় পরিবারের মাঝে অনুদান ও প্রয়োজনীয় সামগ্রী বিতরণ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।
বৃহস্পতিবার হরিণা জোন (১২ বিজিবি) সদর দপ্তরে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ‘শান্তি, সম্প্রীতি ও উন্নয়ন’ প্রকল্পের আওতায় এসব সহায়তা প্রদান করা হয়। হরিণা জোনের উদ্যোগে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এলাকার সুবিধাবঞ্চিত মানুষের হাতে সহায়তার বিভিন্ন সামগ্রী ও নগদ অর্থ তুলে দেওয়া হয়।
অনুষ্ঠানে হরিণা জোন অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল কাজী মাহতাব উদ্দিন আহমেদ ভূষণছড়া ইউনিয়নের ফারুক-ই-আযম (রাঃ) হেফজখানা ও এতিমখানার শিক্ষার্থীদের খাবারের জন্য নগদ অর্থ প্রদান করেন।

এ ছাড়া এলাকার ১৪টি অসহায় পরিবারের মাঝে প্রয়োজন অনুযায়ী বাড়ি মেরামতের জন্য ঢেউটিন, স্ট্যান্ডসহ সেলাই মেশিন, সোলার প্যানেল এবং চিকিৎসা ও সন্তানদের পড়াশোনার খরচের জন্য নগদ অর্থ বিতরণ করা হয়। দুর্গম এলাকায় বসবাসকারী এসব পরিবারের প্রয়োজন বিবেচনায় নিয়ে সহায়তার ধরন নির্ধারণ করা হয় বলে সংশ্লিষ্টরা জানান।
বিজিবি সূত্র জানায়, পার্বত্য চট্টগ্রামের দুর্গম ও প্রত্যন্ত এলাকায় বসবাসকারী মানুষের জীবনযাত্রার মানোন্নয়ন এবং শিক্ষা ও সামাজিক উন্নয়নে সহায়তা করতেই এ ধরনের কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। বিশেষ করে প্রত্যন্ত অঞ্চলের দরিদ্র পরিবারগুলোর জরুরি প্রয়োজন পূরণ এবং শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় সহযোগিতা দেওয়ার মাধ্যমে স্থানীয় জনগণের পাশে দাঁড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে হরিণা জোন।
অনুষ্ঠানে হরিণা জোন অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল কাজী মাহতাব উদ্দিন আহমেদ বলেন, “বিজিবি শুধু দেশের সীমান্ত রক্ষা নয়, মানুষের কল্যাণে কাজ করাকেও নিজেদের দায়িত্ব মনে করে। ছোটহরিণার মতো দুর্গম পার্বত্য ও নদীবেষ্টিত এলাকায় হরিণা জোন নিয়মিতভাবে মানুষের পাশে দাঁড়াচ্ছে।”

তিনি বলেন, সুবিধাবঞ্চিত মানুষের প্রয়োজনের সময় পাশে দাঁড়ানো এবং তাদের জীবনযাত্রায় কিছুটা স্বস্তি ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে বিজিবির পক্ষ থেকে বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে ১২ বিজিবির এ ধরনের মানবিক কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি।
স্থানীয়রা হরিণা জোনের এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, দুর্গম পার্বত্য এলাকায় বসবাসকারী দরিদ্র পরিবারগুলোর জন্য এ ধরনের সহায়তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে চিকিৎসা, শিক্ষা, ঘর মেরামত ও আয়মুখী কাজে ব্যবহারের জন্য দেওয়া সহায়তা পরিবারগুলোর দৈনন্দিন জীবনে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে তারা আশা প্রকাশ করেন।
- অন্যান্য খবর জানতে এখানে ক্লিক করুন।
- ফেসবুকে আমাদের ফলো দিয়ে সর্বশেষ সংবাদের সাথে থাকুন।
- ইউটিউবেও আছি আমরা। সাবস্ক্রাইব করে ঘুরে আসুন ডিজিটাল কন্টেন্টের দুনিয়ায়।