দীঘিনালায় জেএসএস (এনএন লারমা) কর্মীর বসতবাড়িতে মধ্যরাতে সন্ত্রাসী হামলা
![]()
নিউজ ডেস্ক
খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলার দীঘিনালায় জেএসএস (এমএন লারমা) সমর্থিত কর্মী প্রবীন ত্রিপুরার বাড়ীতে মধরাতে সন্ত্রাসীগোষ্ঠী জেএসএস (সন্তু) কর্তৃক স্বশস্ত্র হামলার ঘটনা ঘটেছে। গত ২৮ জুলাই মঙ্গলবার মধ্যরাতে উপজেলার নরেল্দু কার্বারী পাড়া এলাকায় এঘটনা ঘটে। সন্ত্রাসীরা সালমান ত্রিপুরার বসতঘর লক্ষ করে শতাধিক রাউন্ড ব্রাশ ফায়ার করে। এঘটনায় কোন প্রকার হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। ঘটনাস্থল থেকে দীঘিনালা থানার পুলিশ ৫৯ রাউন্ড গুলির খোসা উদ্ধার করে। এব্যাপারে এমএন লারমা সমর্থিত জেএসএস পক্ষ সন্তু লারমা সমর্থিত জেএসএসকে দায়ী করে।
জানা যায়, গতকাল মঙ্গলবার রাত দেড়টার সময় ২০/২৫ জনের স্বশস্ত্র সন্ত্রাসী প্রবীণ ত্রিপুরা ওরফে সালমান ত্রিপুরার বাড়ী লক্ষ করে এলোপাতাড়ি গুলি ছুড়ে। এসময় প্রবীণ ত্রিপুরা ওরফে সালমান বাড়ীতে না থাকলেও বাড়ীতে তার স্ত্রী এবং ছয় জন এমএন লারমা সমর্থিত জেএসএস এর কর্মী রাত্রীযাপন করছিলেন। এলোপাতাড়ি ব্রাশ ফায়ারে ঘরে অবস্থান নেয়া লোকজন মাটিতে শুয়ে আত্নরক্ষা করেন।
প্রবীণ ত্রিপুরা ওরফে সালমান এর স্ত্রী চিন মালা ত্রিপুরা (৪০) জানান, ঘরের একটি কক্ষে আমি ও আমার ছেলে এবং আমার মা কে নিয়ে থাকি। রাত দেড়টায় গুলির শব্দে খুবই আতঙ্কিত হয়ে পড়ি। ঘরের বেড়া হাফ দেয়াল থাকায় জীবনে রক্ষা পেয়েছি।
এব্যাপারে এমএন লারমা সমর্থিত জেএসএস কমিটির দীঘিনালা উপজেলা শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক এবং বোয়ালখালী ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান চয়ন বিকাশ চাকমা এঘটনায় সন্তু লারমা সমর্থিত জেএসএস কে দায়ী করে বলেন, সালমানের ঘরে আমাদের ছয়জন কর্মী রাত্রী যাপন করছিলেন। তিনি এভাবে হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে ঘটনায় জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবী করেন।
দীঘিনালা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) উত্তম চন্দ্র দেব ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, ঘটনাস্থল থেকে ৫৯টি গুলির খোসা উদ্ধার করা হয়েছে। ঘটনার তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।