কাপ্তাইয়ে বিজিবির অভিযানে ৮৩ লাখ টাকার অবৈধ সিগারেটসহ ডাম্পার আটক, গ্রেপ্তার ২
![]()
জার্নাল প্রতিবেদক
রাঙামাটির কাপ্তাইয়ে বিজিবির কাপ্তাই ব্যাটালিয়নের (৪১ বিজিবি) অভিযানে চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া থেকে বিপুল পরিমাণ অবৈধ সিগারেটসহ একটি ডাম্পার ট্রাক আটক করা হয়েছে। এ সময় চোরাচালানের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুই ব্যক্তিকে আটক করা হয়। উদ্ধার করা সিগারেটের আনুমানিক বাজারমূল্য ৮৩ লাখ ৩ হাজার ৪০০ টাকা বলে জানিয়েছে বিজিবি।
বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, বুধবার (৭ অক্টোবর) ভোর ৪টার দিকে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। কাপ্তাই ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল কাওসার মেহেদীর দিকনির্দেশনায় নায়েব সুবেদার মো. আহসান হাবিবের নেতৃত্বে বিজিবির একটি বিশেষ টহল দল রাঙ্গুনিয়া উপজেলার চট্টগ্রাম-কাপ্তাই সড়কের ইকো পার্ক এলাকায় অবস্থান নেয়।
এ সময় সড়কে চলাচলরত একটি ডাম্পার ট্রাকে তল্লাশি চালিয়ে ১৭ হাজার ৯০ প্যাকেট প্যাট্রন (Patron) এবং ১ হাজার ৮০০ প্যাকেট অরিস (Oris) ব্র্যান্ডের সিগারেট উদ্ধার করা হয়। সব মিলিয়ে ডাম্পারটিতে ১৮ হাজার ৮৯০ প্যাকেট অবৈধ সিগারেট পাওয়া যায়। পরে সিগারেটসহ ডাম্পার ট্রাকটি জব্দ করা হয়।
অভিযানে আটক ব্যক্তিরা হলেন রাঙ্গুনিয়ার নিশ্চিতপুর গ্রামের নাজিম উদ্দীনের ছেলে তৌহিদুল ইসলাম (২১) এবং শিলক গ্রামের মৃত মোহাম্মদ আলীর ছেলে সাহেদুর ইসলাম নয়ন (২২)।
বিজিবি জানিয়েছে, উদ্ধার করা সিগারেটগুলো সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে কাপ্তাই লেক হয়ে কাপ্তাই-চট্টগ্রাম সড়ক দিয়ে চোরাচালানের মাধ্যমে পরিবহন করা হচ্ছিল। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে চালানটির গতিবিধি সম্পর্কে তথ্য পাওয়ার পর বিশেষ টহল দল অভিযান চালিয়ে সিগারেটের চালানটি আটক করে।
সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে দেশের অভ্যন্তরে অবৈধ পণ্য প্রবেশ ও পরিবহন ঠেকাতে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে বিজিবির এ ধরনের অভিযান চোরাচালানবিরোধী তৎপরতার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। বিশেষ করে কাপ্তাই লেক ও চট্টগ্রাম-কাপ্তাই সড়ককে ব্যবহার করে অবৈধ পণ্য পরিবহনের চেষ্টা প্রতিহত করতে নিয়মিত নজরদারি ও টহল জোরদার করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে বিজিবি।
কাপ্তাই ব্যাটালিয়ন (৪১ বিজিবি) জানায়, আটক দুই ব্যক্তি, উদ্ধার করা ১৮ হাজার ৮৯০ প্যাকেট সিগারেট এবং ডাম্পার ট্রাকের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য রাঙ্গুনিয়া থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
কাপ্তাই ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল কাওসার মেহেদী বলেন, সীমান্ত সুরক্ষার পাশাপাশি গোয়েন্দা তৎপরতা বৃদ্ধি এবং নিয়মিত আভিযানিক টহলের মাধ্যমে চোরাচালানবিরোধী অভিযান অব্যাহত রয়েছে। অবৈধ পণ্যের চালান দেশের অভ্যন্তরে প্রবেশ ঠেকাতে ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান আরও জোরদার করা হবে।
- অন্যান্য খবর জানতে এখানে ক্লিক করুন।
- ফেসবুকে আমাদের ফলো দিয়ে সর্বশেষ সংবাদের সাথে থাকুন।
- ইউটিউবেও আছি আমরা। সাবস্ক্রাইব করে ঘুরে আসুন ডিজিটাল কন্টেন্টের দুনিয়ায়।