খাগড়াছড়িতে আধাবেলা সড়ক অবরোধ চলছে, যান চলাচল স্বাভাবিক
![]()
জার্নাল প্রতিবেদক
ইউপিডিএফের মদদপুষ্ট ছাত্র জনতার সংগ্রাম পরিষদের ডাকে খাগড়াছড়ি ও রাঙামাটি জেলায় আধাবেলা সড়ক ও নৌপথ অবরোধ চলছে। শনিবার ভোর থেকে খাগড়াছড়ি-চট্টগ্রাম সহ বিভিন্ন সড়কে টায়ার জ্বালিয়ে এবং গাছ কেটে অবরোধের সমর্থনে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টির চেষ্টা চালায় ইউপিডিএফ সন্ত্রাসীরা। এ ছাড়া খাগড়াছড়ি পৌর শহরের চেঙ্গী ব্রিজ এলাকায় দুই দফায় সড়কে টায়ার জ্বালাতে আসে অবরোধকারীরা। এ সময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়।
অবরোধের কারণে খাগড়াছড়ি থেকে দূরপাল্লার পরিবহন ছেড়ে যায়নি। জেলা শহরে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে। ঢাকা সহ বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ছেড়ে আসা নৈশ কোচ, যাত্রী ও পণ্যবাহী পরিবহন অবরোধের কারণে বিভিন্ন অংশে বাধার মুখে পড়লেও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাহারায় সকাল ৯ টার দিকে জেলা সদরে এসে পৌঁছায়।
ভোরের দিকে সড়কের বিভিন্ন স্থানে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টির চেষ্টা করা হলেও আইন-শৃঙ্খলাবাহিনীর তৎপরতায় বেলা বাড়ার সাথে সাথে সড়ক যোগাযোগ স্বাভাবিক হয়।
খাগড়াছড়ি সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কায় কিসলু জানান, জেলা সদরের বিভিন্ন পয়েন্টে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর টহল ও অবস্থান রয়েছে। এখনও কোথাও কোন অপ্রীতিকর পরিস্থিতির খবর পাওয়া যায়নি।
প্রসঙ্গত, সাজেক থেকে অস্ত্রধারী জেএসএস সদস্যদের অন্যত্র সরিয়ে দেয়া সহ ৩ দফা দাবিতে গেল ১১ অক্টোবর থেকে সড়ক অবরোধ কর্মসূচি দিয়ে আসছিল ইউপিডিএফের সহযোগী সংগঠন সাজেক গণঅধিকার রক্ষা কমিটি ও কার্বারী এসোসিয়েশন নামে দুই সংগঠন। তৃতীয় ধাপে গেল ২২ অক্টোবর সাজেকের উজোবাজার এলাকায় সড়ক অবরোধ করে পর্যটকবাহী পরিবহন আটকে দেয়া হয়। এ সময় আটকা পড়া ৩ হাজার পর্যটকদের উদ্ধার করতে গেলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও পর্যটকদের উপর হামলা করে ইউপিডিএফ সন্ত্রাসীরা। একপর্যায়ে পাহাড়ে আঞ্চলিক ওই সংগঠনের সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও পর্যটকদের লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি গুলি ছুঁড়লে আত্মরক্ষার্থে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীও প্রতিরোধ করে। সংঘর্ষ ও গোলাগুলির জন্য পাহাড়ে আরেক আঞ্চলিক সংগঠন ইউপিডিএফ জড়িত বলে দাবি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর।
- অন্যান্য খবর জানতে এখানে ক্লিক করুন।
- ফেসবুকে আমাদের ফলো দিয়ে সর্বশেষ সংবাদের সাথে থাকুন।
- ইউটিউবেও আছি আমরা। সাবস্ক্রাইব করে ঘুরে আসুন ডিজিটাল কন্টেন্টের দুনিয়ায়।