ঢাকায় শুরু হলো ‘বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক স্কোয়াশ ২০২৬’ প্রতিযোগিতা

ঢাকায় শুরু হলো ‘বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক স্কোয়াশ ২০২৬’ প্রতিযোগিতা

ঢাকায় শুরু হলো ‘বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক স্কোয়াশ ২০২৬’ প্রতিযোগিতা
“এখান থেকে শেয়ার করতে পারেন”

Loading

জার্নাল প্রতিবেদক

রাজধানী ঢাকায় শুরু হয়েছে পাঁচ দিনব্যাপী উপমহাদেশের অন্যতম বৃহৎ ও মর্যাদাপূর্ণ প্রতিযোগিতা ‘বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক স্কোয়াশ ২০২৬’। সোমবার (২৪ আগস্ট) বসুন্ধরা স্পোর্টস সিটিতে বেলুন উড়িয়ে ও ফিতা কেটে প্রতিযোগিতার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ইঞ্জিনিয়ারিং চিফ মেজর জেনারেল মো. হাসান উজ জামান।

এবারের আসরে স্বাগতিক বাংলাদেশসহ বিশ্বের মোট ১১টি দেশের ২৪ জন পেশাদার স্কোয়াশ খেলোয়াড় অংশ নিচ্ছেন। অংশগ্রহণকারী দেশগুলোর মধ্যে রয়েছে—ভারত, শ্রীলঙ্কা, হংকং, সিঙ্গাপুর, ইরান, কুয়েত, বাহরাইন, মিশর, জাপান ও জার্মানি। আন্তর্জাতিক র‌্যাঙ্কধারী পেশাদার খেলোয়াড়দের উপস্থিতিতে এবারের টুর্নামেন্ট অত্যন্ত প্রতিদ্বন্দ্বীতাপূর্ণ ও আকর্ষণীয় হবে বলে আশা আয়োজকদের।

এবার পাকিস্তান, আয়ারল্যান্ড ও মালয়েশিয়াসহ প্রায় ১৭ টি দেশের ৮৪ জন পেশাদার স্কোয়াশ খেলোয়াড় অংশগ্রহণের জন্যে রেজিষ্ট্রেশন করলেও পেশাদার স্কোয়াশ এসোসিয়েশনের বাধ্য-বাধকতা এবং প্রতিযোগিতার ড্র সাইজের জন্যে প্রথম দিকের ২১ জন বিদেশি খেলোয়াড় এবারের আসরে খেলার সুযোগ পাচ্ছেন।

বাংলাদেশ বর্তমানে বিশ্ব র‌্যাঙ্কধারী ১১ জন পেশাদার স্কোয়াশ খেলোয়াড় আছে। এবারের প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশ তরুণ প্রতিভা আমিনুল (৬৯৬ তম), সাইমন (৭৭৫ তম) ও পারভেজদের (৮৭৫ তম) সাথে আরও রয়েছে মিশরের মো: গহর (বিশ্বের ৯১ তম), জাপানের নওকি হারিস (১১৭ তম), রভিন্দ্র লক্ষীশ্র (১৪৮ তম), আয়ন ভিজালি (১৭৩ তম), সিংঙ্গাপুরের জেরোম আও (১৮৫ তম), বাহরাইনে ইউসুফ থানি (২২৪ তম), হংকং-এর ইউলসন চেন (৩৩৭ তম), জার্মানীর ইউহোকম বিলিকভ (৩৪১ তম), কুয়েতের বদর আলমঘারাবি (৩৫৬ তম) ও ইরানের সিপার এতিমাডপোর মত পেশাদার খেলোয়াড়রা।

বিগত ছয় বছরে নানা প্রতিকূলতা, অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতা এবং বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে ধারাবাহিক ও পরিকল্পিত উদ্যোগের মাধ্যমে বাংলাদেশে স্কোয়াশ খেলায় এক নতুন জাগরণ সৃষ্টি করা সম্ভব হয়েছে। বিশ্ব ক্রীড়াঙ্গনে বাংলাদেশকে একটি সম্ভাবনাময় ও আদর্শ “স্কোয়াশ ডেস্টিনেশন” হিসেবে গড়ে তুলতে এই আন্তর্জাতিক আসর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

আয়োজকদের মতে, স্কোয়াশকে নির্দিষ্ট গন্ডি থেকে বের করে তৃণমূল এবং সাধারণ মানুষের দ্বারে পৌঁছে দিতে ‘ক্লাসরুম স্কোয়াশ’ এবং ‘স্কোয়াশ ও শিক্ষা বৃত্তি’-এর মতো বৈপ্লবিক ও জনবান্ধব প্রকল্প চালু করা হয়েছে। এর ফলে একসময় কেবল অভিজাতদের খেলা হিসেবে বিবেচিত স্কোয়াশ এখন সাধারণ শিক্ষার্থীদের খেলার মাঠে জায়গা করে নিয়েছে। সীমিত সম্পদের দেশগুলোর জন্য বাংলাদেশের এই সাফল্য ও তৃণমূল উন্নয়ন কার্যক্রম একটি অনুসরণযোগ্য বৈশ্বিক মডেল হতে পারে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন টুর্নামেন্টের প্রমোটর ব্রিগেডিয়ার জেনারেল জি এম কামরুল ইসলাম (অব.), বসুন্ধরা স্পোর্টস সিটির নির্বাহী কর্মকর্তা কর্নেল মোহসিনুল করিম (অব.), স্কোয়াশের পৃষ্ঠপোষক, আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ এবং দেশি-বিদেশি খেলোয়াড়রা। আগামী ২৮ আগস্ট বিকেল চারটায় জমকালো সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণের মধ্য দিয়ে পর্দা নামবে এই আন্তর্জাতিক স্কোয়াশ আসরের।

  • অন্যান্য খবর জানতে এখানে ক্লিক করুন।
  • ফেসবুকে আমাদের ফলো দিয়ে সর্বশেষ সংবাদের সাথে থাকুন।
  • ইউটিউবেও আছি আমরা। সাবস্ক্রাইব করে ঘুরে আসুন ডিজিটাল কন্টেন্টের দুনিয়ায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *