পাহাড়ের ৩ কমিটি নিয়ে বিভ্রান্তিকর বিবৃতির জবাবে সচেতন নাগরিক সমাজের যৌথ প্রতিবাদ
![]()
জার্নাল প্রতিবেদক
পার্বত্য চট্টগ্রামে স্থায়ী শান্তি, টেকসই উন্নয়ন ও সুশাসন প্রতিষ্ঠায় গঠিত সরকারের উচ্চপর্যায়ের তিন কমিটি নিয়ে বিভ্রান্তিকর ও অসত্য বিবৃতি দেওয়ার তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানিয়েছে পার্বত্য চট্টগ্রামের ‘সচেতন নাগরিক সমাজ’। সম্প্রতি পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক জাতীয় কমিটি, নির্বাহী কমিটি ও পরামর্শক কমিটি গঠনের সরকারি প্রজ্ঞাপন ঘিরে ৫১/৫২ জন বুদ্ধিজীবী ও নাগরিকের একাংশের বিবৃতির জবাবে ১০২ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি এই যৌথ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে সচেতন নাগরিক সমাজের পক্ষে আহ্বায়ক কাজী মোঃ মজিবর রহমান জানান, বর্তমান সরকার পার্বত্য অঞ্চলের দীর্ঘমেয়াদী সমস্যা নিরসন, নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং সর্বস্তরের জনগোষ্ঠীর সুষম উন্নয়ন ত্বরান্বিত করতে অত্যন্ত গুরুত্ব ও অগ্রাধিকার প্রদান করছে। পার্বত্য চট্টগ্রামের সার্বিক উন্নয়ন, সামাজিক নিরাপত্তা ও মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠার পথ সুগম করতেই সরকার এই গঠনমূলক প্রশাসনিক পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।
যৌথ বিবৃতিতে সচেতন নাগরিক সমাজ উল্লেখ করে, ১৯৯৭ সালের পার্বত্য শান্তি চুক্তির পূর্ণাঙ্গ সুফল পার্বত্য অঞ্চলের পাহাড়ি-বাঙালি সকল সাধারণ মানুষ যাতে সমানভাবে ভোগ করতে পারেন, সেজন্য প্রশাসনিক দক্ষতা ও বাস্তবমুখী তদারকি জোরদার করা অপরিহার্য হয়ে পড়েছিল। সরকারের এই প্রশাসনিক উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য হলো—আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির সার্বিক উন্নতি ঘটানো, গুম-খুন, দুর্নীতি ও চাঁদাবাজি প্রতিরোধ করা এবং সাধারণ নাগরিকের জীবন ও সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে জাতীয় কমিটি গঠন এবং অভিজ্ঞ প্রশাসনিক কাঠামোর সহায়তায় এ সংস্কার কাজ পরিচালনাকে অহেতুক “সামরিকায়ন” বা “আমলাতান্ত্রিক কর্তৃত্ব” বলে আখ্যায়িত করা বাস্তবতার অপলাপ এবং নৈরাজ্য জিইয়ে রাখার পুরনো কৌশল মাত্র।
বিবৃতিতে স্পষ্টভাবে বলা হয়, পার্বত্য অঞ্চলের কোনো রাজনৈতিক বা সামাজিক প্রতিনিধিত্ব সংকুচিত করার দূরভিসন্ধি সরকারের নেই। গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে পাহাড়ের অস্থিতিশীলতা রোধ ও সার্বিক নিরাপত্তা দেওয়া রাষ্ট্রের প্রথম ও প্রধান দায়িত্ব। ২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে পার্বত্য অঞ্চলের তিনটি আসন থেকে প্রাপ্ত জনরায়ের ওপর ভিত্তি করেই সরকার জনআকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নে হাত দিয়েছে। ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে জারি করা ওই প্রজ্ঞাপনে স্পষ্টভাবে বলা আছে যে, গঠিত পরামর্শক ও নির্বাহী কমিটি আগামী ২ থেকে ৩ মাসের মধ্যে স্থানীয় উন্নয়ন, অবকাঠামোগত অগ্রগতি, নিরাপত্তা বৃদ্ধি ও প্রয়োজনীয় আইনি সংস্কার নিয়ে সুপারিশ পেশ করবে।
সচেতন নাগকিক সমাজের প্রতিনিধিরা আরও জানান, পার্বত্য চট্টগ্রামে আঞ্চলিক সশস্ত্র দলগুলোর অবৈধ চাঁদাবাজি, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ও বহিঃশত্রুর নানাবিধ অপতৎপরতা নস্যাৎ করতেই এই সুসংহত কৌশল গ্রহণ করা হয়েছে। সাধারণ উপজাতি কিংবা বাঙালি জনগোষ্ঠীর নাগরিক সুবিধা হরণ করার কোনো উদ্দেশ্য এতে নেই। নির্বাচনী ইশতেহারে ঘোষিত অন্তর্ভুক্তিমূলক ‘রেইনবো নেশন’ গঠনের অঙ্গিকার রক্ষায় পাহাড়ে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করা জরুরি।
স্বাধীনতার পর থেকে পার্বত্য সমস্যা নিরসনে যেসব উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল, বর্তমান সরকার সকল নাগরিকের মৌলিক সমস্যা সমাধানে তার একটি গতিশীল ও বাস্তবায়নযোগ্য আধুনিক রূপরেখা দাঁড় করাতে চায়। নিরাপত্তার বিষয়টিকে কেবল ‘নিরাপত্তার চশমা’ দিয়ে না দেখে, পাহাড়ে বসবাসকারী প্রতিটি মানুষের বেঁচে থাকার ন্যূনতম গ্যারান্টি হিসেবে বিবেচনা করার আহ্বান জানানো হয়।
পরিশেষে, বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে পাহাড়ে পুনরায় অস্থিতিশীলতা তৈরি না করার জন্য সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানান তারা। একই সাথে পার্বত্য অঞ্চলে বসবাসকারী শান্তিকামী উপজাতি ও বাঙালি, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, বুদ্ধিজীবী, সাংবাদিক ও জ্যেষ্ঠ নাগরিকদের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে পাহাড়ের মূল সমস্যা সমাধানে সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের জোর দাবি জানানো হয়।
বিবৃতিতে স্বাক্ষর করেন দারুসসালাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. আসিফ মিজান, বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল কালাম আজাদ, সাবেক ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ড. গোলাম রহমান ভূঁইয়া, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব:) হাসিনুর রহমান, লে: কর্নেল (অব:) খন্দকার ফরিদুল আকবর, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. আবু তৈয়ব চৌধুরী, বিশিষ্ট আইনজীবী ও মানবাধিকার কর্মী এডভোকেট শওকত আলী হাওলাদার, সাবেক রেজিস্ট্রার ইউসেট ইউনিভার্সিটি প্রফেসর ড. মোঃ শরীফ আব্দুল্লাহ হিস সাকী, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের আরবী বিভাগের সাবেক চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. মোহাম্মদ ইউনুছ, রাজনীতিবীদ ও সুপ্রিমকোর্টের সাবেক ডেপুটি এটর্নী জেনারেল মোহাম্মদ আবদুল বাসেত, ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক বিশ্ববিদ্যালয়ের কোরআনিক সাইন্স বিভাগের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আলী হোছাইন, পার্বত্য চট্টগ্রাম নাগরিক পরিষদের জাতীয় লিগ্যাল এইড কমিটির চেয়ারম্যান এডভোকেট পারভেজ তালুকদার, বিশিষ্ট মানবাধিকার কর্মী এডভোকেট আবদুল আউয়াল খান, বিশিষ্ট সমাজকর্মী ও রাজনীতিবীদ আলহাজ্ব জান্নাতুল ইসলাম, বিশিষ্ট কলামিষ্ট ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক অধ্যাপক হারুন উর রশিদ, রুলার জার্নালিস্ট ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান এস এম জহিরুল ইসলাম, লেখক ও গবেষক ক্যাপ্টেন রেদওয়ান সিকদার, ইসলামিক সেন্টার রাঙ্গামাটির চেয়ারম্যান মোক্তার আহাম্মদ, বিশিষ্ট আইনজী ব্যারিষ্টার ইলিয়াছুর রহমান, শিক্ষাবিদ অধ্যক্ষ নুরুল আলম, বিশিষ্ট রাজনীতিবীদ ফয়েজ আহমেদ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক মাহাবুবুর রহমান, চট্টগ্রাম ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক কলেজের সহযোগী অধ্যাপক মোহাম্মদ মাহফুজুর রহমান, সহকারী অধ্যাপক মোঃ সিরাজুল ইসলাম, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক মোহাম্মাদ আখতার হোসাইন, ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মুহিব উল্লাহ, সাবেক সামরিক কর্মকর্তা ও নিরাপত্তা বিশ্লেষক মেজর মাসুদুর রহমান, লেখক ও সাংবাদিক মোঃ আবু বক্কর সিদ্দিক, সাংবাদিক ও কলামিস্ট কামাল পারভেজ, আইনজীবি ব্যারিষ্টার মোঃ আনোয়ার হোসেন, বান্দরবান জেলা আনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট আবু জাফর, সাউদার্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক মোঃ আতিকুর রহমান, মুখপাত্র খাদেমুল কুরআন ডা. মোঃ তারিকুল ইসলাম, সিনিয়র সিটিজেন ও বিশিষ্ট ব্যবসায়ী শেখ আহমেদ রাজু, পার্বত্য গবেষক ও সাবেক প্রধান শিক্ষক তাইন্দং উচ্চ বিদ্যালয় রেজাউল করিম মাষ্টার, মুসলিম বুদ্ধিজীবী ফ্রন্ট সভাপতি শাহ সুফি আবদুল হান্নান আল হাদী, হিউম্যান রাইটস এক্টিভিটিস ফাউন্ডেশনচেয়ারম্যান লায়ন মোঃ আজম খান, ইসলামিক স্কলার মুফতি আবদুল মান্নান, সাংবাদিক ও উন্নয়ন কর্মী নাজিমউদ্দিন চৌধুরী এ্যালেন, লেখক ও গবেষক প্রভাষক মু. শাহজাহান সাজু, বান্দরবানের বিশিষ্ট সমাজ সেবক আবদুল কুদ্দুছ, হেফাজতে ইসলাম রাঙ্গমাটির আমির মাওলানা শরীয়ত উল্লাহ, পার্বত্য চট্টগ্রাম উলামা পরিষদ রাঙামাটির সাধারণ সম্পাদক মাওলানা আবু বক্কর সিদ্দিক, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ বান্দরবানের সভাপতি মাওলানা আবুল কালাম আজাদ, সাধারণ সম্পাদক মুফতি মুহাম্মদ আবুল হাসান, হাজী আবুল কালাম কলেজের লেকচারার এবিএম মুজাহিদুল ইসলাম বাতেন, হাটহাজারী কলেজের লেকচারার মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম, মাতৃভূমি সুরক্ষা আন্দোলনের প্রধান সংগঠক ইঞ্জিনিয়ার শাহাদাৎ ফরাজী সাকিব, নারী নেত্রী সালমা আহমেদ মৌ, স্টুডেন্টস ফর সভরেন্টির আহ্বায়ক মুহাম্মাদ জিয়াউল হক, বাংলাদেশ মঞ্চ’র আহবায়ক ফুয়াদ সাকি, নিরাপদ বাংলাদেশ চাই আন্দোলনের সদস্য সচিব মুহাম্মদ আসাদুজ্জামান সবুজ, নিরাপদ শহর আন্দোলনের মুখপাত্র মুহাম্মদ ফাইজুল্লাহ ফয়েজ, যুব সংগঠক মোহাম্মদ নূর হোসেন, বিপ্লবী জনজোট মঞ্চ সভাপতি মুজ্জামেল হক মিয়াজি, নারী নেত্রী মোরশেদা আক্তার, লেখক ও সাংবাদিক শাহরিয়ার হাসান, সিনিয়র সাংবাদিক মাজাহারুল ইসলাম, পার্বত্য জ্ঞান অন্বেষণ পাঠাগার সভাপতি হাবীব আজম, সিনিয়র সাংবাদিক আয়াজ আহম্মেদ সানি, সাংবাদিক ও কলামিস্ট টিটু বড়ুয়া সুরঞ্জিত, সার্বভৌমত্ব সুরক্ষা পরিষদ সভাপতি মোস্তফা আল ইহযায, লেখক ও গবেষক মোঃ আলমগীর হোসেন, রাঙ্গামাটি পৌরসভার সাবেক মেয়র হাবিবুর রহমান, শহীদ আবু সাঈদ পাঠাগারের পরিচালক আসিফ ইকবাল, পার্বত্য চট্টগ্রাম সম অধিকার আন্দোলনের সমন্বয়ক কামাল হোসেন, বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামী রাঙ্গামাটি জেলা সাধারণ সম্পাদক মনসুর আহমেদ, ডায়ালগ ফর পিচ (সিএইচটি)’র নির্বাহী পরিচালক এডভোকেট কামাল উদ্দিন সুজন, ইসলামিক স্কলার মুফতি ইবরাহীম আনোয়ারী, দৈনিক নতুন আলো প্রতিদিন সম্পাদক নান্টু লাল দাস, সমাজসেবক ও মানবাধিকার কর্মী ডা. মোহাম্মদ ইউসুফ আলী, বিশিষ্ট আইনজীবী এডভোকেট রাইসুল কবির, বিশিষ্ট আইনজীবী এডভোকেট আফসার উদ্দিন, এডভোকেট বেদারুল ইসলাম, এডভোকেট আফসার রনি, সিনিয়র সাংবাদিক দিদারুল আলম, আইম্মা উলামা পরিষদ সভাপতি মাওলানা এহসানুল হক আল মুঈন, বিশিষ্ট সমাজসেবক পেয়ার আহমেদ খান, সাংবাদিক ও মানবাধিকার কর্মী এম রুহুল আমিন, বিশিষ্ট লেখক ও সাংবাদিক মোজাম্মেল হক লিটন, সাবেক জেলা পরিষদ সদস্য মোহাম্মদ নাছির উদ্দিন, আল-ফারুক ইনস্টিটিউট অধ্যক্ষ মোহাম্মদ আমিন উল্লাহ, সাংবাদিক ও কলামিষ্ট মোহাম্মদ কামরুজ্জমান, সাবেক জনপ্রতিনিধি আবদুল মজিদ, সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল কাইয়ুম, জনপ্রতিনিধি শাহাদাত হোসেন, লেখক ও ব্লগার সোহেল রিগ্যান, লেখক ও গবেষক এম এ আমিন, মানবাধিকার কর্মী মোঃ শাহাদাৎ হোসেন কায়েশ, স্বপ্নবুনন সংস্থার চেয়ারম্যান মুন্না তালুকদার, সামাজিক সংগঠন হিল সার্ভিসের পরিচালক মাসুদ রানা রুবেল, গবেষক ও বিশ্লেষক মুস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়া, এশিয়া ছিন্নমূল মানবাধিকার বাস্তবায়ন ফাউন্ডেশনের নাছির উদ্দিন, রাঙ্গামাটি ইয়ুথ ‘র পরিচালক ইকবাল হোসেন, মানবাধিকার কর্মী পারভেজ শেখ, বিডি ক্লিন রাঙ্গামাটির সমন্বয়ক মোঃ সাইমন ইসলাম, ওয়ার্ল্ড পিস এন্ড হিউম্যান রাইটস সোসাইটি রাঙ্গামাটির সভাপতি অরূপ কুমার মুৎসুদ্দী, স্বপ্নযাত্রী ফাউন্ডেশনের কেন্দ্রীয় সদস্য আহমেদ ইসতিয়াক আজাদ, রাঙ্গামাটি ব্লাড ব্যাংক সভাপতি মোঃ সাইদুল ইসলাম, রাঙ্গামাটি রিপোটার্স ক্লাব সভাপতি মোঃ হুমায়ুন কবির, বিশিষ্ট সমাজ সেবক শাব্বির আহম্মেদ, পার্বত্য চট্টগ্রাম নাগরিক পরিষদ চেয়ারম্যান কাজী মোঃ মজিবর রহমান।
- অন্যান্য খবর জানতে এখানে ক্লিক করুন।
- ফেসবুকে আমাদের ফলো দিয়ে সর্বশেষ সংবাদের সাথে থাকুন।
- ইউটিউবেও আছি আমরা। সাবস্ক্রাইব করে ঘুরে আসুন ডিজিটাল কন্টেন্টের দুনিয়ায়।