ফটিকছড়িতে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পূনর্বাসনে সহায়তা নিয়ে পাশে দাঁড়াল সেনাবাহিনী
![]()
নিউজ ডেস্ক
সাম্প্রতিক সময়ে টানা বৃষ্টি আর ভারতের ডম্বুর বাঁধের অব্যাহত পানি প্রবেশের কারনে সৃষ্ট বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয় দেশের অন্তত ১০টি জেলা। এরই মধ্যে চট্টগ্রামের হালদা নদীর বাঁধ ভেঙে নিন্মাঞ্চল প্লাবিত হয়ে ভয়াবহ বন্যার কবলে পড়ে ফটিকছড়িবাসী। শুরু থেকেই বন্যা কবলিত এলাকায় কয়েক দফায় বন্যার্তদের উদ্ধার ও খাদ্য সহায়তা নিয়ে পাশে দাঁড়ায় সেনাবাহিনীর ২৪ পদাতিক ডিভিশনের ২৪ আর্টিলারি ব্রিগেড ও গুইমারা রিজিয়নের আওতাধীন লক্ষ্মীছড়ি জোন।
এছাড়া বন্যা পরবর্তী সময়ে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের মাঝে খাদ্য সহায়তা, বসতবাড়ি পুনঃনির্মানে আর্থিক ও নানা সরঞ্জাম নিয়ে পাশে ছিলো সেনাবাহিনী।
এরই ধারাবাহিকতায় এবার বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পূনর্বাসনের অংশ হিসেবে আর্থিক সহায়তা, ঢেউটিন, সেলাই মেশিন, সার-বীজ বিতরণসহ ৮শ রোগীকে বন্যা পরবর্তী নানা রোগের বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা ও ওষুধ বিতরণ করেছে সেনাবাহিনী।

আজ সোমবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সকালে গুইমারা রিজিয়নের আওতাধীন লক্ষ্মীছড়ি জোন এসব সামগ্রী বিতরণ করে।
চট্টগ্রামের ফটিকছড়ির ভুজপুর ন্যাশনাল স্কুল এন্ড কলেজ মাঠে উপস্থিত থেকে ৫ শতাধিক উপকারভোগীর মাঝে এসব সামগ্রী প্রদান করেন সেনাবাহিনীর ২৪ পদাতিক ডিভিশনের জিওসি ও এরিয়া কমান্ডার মেজর জেনারেল মো. মাইনুর রহমান।
সহায়তা বিতরণকালে মেজর জেনারেল মো. মাইনুর রহমান বলেন, পার্বত্যাঞ্চলের মানুষ শান্তিপ্রিয় আর সরকারও পাহাড়ে শান্তি প্রতিষ্ঠায় কাজ করে যাচ্ছে। বাংলাদেশ সেনাবাহিনী পাহাড়ে শান্তি প্রতিষ্ঠায় সরকারকে সহযোগিতা করছে।

তিনি বলেন, আমাদের সকলের ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টায় দেশের যে কোন দুর্যোগ মোকাবেলা করা সম্ভব হবে। বন্যা পরবর্তী যেকোন সহায়তায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী জনসাধারনের পাশে আছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি। এসময় তিনি সবাইকে গুজব হতে সচেতনতা অবলম্বনের অনুরোধও জানান।
পূনর্বাসন কার্যক্রমে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ ২৫০ টি পরিবারকে আর্থিক সহায়তা এবং ৩০ টি পরিবারকে কৃষিপন্য, বাসস্থান নির্মানের জন্য টিন ও অসহায় মহিলাদের সাবলম্বী করতে সেলাই মেশিন বিতরণ করা হয়। পাশাপাশি প্রায় ৮০০ জন রোগীর মাঝে বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা ও ঔষধ প্রদান করা হয়।
সূত্র জানায়, বন্যা পরবর্তীতে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষকে পুনর্বাসনে এদিন ২০ লক্ষ ৪৫ হাজার টাকা নগদ আর্থিক অনুদান প্রধান করেন জিওসি। পূনর্বাসন সুবিধাপ্রাপ্ত পরিবার সমূহ সেনাবাহিনীর এ মহতী উদ্যোগের জন্য সেনাবাহিনীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
এসময় গুইমারা রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল রাইসুল ইসলাম ও লক্ষ্মীছড়ি জোন অধিনায়ক লেঃ কর্নেল তাজুল ইসলামসহ সামরিক পদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
- অন্যান্য খবর জানতে এখানে ক্লিক করুন।
- ফেসবুকে আমাদের ফলো দিয়ে সর্বশেষ সংবাদের সাথে থাকুন।
- ইউটিউবেও আছি আমরা। সাবস্ক্রাইব করে ঘুরে আসুন ডিজিটাল কন্টেন্টের দুনিয়ায়।