মহালছড়িতে সেনাবাহিনীর উদ্যোগে ধাত্রীবিদ্যা নার্সিং প্রশিক্ষণের উদ্বোধন
![]()
জার্নাল প্রতিবেদক
ব্যক্তিগত কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও সামাজিক অবকাঠামো উন্নয়নের লক্ষ্যে সেনাবাহিনীর খাগড়াছড়ি রিজিয়নের আওতাধীন মহালছড়ি জোনের উদ্যোগে ধাত্রীবিদ্যা ও নার্সিং প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) সকাল ১০টায় মহালছড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন মহালছড়ি সেনা জোনের উপ-অধিনায়ক মেজর আবু ফাহিম মোঃ মবিনুল ইসলাম।
অনুষ্ঠানে প্রশিক্ষক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মহালছড়ি সেনা জোনের আরএমও মোঃ বোরহান উদ্দিন এবং মহালছড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আরএমও মোঃ মোয়াজ্জেম হোসেন।

এসময় স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও প্রশিক্ষণার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, স্থানীয় নারীদের দক্ষতা উন্নয়ন এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করতেই এ প্রশিক্ষণ কার্যক্রম হাতে নেওয়া হয়েছে। প্রশিক্ষণের মাধ্যমে নারীদের ধাত্রীবিদ্যা, নার্সিং ও প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা বিষয়ে প্রয়োজনীয় জ্ঞান ও বাস্তবভিত্তিক দক্ষতা প্রদান করা হবে। প্রশিক্ষণ শেষে অর্জিত দক্ষতা কাজে লাগিয়ে আত্মকর্মসংস্থানের পাশাপাশি স্থানীয় পর্যায়ে স্বাস্থ্যসেবায় ভূমিকা রাখার সুযোগ তৈরি হবে।
এ প্রশিক্ষণ কার্যক্রম ব্যাচভিত্তিকভাবে চলমান থাকবে। এর অংশ হিসেবে প্রথম ব্যাচে মোট ২৫ জন নারী প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণ করছেন। তাদের মধ্যে ৯ জন পাহাড়ি নারী এবং ১৬ জন বাঙালি নারী রয়েছেন। ফলে পাহাড়ি-বাঙালি উভয় সম্প্রদায়ের নারীদের অংশগ্রহণের মাধ্যমে এ উদ্যোগটি সামাজিক সম্প্রীতি ও পারস্পরিক সহযোগিতার ক্ষেত্রেও ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

মহালছড়ির মতো পাহাড়ি ও দুর্গম এলাকায় মাতৃস্বাস্থ্য ও প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবার ক্ষেত্রে দক্ষ স্থানীয় নারী জনবল তৈরি বিশেষ গুরুত্ব বহন করে। বিশেষ করে গর্ভকালীন পরিচর্যা, নিরাপদ প্রসব, প্রসব-পরবর্তী সেবা এবং মা ও নবজাতকের প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসচেতনতা বৃদ্ধিতে প্রশিক্ষিত নারী স্বাস্থ্যকর্মীরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন।
সংশ্লিষ্টরা জানান, ধাত্রীবিদ্যা ও নার্সিং বিষয়ে প্রশিক্ষণের মাধ্যমে নারীদের দক্ষতা বৃদ্ধির পাশাপাশি তাদের আত্মনির্ভরশীল করে গড়ে তোলা এবং স্থানীয় জনগোষ্ঠীর স্বাস্থ্যসেবার সক্ষমতা বাড়ানোই এ উদ্যোগের অন্যতম লক্ষ্য।
মহালছড়ি জোনের এ উদ্যোগকে স্থানীয় নারীদের জন্য দক্ষতা অর্জন, কর্মসংস্থানের সম্ভাবনা সৃষ্টি এবং দুর্গম এলাকার স্বাস্থ্যসেবায় নতুন সুযোগ তৈরির একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন স্থানীয়রা।
- অন্যান্য খবর জানতে এখানে ক্লিক করুন।
- ফেসবুকে আমাদের ফলো দিয়ে সর্বশেষ সংবাদের সাথে থাকুন।
- ইউটিউবেও আছি আমরা। সাবস্ক্রাইব করে ঘুরে আসুন ডিজিটাল কন্টেন্টের দুনিয়ায়।