মহালছড়িতে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনরক্ষাকারী সেবা নিশ্চিতকরণে প্রকল্প অবহিতকরণ সভা

মহালছড়িতে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনরক্ষাকারী সেবা নিশ্চিতকরণে প্রকল্প অবহিতকরণ সভা

মহালছড়িতে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনরক্ষাকারী সেবা নিশ্চিতকরণে প্রকল্প অবহিতকরণ সভা
“এখান থেকে শেয়ার করতে পারেন”

Loading

জার্নাল প্রতিবেদক

খাগড়াছড়ির মহালছড়িতে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনরক্ষাকারী সেবায় প্রবেশাধিকার ও এসব সেবার কার্যকর ব্যবহার নিশ্চিত করতে প্রকল্প অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১১টায় মহালছড়ি উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে জাবারাং কল্যাণ সমিতির আয়োজনে এবং হেলেন কেলার ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের সহযোগিতায় এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন মহালছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. এরফানুল হক চৌধুরী। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. আনোয়ার হোসেন, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. ধনিষ্ঠা চাকমা, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. মনিরুজ্জামান, মহালছড়ি প্রেসক্লাবের সভাপতি দীপক সেন এবং সাধারণ সম্পাদক ছানোয়ার হোসেন।

সভায় প্রকল্পের লক্ষ্য, উদ্দেশ্য ও পরিকল্পিত কার্যক্রম তুলে ধরেন উপজেলা কো-অর্ডিনেটর খোকন বিকাশ ত্রিপুরা। তিনি মাঠপর্যায়ে প্রকল্পের বাস্তবায়ন কৌশল, সুবিধাভোগী নির্বাচন এবং দুর্গম ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর কাছে প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্য ও জীবনরক্ষাকারী সেবা পৌঁছে দেওয়ার বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন।

সভায় বক্তারা বলেন, ভৌগোলিক দুর্গমতা, যোগাযোগব্যবস্থার সীমাবদ্ধতা, সচেতনতার ঘাটতি এবং প্রয়োজনীয় অবকাঠামোর অভাবে পাহাড়ের অনেক প্রান্তিক মানুষ সময়মতো স্বাস্থ্য ও অন্যান্য জীবনরক্ষাকারী সেবা থেকে বঞ্চিত হন। এসব মানুষের কাছে প্রয়োজনীয় সেবা পৌঁছে দিতে শুধু সেবা প্রতিষ্ঠান থাকলেই হবে না, সেবাগ্রহীতাদের সেই সেবা সম্পর্কে জানানো এবং তা গ্রহণের সক্ষমতাও তৈরি করতে হবে।

তারা বলেন, স্থানীয় জনগোষ্ঠীর বাস্তব প্রয়োজন বিবেচনায় নিয়ে সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, জনপ্রতিনিধি ও স্থানীয় নেতৃত্বের সমন্বিত উদ্যোগ থাকলে প্রান্তিক মানুষের সেবাপ্রাপ্তির বাধা অনেকটাই দূর করা সম্ভব। একই সঙ্গে স্বাস্থ্যসেবা গ্রহণ, পুষ্টি, পরিচ্ছন্নতা ও জীবনরক্ষাকারী বিভিন্ন সেবা সম্পর্কে মানুষের সচেতনতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন বক্তারা।

সভায় প্রকল্পের আওতায় মাঠপর্যায়ে পরিচালিত কার্যক্রম, সম্ভাব্য সুবিধাভোগী নির্বাচন, সেবা প্রদানে বিদ্যমান চ্যালেঞ্জ এবং সংশ্লিষ্ট সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় বাড়ানোর বিষয়েও আলোচনা হয়।

বক্তারা আশা প্রকাশ করেন, এ ধরনের উদ্যোগের মাধ্যমে মহালছড়ির দুর্গম ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর মধ্যে প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্য ও জীবনরক্ষাকারী সেবা সম্পর্কে সচেতনতা বাড়বে। পাশাপাশি সেবা গ্রহণের ক্ষেত্রে বিদ্যমান প্রতিবন্ধকতা চিহ্নিত করে তা দূর করার সুযোগ তৈরি হবে।

অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন ফিল্ড কো-অর্ডিনেটর অজিত মারমা ও তুষার কান্তি খীসা। সভায় স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, সাংবাদিক, সরকারি কর্মকর্তা, প্রকল্পসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

  • অন্যান্য খবর জানতে এখানে ক্লিক করুন।
  • ফেসবুকে আমাদের ফলো দিয়ে সর্বশেষ সংবাদের সাথে থাকুন।
  • ইউটিউবেও আছি আমরা। সাবস্ক্রাইব করে ঘুরে আসুন ডিজিটাল কন্টেন্টের দুনিয়ায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *