আসামে অয়েল ইন্ডিয়ার পাইপলাইন বিস্ফোরণে অপরিশোধিত তেল ছড়িয়ে এলাকায় আতঙ্ক

আসামে অয়েল ইন্ডিয়ার পাইপলাইন বিস্ফোরণে অপরিশোধিত তেল ছড়িয়ে এলাকায় আতঙ্ক

আসামে অয়েল ইন্ডিয়ার পাইপলাইন বিস্ফোরণে অপরিশোধিত তেল ছড়িয়ে এলাকায় আতঙ্ক
“এখান থেকে শেয়ার করতে পারেন”

Loading

নিউজ ডেস্ক

ভারতের আসাম রাজ্যের ডিব্রুগড় জেলার হালমারি দিঘালিয়া গাঁও এলাকায় অয়েল ইন্ডিয়া লিমিটেডের (ওআইএল) একটি পাইপলাইন ফেটে গিয়ে আশপাশের বসতবাড়িতে অপরিশোধিত তেল ছড়িয়ে পড়েছে। গত সোমবার গভীর রাতে এ ঘটনা ঘটে, যার ফলে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে ব্যাপক আতঙ্ক সৃষ্টি হয়।

স্থানীয়দের বরাতে জানা যায়, প্রথমে একটি বিকট শব্দ শোনা যায়। এর কিছুক্ষণ পর পাইপলাইন থেকে অপরিশোধিত তেল বেরিয়ে আশপাশের এলাকায় ছড়িয়ে পড়তে শুরু করে। তেল ঘরে ঢুকে পড়তে দেখে বাসিন্দারা দ্রুত ঘর ছেড়ে নিরাপদ স্থানে সরে যান।

খবর পেয়ে অয়েল ইন্ডিয়ার অগ্নিনির্বাপক যান ঘটনাস্থলে পৌঁছে তেল ছড়িয়ে পড়া নিয়ন্ত্রণে আনে। এতে বড় ধরনের দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব হয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযোগ করেছেন, ওই এলাকায় অয়েল ইন্ডিয়ার একাধিক পুরোনো পাইপলাইন রয়েছে, যেগুলোর অনেকগুলো দীর্ঘদিন ধরে ব্যবহৃত হচ্ছে। তাদের দাবি, গ্রামটির আশপাশে প্রায় ৫০টি তেলকূপ, দুটি অয়েল কালেক্টিং স্টেশন এবং একটি ড্রিলিং কালেক্টিং স্টেশন রয়েছে, যা বসতবাড়ির খুব কাছাকাছি অবস্থিত। এ অবস্থায় পুরোনো পাইপলাইনগুলো বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি করছে বলে তারা আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন।

ভবিষ্যতে এমন দুর্ঘটনা এড়াতে দ্রুত পুরোনো পাইপলাইন পরিদর্শন ও প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে প্রতিস্থাপনের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

এ বিষয়ে অয়েল ইন্ডিয়া লিমিটেডের মুখপাত্র ভৈরব ভূঁইয়ার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

উল্লেখ্য, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে ডিব্রুগড় জেলার দুলিয়াজানে পাইপলাইন মেরামতের সময় উচ্চচাপের কারণে ঘটে যাওয়া দুর্ঘটনায় একজন শ্রমিক নিহত এবং চারজন আহত হন। ওই ঘটনার পর অয়েল ইন্ডিয়া অভ্যন্তরীণ তদন্ত ও প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছিল।

  • অন্যান্য খবর জানতে এখানে ক্লিক করুন।
  • ফেসবুকে আমাদের ফলো দিয়ে সর্বশেষ সংবাদের সাথে থাকুন।
  • ইউটিউবেও আছি আমরা। সাবস্ক্রাইব করে ঘুরে আসুন ডিজিটাল  কন্টেন্টের দুনিয়ায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *