পাহাড়ে শিক্ষার ভিত মজবুত করছে সেনাবাহিনী: লক্ষীছড়িতে বিদ্যালয়ের অবকাঠামো উন্নয়নে নতুন সংযোজন

পাহাড়ে শিক্ষার ভিত মজবুত করছে সেনাবাহিনী: লক্ষীছড়িতে বিদ্যালয়ের অবকাঠামো উন্নয়নে নতুন সংযোজন

“এখান থেকে শেয়ার করতে পারেন”

Loading

নিউজ ডেস্ক

পার্বত্য জেলা খাগড়াছড়ির দুর্গম লক্ষীছড়ি উপজেলায় শিক্ষাক্ষেত্রে এক উল্লেখযোগ্য অগ্রগতির সূচনা করেছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর উদ্যোগে বাইন্যাছোলা–মানিকপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের নবনির্মিত ছাত্র হোস্টেল, আধুনিক বিজ্ঞান ও আইসিটি ভবন এবং বিদ্যালয় সংযোগকারী সড়কের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়েছে।

আজ রবিবার (২৫ জানুয়ারি) সকাল ১০টায় সেনাবাহিনীর ২৪ আর্টিলারি ব্রিগেড ও গুইমারা রিজিয়নের লক্ষীছড়ি জোনের সার্বিক তত্ত্বাবধানে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এসব স্থাপনার উদ্বোধন করেন লক্ষীছড়ি জোন অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোঃ তাজুল ইসলাম।

পার্বত্য খাগড়াছড়ির দুর্গম লক্ষীছড়ি উপজেলায় শিক্ষাক্ষেত্রে এক উল্লেখযোগ্য অগ্রগতির সূচনা করেছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। সেনাবাহিনীর উদ্যোগে বাইন্যাছোলা–মানিকপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের নবনির্মিত ছাত্র হোস্টেল, আধুনিক বিজ্ঞান ও আইসিটি ভবন এবং বিদ্যালয় সংযোগকারী সড়কের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়েছে। রবিবার (২৫ জানুয়ারি) সকাল ১০টায় লক্ষীছড়ি জোনের সার্বিক তত্ত্বাবধানে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এসব স্থাপনার উদ্বোধন করেন লক্ষীছড়ি জোন কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোঃ তাজুল ইসলাম, পিএসসি, জি। বাইন্যাছোলা–মানিকপুর উচ্চ বিদ্যালয়টি লক্ষীছড়ি উপজেলার প্রত্যন্ত অঞ্চলের একমাত্র মাধ্যমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে বাঙালি ও পাহাড়ি শিক্ষার্থীদের শিক্ষাদানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে আসছে। বর্তমানে বিদ্যালয়টিতে প্রায় ৪৫০ জন শিক্ষার্থী অধ্যয়নরত রয়েছে, যাদের একটি বড় অংশ দুর্গম পাহাড়ি এলাকা থেকে নিয়মিত যাতায়াত করে শিক্ষা গ্রহণ করে থাকে। দুর্গমতার কারণে দীর্ঘদিন ধরে আবাসন সংকট, যোগাযোগ সমস্যা ও আধুনিক শিক্ষাসুবিধার অভাব এই অঞ্চলের শিক্ষার্থীদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছিল। এই বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়ে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী লক্ষীছড়ি জোনের তত্ত্বাবধানে শিক্ষার্থীদের নিরাপদ আবাসন ও নিয়মিত পড়াশোনার সুযোগ নিশ্চিত করতে একটি সুপরিকল্পিত ছাত্র হোস্টেল নির্মাণ করেছে। নবনির্মিত এ হোস্টেলে একসঙ্গে ৪০ জন শিক্ষার্থী থাকার সুযোগ পাবে, যা দূরবর্তী এলাকার শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়মুখী করতে সহায়ক হবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেছেন। স্থানীয়দের মতে, এই হোস্টেল শিক্ষার্থীদের ঝরে পড়া রোধে কার্যকর ভূমিকা রাখবে। একই সঙ্গে আধুনিক ও মানসম্মত শিক্ষাব্যবস্থা নিশ্চিত করতে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে একটি দ্বিতল বিশিষ্ট বিজ্ঞান ও আইসিটি ভবন নির্মাণ করা হয়েছে। এই ভবনের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা বিজ্ঞানভিত্তিক ব্যবহারিক শিক্ষা এবং তথ্যপ্রযুক্তি নির্ভর জ্ঞান অর্জনের সুযোগ পাবে, যা তাদের ভবিষ্যৎ উচ্চশিক্ষা ও কর্মজীবনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি তৈরি করবে। শিক্ষকরা জানান, দীর্ঘদিন ধরে প্রয়োজনীয় অবকাঠামোর অভাবে বিজ্ঞান ও আইসিটি শিক্ষা কার্যক্রম সীমিত ছিল, নতুন ভবনটি সে সংকট নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখবে। এছাড়া বিদ্যালয়ের যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নয়নের অংশ হিসেবে স্কুলের মূল ফটক পর্যন্ত ৫৩৫ ফুট দৈর্ঘ্যের একটি সংযোগ সড়ক নির্মাণ করা হয়েছে। এর ফলে বর্ষাকালসহ প্রতিকূল আবহাওয়ায় শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও স্থানীয় জনগণের যাতায়াত সহজ ও নিরাপদ হবে। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, এই সড়ক শুধু বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য নয়, আশপাশের গ্রামবাসীর দৈনন্দিন চলাচলেও ইতিবাচক পরিবর্তন আনবে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, গণ্যমান্য ব্যক্তি, শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা উপস্থিত ছিলেন। বক্তারা বলেন, দুর্গম পার্বত্য অঞ্চলে সেনাবাহিনীর এ ধরনের শিক্ষা ও উন্নয়নমূলক উদ্যোগ শুধু অবকাঠামো উন্নয়নেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং এটি মানবসম্পদ উন্নয়ন ও ভবিষ্যৎ প্রজন্ম গঠনের একটি সুদূরপ্রসারী প্রয়াস। তারা আরও বলেন, রাষ্ট্রীয় অন্যান্য সংস্থার পাশাপাশি সেনাবাহিনীর এমন সক্রিয় ভূমিকা পার্বত্য অঞ্চলে শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, শিক্ষা অবকাঠামো উন্নয়নের মাধ্যমে পার্বত্য এলাকায় সামাজিক স্থিতিশীলতা, সম্প্রীতি ও দীর্ঘমেয়াদি শান্তি প্রতিষ্ঠার পথ আরও সুগম হবে। শিক্ষিত প্রজন্ম গড়ে ওঠার মধ্য দিয়েই পাহাড়ের উন্নয়ন ও মূলধারার সঙ্গে সংযুক্তি জোরদার হবে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন। প্রসঙ্গত, পার্বত্য চট্টগ্রামের দুর্গম ও পিছিয়ে পড়া এলাকাগুলোতে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, যোগাযোগ ও মানবিক সহায়তা কার্যক্রমের মাধ্যমে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী দীর্ঘদিন ধরে জনকল্যাণমূলক ভূমিকা রেখে আসছে। লক্ষীছড়িতে শিক্ষা অবকাঠামো উন্নয়নের এই উদ্যোগ সেই ধারাবাহিকতারই একটি গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টান্ত, যা স্থানীয় জনগণের আস্থা ও সহযোগিতাকে আরও দৃঢ় করেছে।

বাইন্যাছোলা–মানিকপুর উচ্চ বিদ্যালয়টি লক্ষীছড়ি উপজেলার প্রত্যন্ত অঞ্চলের একমাত্র মাধ্যমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে বাঙালি ও পাহাড়ি শিক্ষার্থীদের শিক্ষাদানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে আসছে। বর্তমানে বিদ্যালয়টিতে প্রায় ৪৫০ জন শিক্ষার্থী অধ্যয়নরত রয়েছে, যাদের একটি বড় অংশ দুর্গম পাহাড়ি এলাকা থেকে নিয়মিত যাতায়াত করে শিক্ষা গ্রহণ করে থাকে।

দুর্গমতার কারণে দীর্ঘদিন ধরে আবাসন সংকট, যোগাযোগ সমস্যা ও আধুনিক শিক্ষাসুবিধার অভাব এই অঞ্চলের শিক্ষার্থীদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছিল।

পার্বত্য খাগড়াছড়ির দুর্গম লক্ষীছড়ি উপজেলায় শিক্ষাক্ষেত্রে এক উল্লেখযোগ্য অগ্রগতির সূচনা করেছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। সেনাবাহিনীর উদ্যোগে বাইন্যাছোলা–মানিকপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের নবনির্মিত ছাত্র হোস্টেল, আধুনিক বিজ্ঞান ও আইসিটি ভবন এবং বিদ্যালয় সংযোগকারী সড়কের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়েছে। রবিবার (২৫ জানুয়ারি) সকাল ১০টায় লক্ষীছড়ি জোনের সার্বিক তত্ত্বাবধানে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এসব স্থাপনার উদ্বোধন করেন লক্ষীছড়ি জোন কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোঃ তাজুল ইসলাম, পিএসসি, জি। বাইন্যাছোলা–মানিকপুর উচ্চ বিদ্যালয়টি লক্ষীছড়ি উপজেলার প্রত্যন্ত অঞ্চলের একমাত্র মাধ্যমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে বাঙালি ও পাহাড়ি শিক্ষার্থীদের শিক্ষাদানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে আসছে। বর্তমানে বিদ্যালয়টিতে প্রায় ৪৫০ জন শিক্ষার্থী অধ্যয়নরত রয়েছে, যাদের একটি বড় অংশ দুর্গম পাহাড়ি এলাকা থেকে নিয়মিত যাতায়াত করে শিক্ষা গ্রহণ করে থাকে। দুর্গমতার কারণে দীর্ঘদিন ধরে আবাসন সংকট, যোগাযোগ সমস্যা ও আধুনিক শিক্ষাসুবিধার অভাব এই অঞ্চলের শিক্ষার্থীদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছিল। এই বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়ে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী লক্ষীছড়ি জোনের তত্ত্বাবধানে শিক্ষার্থীদের নিরাপদ আবাসন ও নিয়মিত পড়াশোনার সুযোগ নিশ্চিত করতে একটি সুপরিকল্পিত ছাত্র হোস্টেল নির্মাণ করেছে। নবনির্মিত এ হোস্টেলে একসঙ্গে ৪০ জন শিক্ষার্থী থাকার সুযোগ পাবে, যা দূরবর্তী এলাকার শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়মুখী করতে সহায়ক হবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেছেন। স্থানীয়দের মতে, এই হোস্টেল শিক্ষার্থীদের ঝরে পড়া রোধে কার্যকর ভূমিকা রাখবে। একই সঙ্গে আধুনিক ও মানসম্মত শিক্ষাব্যবস্থা নিশ্চিত করতে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে একটি দ্বিতল বিশিষ্ট বিজ্ঞান ও আইসিটি ভবন নির্মাণ করা হয়েছে। এই ভবনের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা বিজ্ঞানভিত্তিক ব্যবহারিক শিক্ষা এবং তথ্যপ্রযুক্তি নির্ভর জ্ঞান অর্জনের সুযোগ পাবে, যা তাদের ভবিষ্যৎ উচ্চশিক্ষা ও কর্মজীবনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি তৈরি করবে। শিক্ষকরা জানান, দীর্ঘদিন ধরে প্রয়োজনীয় অবকাঠামোর অভাবে বিজ্ঞান ও আইসিটি শিক্ষা কার্যক্রম সীমিত ছিল, নতুন ভবনটি সে সংকট নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখবে। এছাড়া বিদ্যালয়ের যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নয়নের অংশ হিসেবে স্কুলের মূল ফটক পর্যন্ত ৫৩৫ ফুট দৈর্ঘ্যের একটি সংযোগ সড়ক নির্মাণ করা হয়েছে। এর ফলে বর্ষাকালসহ প্রতিকূল আবহাওয়ায় শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও স্থানীয় জনগণের যাতায়াত সহজ ও নিরাপদ হবে। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, এই সড়ক শুধু বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য নয়, আশপাশের গ্রামবাসীর দৈনন্দিন চলাচলেও ইতিবাচক পরিবর্তন আনবে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, গণ্যমান্য ব্যক্তি, শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা উপস্থিত ছিলেন। বক্তারা বলেন, দুর্গম পার্বত্য অঞ্চলে সেনাবাহিনীর এ ধরনের শিক্ষা ও উন্নয়নমূলক উদ্যোগ শুধু অবকাঠামো উন্নয়নেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং এটি মানবসম্পদ উন্নয়ন ও ভবিষ্যৎ প্রজন্ম গঠনের একটি সুদূরপ্রসারী প্রয়াস। তারা আরও বলেন, রাষ্ট্রীয় অন্যান্য সংস্থার পাশাপাশি সেনাবাহিনীর এমন সক্রিয় ভূমিকা পার্বত্য অঞ্চলে শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, শিক্ষা অবকাঠামো উন্নয়নের মাধ্যমে পার্বত্য এলাকায় সামাজিক স্থিতিশীলতা, সম্প্রীতি ও দীর্ঘমেয়াদি শান্তি প্রতিষ্ঠার পথ আরও সুগম হবে। শিক্ষিত প্রজন্ম গড়ে ওঠার মধ্য দিয়েই পাহাড়ের উন্নয়ন ও মূলধারার সঙ্গে সংযুক্তি জোরদার হবে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন। প্রসঙ্গত, পার্বত্য চট্টগ্রামের দুর্গম ও পিছিয়ে পড়া এলাকাগুলোতে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, যোগাযোগ ও মানবিক সহায়তা কার্যক্রমের মাধ্যমে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী দীর্ঘদিন ধরে জনকল্যাণমূলক ভূমিকা রেখে আসছে। লক্ষীছড়িতে শিক্ষা অবকাঠামো উন্নয়নের এই উদ্যোগ সেই ধারাবাহিকতারই একটি গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টান্ত, যা স্থানীয় জনগণের আস্থা ও সহযোগিতাকে আরও দৃঢ় করেছে।

এই বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়ে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী লক্ষীছড়ি জোনের তত্ত্বাবধানে শিক্ষার্থীদের নিরাপদ আবাসন ও নিয়মিত পড়াশোনার সুযোগ নিশ্চিত করতে একটি সুপরিকল্পিত ছাত্র হোস্টেল নির্মাণ করেছে।

নবনির্মিত এ হোস্টেলে একসঙ্গে ৪০ জন শিক্ষার্থী থাকার সুযোগ পাবে, যা দূরবর্তী এলাকার শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়মুখী করতে সহায়ক হবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেছেন। স্থানীয়দের মতে, এই হোস্টেল শিক্ষার্থীদের ঝরে পড়া রোধে কার্যকর ভূমিকা রাখবে।

পার্বত্য খাগড়াছড়ির দুর্গম লক্ষীছড়ি উপজেলায় শিক্ষাক্ষেত্রে এক উল্লেখযোগ্য অগ্রগতির সূচনা করেছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। সেনাবাহিনীর উদ্যোগে বাইন্যাছোলা–মানিকপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের নবনির্মিত ছাত্র হোস্টেল, আধুনিক বিজ্ঞান ও আইসিটি ভবন এবং বিদ্যালয় সংযোগকারী সড়কের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়েছে। রবিবার (২৫ জানুয়ারি) সকাল ১০টায় লক্ষীছড়ি জোনের সার্বিক তত্ত্বাবধানে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এসব স্থাপনার উদ্বোধন করেন লক্ষীছড়ি জোন কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোঃ তাজুল ইসলাম, পিএসসি, জি। বাইন্যাছোলা–মানিকপুর উচ্চ বিদ্যালয়টি লক্ষীছড়ি উপজেলার প্রত্যন্ত অঞ্চলের একমাত্র মাধ্যমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে বাঙালি ও পাহাড়ি শিক্ষার্থীদের শিক্ষাদানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে আসছে। বর্তমানে বিদ্যালয়টিতে প্রায় ৪৫০ জন শিক্ষার্থী অধ্যয়নরত রয়েছে, যাদের একটি বড় অংশ দুর্গম পাহাড়ি এলাকা থেকে নিয়মিত যাতায়াত করে শিক্ষা গ্রহণ করে থাকে। দুর্গমতার কারণে দীর্ঘদিন ধরে আবাসন সংকট, যোগাযোগ সমস্যা ও আধুনিক শিক্ষাসুবিধার অভাব এই অঞ্চলের শিক্ষার্থীদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছিল। এই বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়ে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী লক্ষীছড়ি জোনের তত্ত্বাবধানে শিক্ষার্থীদের নিরাপদ আবাসন ও নিয়মিত পড়াশোনার সুযোগ নিশ্চিত করতে একটি সুপরিকল্পিত ছাত্র হোস্টেল নির্মাণ করেছে। নবনির্মিত এ হোস্টেলে একসঙ্গে ৪০ জন শিক্ষার্থী থাকার সুযোগ পাবে, যা দূরবর্তী এলাকার শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়মুখী করতে সহায়ক হবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেছেন। স্থানীয়দের মতে, এই হোস্টেল শিক্ষার্থীদের ঝরে পড়া রোধে কার্যকর ভূমিকা রাখবে। একই সঙ্গে আধুনিক ও মানসম্মত শিক্ষাব্যবস্থা নিশ্চিত করতে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে একটি দ্বিতল বিশিষ্ট বিজ্ঞান ও আইসিটি ভবন নির্মাণ করা হয়েছে। এই ভবনের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা বিজ্ঞানভিত্তিক ব্যবহারিক শিক্ষা এবং তথ্যপ্রযুক্তি নির্ভর জ্ঞান অর্জনের সুযোগ পাবে, যা তাদের ভবিষ্যৎ উচ্চশিক্ষা ও কর্মজীবনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি তৈরি করবে। শিক্ষকরা জানান, দীর্ঘদিন ধরে প্রয়োজনীয় অবকাঠামোর অভাবে বিজ্ঞান ও আইসিটি শিক্ষা কার্যক্রম সীমিত ছিল, নতুন ভবনটি সে সংকট নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখবে। এছাড়া বিদ্যালয়ের যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নয়নের অংশ হিসেবে স্কুলের মূল ফটক পর্যন্ত ৫৩৫ ফুট দৈর্ঘ্যের একটি সংযোগ সড়ক নির্মাণ করা হয়েছে। এর ফলে বর্ষাকালসহ প্রতিকূল আবহাওয়ায় শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও স্থানীয় জনগণের যাতায়াত সহজ ও নিরাপদ হবে। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, এই সড়ক শুধু বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য নয়, আশপাশের গ্রামবাসীর দৈনন্দিন চলাচলেও ইতিবাচক পরিবর্তন আনবে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, গণ্যমান্য ব্যক্তি, শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা উপস্থিত ছিলেন। বক্তারা বলেন, দুর্গম পার্বত্য অঞ্চলে সেনাবাহিনীর এ ধরনের শিক্ষা ও উন্নয়নমূলক উদ্যোগ শুধু অবকাঠামো উন্নয়নেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং এটি মানবসম্পদ উন্নয়ন ও ভবিষ্যৎ প্রজন্ম গঠনের একটি সুদূরপ্রসারী প্রয়াস। তারা আরও বলেন, রাষ্ট্রীয় অন্যান্য সংস্থার পাশাপাশি সেনাবাহিনীর এমন সক্রিয় ভূমিকা পার্বত্য অঞ্চলে শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, শিক্ষা অবকাঠামো উন্নয়নের মাধ্যমে পার্বত্য এলাকায় সামাজিক স্থিতিশীলতা, সম্প্রীতি ও দীর্ঘমেয়াদি শান্তি প্রতিষ্ঠার পথ আরও সুগম হবে। শিক্ষিত প্রজন্ম গড়ে ওঠার মধ্য দিয়েই পাহাড়ের উন্নয়ন ও মূলধারার সঙ্গে সংযুক্তি জোরদার হবে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন। প্রসঙ্গত, পার্বত্য চট্টগ্রামের দুর্গম ও পিছিয়ে পড়া এলাকাগুলোতে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, যোগাযোগ ও মানবিক সহায়তা কার্যক্রমের মাধ্যমে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী দীর্ঘদিন ধরে জনকল্যাণমূলক ভূমিকা রেখে আসছে। লক্ষীছড়িতে শিক্ষা অবকাঠামো উন্নয়নের এই উদ্যোগ সেই ধারাবাহিকতারই একটি গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টান্ত, যা স্থানীয় জনগণের আস্থা ও সহযোগিতাকে আরও দৃঢ় করেছে।

একই সঙ্গে আধুনিক ও মানসম্মত শিক্ষাব্যবস্থা নিশ্চিত করতে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে একটি দ্বিতল বিশিষ্ট বিজ্ঞান ও আইসিটি ভবন নির্মাণ করা হয়েছে। এই ভবনের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা বিজ্ঞানভিত্তিক ব্যবহারিক শিক্ষা এবং তথ্যপ্রযুক্তি নির্ভর জ্ঞান অর্জনের সুযোগ পাবে, যা তাদের ভবিষ্যৎ উচ্চশিক্ষা ও কর্মজীবনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি তৈরি করবে।

শিক্ষকরা জানান, দীর্ঘদিন ধরে প্রয়োজনীয় অবকাঠামোর অভাবে বিজ্ঞান ও আইসিটি শিক্ষা কার্যক্রম সীমিত ছিল, নতুন ভবনটি সে সংকট নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখবে।

পার্বত্য খাগড়াছড়ির দুর্গম লক্ষীছড়ি উপজেলায় শিক্ষাক্ষেত্রে এক উল্লেখযোগ্য অগ্রগতির সূচনা করেছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। সেনাবাহিনীর উদ্যোগে বাইন্যাছোলা–মানিকপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের নবনির্মিত ছাত্র হোস্টেল, আধুনিক বিজ্ঞান ও আইসিটি ভবন এবং বিদ্যালয় সংযোগকারী সড়কের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়েছে। রবিবার (২৫ জানুয়ারি) সকাল ১০টায় লক্ষীছড়ি জোনের সার্বিক তত্ত্বাবধানে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এসব স্থাপনার উদ্বোধন করেন লক্ষীছড়ি জোন কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোঃ তাজুল ইসলাম, পিএসসি, জি। বাইন্যাছোলা–মানিকপুর উচ্চ বিদ্যালয়টি লক্ষীছড়ি উপজেলার প্রত্যন্ত অঞ্চলের একমাত্র মাধ্যমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে বাঙালি ও পাহাড়ি শিক্ষার্থীদের শিক্ষাদানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে আসছে। বর্তমানে বিদ্যালয়টিতে প্রায় ৪৫০ জন শিক্ষার্থী অধ্যয়নরত রয়েছে, যাদের একটি বড় অংশ দুর্গম পাহাড়ি এলাকা থেকে নিয়মিত যাতায়াত করে শিক্ষা গ্রহণ করে থাকে। দুর্গমতার কারণে দীর্ঘদিন ধরে আবাসন সংকট, যোগাযোগ সমস্যা ও আধুনিক শিক্ষাসুবিধার অভাব এই অঞ্চলের শিক্ষার্থীদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছিল। এই বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়ে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী লক্ষীছড়ি জোনের তত্ত্বাবধানে শিক্ষার্থীদের নিরাপদ আবাসন ও নিয়মিত পড়াশোনার সুযোগ নিশ্চিত করতে একটি সুপরিকল্পিত ছাত্র হোস্টেল নির্মাণ করেছে। নবনির্মিত এ হোস্টেলে একসঙ্গে ৪০ জন শিক্ষার্থী থাকার সুযোগ পাবে, যা দূরবর্তী এলাকার শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়মুখী করতে সহায়ক হবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেছেন। স্থানীয়দের মতে, এই হোস্টেল শিক্ষার্থীদের ঝরে পড়া রোধে কার্যকর ভূমিকা রাখবে। একই সঙ্গে আধুনিক ও মানসম্মত শিক্ষাব্যবস্থা নিশ্চিত করতে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে একটি দ্বিতল বিশিষ্ট বিজ্ঞান ও আইসিটি ভবন নির্মাণ করা হয়েছে। এই ভবনের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা বিজ্ঞানভিত্তিক ব্যবহারিক শিক্ষা এবং তথ্যপ্রযুক্তি নির্ভর জ্ঞান অর্জনের সুযোগ পাবে, যা তাদের ভবিষ্যৎ উচ্চশিক্ষা ও কর্মজীবনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি তৈরি করবে। শিক্ষকরা জানান, দীর্ঘদিন ধরে প্রয়োজনীয় অবকাঠামোর অভাবে বিজ্ঞান ও আইসিটি শিক্ষা কার্যক্রম সীমিত ছিল, নতুন ভবনটি সে সংকট নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখবে। এছাড়া বিদ্যালয়ের যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নয়নের অংশ হিসেবে স্কুলের মূল ফটক পর্যন্ত ৫৩৫ ফুট দৈর্ঘ্যের একটি সংযোগ সড়ক নির্মাণ করা হয়েছে। এর ফলে বর্ষাকালসহ প্রতিকূল আবহাওয়ায় শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও স্থানীয় জনগণের যাতায়াত সহজ ও নিরাপদ হবে। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, এই সড়ক শুধু বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য নয়, আশপাশের গ্রামবাসীর দৈনন্দিন চলাচলেও ইতিবাচক পরিবর্তন আনবে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, গণ্যমান্য ব্যক্তি, শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা উপস্থিত ছিলেন। বক্তারা বলেন, দুর্গম পার্বত্য অঞ্চলে সেনাবাহিনীর এ ধরনের শিক্ষা ও উন্নয়নমূলক উদ্যোগ শুধু অবকাঠামো উন্নয়নেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং এটি মানবসম্পদ উন্নয়ন ও ভবিষ্যৎ প্রজন্ম গঠনের একটি সুদূরপ্রসারী প্রয়াস। তারা আরও বলেন, রাষ্ট্রীয় অন্যান্য সংস্থার পাশাপাশি সেনাবাহিনীর এমন সক্রিয় ভূমিকা পার্বত্য অঞ্চলে শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, শিক্ষা অবকাঠামো উন্নয়নের মাধ্যমে পার্বত্য এলাকায় সামাজিক স্থিতিশীলতা, সম্প্রীতি ও দীর্ঘমেয়াদি শান্তি প্রতিষ্ঠার পথ আরও সুগম হবে। শিক্ষিত প্রজন্ম গড়ে ওঠার মধ্য দিয়েই পাহাড়ের উন্নয়ন ও মূলধারার সঙ্গে সংযুক্তি জোরদার হবে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন। প্রসঙ্গত, পার্বত্য চট্টগ্রামের দুর্গম ও পিছিয়ে পড়া এলাকাগুলোতে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, যোগাযোগ ও মানবিক সহায়তা কার্যক্রমের মাধ্যমে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী দীর্ঘদিন ধরে জনকল্যাণমূলক ভূমিকা রেখে আসছে। লক্ষীছড়িতে শিক্ষা অবকাঠামো উন্নয়নের এই উদ্যোগ সেই ধারাবাহিকতারই একটি গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টান্ত, যা স্থানীয় জনগণের আস্থা ও সহযোগিতাকে আরও দৃঢ় করেছে।

এছাড়া বিদ্যালয়ের যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নয়নের অংশ হিসেবে স্কুলের মূল ফটক পর্যন্ত ৫৩৫ ফুট দৈর্ঘ্যের একটি সংযোগ সড়ক নির্মাণ করা হয়েছে। এর ফলে বর্ষাকালসহ প্রতিকূল আবহাওয়ায় শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও স্থানীয় জনগণের যাতায়াত সহজ ও নিরাপদ হবে।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, এই সড়ক শুধু বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য নয়, আশপাশের গ্রামবাসীর দৈনন্দিন চলাচলেও ইতিবাচক পরিবর্তন আনবে।

পার্বত্য খাগড়াছড়ির দুর্গম লক্ষীছড়ি উপজেলায় শিক্ষাক্ষেত্রে এক উল্লেখযোগ্য অগ্রগতির সূচনা করেছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। সেনাবাহিনীর উদ্যোগে বাইন্যাছোলা–মানিকপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের নবনির্মিত ছাত্র হোস্টেল, আধুনিক বিজ্ঞান ও আইসিটি ভবন এবং বিদ্যালয় সংযোগকারী সড়কের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়েছে। রবিবার (২৫ জানুয়ারি) সকাল ১০টায় লক্ষীছড়ি জোনের সার্বিক তত্ত্বাবধানে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এসব স্থাপনার উদ্বোধন করেন লক্ষীছড়ি জোন কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোঃ তাজুল ইসলাম, পিএসসি, জি। বাইন্যাছোলা–মানিকপুর উচ্চ বিদ্যালয়টি লক্ষীছড়ি উপজেলার প্রত্যন্ত অঞ্চলের একমাত্র মাধ্যমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে বাঙালি ও পাহাড়ি শিক্ষার্থীদের শিক্ষাদানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে আসছে। বর্তমানে বিদ্যালয়টিতে প্রায় ৪৫০ জন শিক্ষার্থী অধ্যয়নরত রয়েছে, যাদের একটি বড় অংশ দুর্গম পাহাড়ি এলাকা থেকে নিয়মিত যাতায়াত করে শিক্ষা গ্রহণ করে থাকে। দুর্গমতার কারণে দীর্ঘদিন ধরে আবাসন সংকট, যোগাযোগ সমস্যা ও আধুনিক শিক্ষাসুবিধার অভাব এই অঞ্চলের শিক্ষার্থীদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছিল। এই বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়ে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী লক্ষীছড়ি জোনের তত্ত্বাবধানে শিক্ষার্থীদের নিরাপদ আবাসন ও নিয়মিত পড়াশোনার সুযোগ নিশ্চিত করতে একটি সুপরিকল্পিত ছাত্র হোস্টেল নির্মাণ করেছে। নবনির্মিত এ হোস্টেলে একসঙ্গে ৪০ জন শিক্ষার্থী থাকার সুযোগ পাবে, যা দূরবর্তী এলাকার শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়মুখী করতে সহায়ক হবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেছেন। স্থানীয়দের মতে, এই হোস্টেল শিক্ষার্থীদের ঝরে পড়া রোধে কার্যকর ভূমিকা রাখবে। একই সঙ্গে আধুনিক ও মানসম্মত শিক্ষাব্যবস্থা নিশ্চিত করতে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে একটি দ্বিতল বিশিষ্ট বিজ্ঞান ও আইসিটি ভবন নির্মাণ করা হয়েছে। এই ভবনের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা বিজ্ঞানভিত্তিক ব্যবহারিক শিক্ষা এবং তথ্যপ্রযুক্তি নির্ভর জ্ঞান অর্জনের সুযোগ পাবে, যা তাদের ভবিষ্যৎ উচ্চশিক্ষা ও কর্মজীবনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি তৈরি করবে। শিক্ষকরা জানান, দীর্ঘদিন ধরে প্রয়োজনীয় অবকাঠামোর অভাবে বিজ্ঞান ও আইসিটি শিক্ষা কার্যক্রম সীমিত ছিল, নতুন ভবনটি সে সংকট নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখবে। এছাড়া বিদ্যালয়ের যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নয়নের অংশ হিসেবে স্কুলের মূল ফটক পর্যন্ত ৫৩৫ ফুট দৈর্ঘ্যের একটি সংযোগ সড়ক নির্মাণ করা হয়েছে। এর ফলে বর্ষাকালসহ প্রতিকূল আবহাওয়ায় শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও স্থানীয় জনগণের যাতায়াত সহজ ও নিরাপদ হবে। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, এই সড়ক শুধু বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য নয়, আশপাশের গ্রামবাসীর দৈনন্দিন চলাচলেও ইতিবাচক পরিবর্তন আনবে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, গণ্যমান্য ব্যক্তি, শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা উপস্থিত ছিলেন। বক্তারা বলেন, দুর্গম পার্বত্য অঞ্চলে সেনাবাহিনীর এ ধরনের শিক্ষা ও উন্নয়নমূলক উদ্যোগ শুধু অবকাঠামো উন্নয়নেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং এটি মানবসম্পদ উন্নয়ন ও ভবিষ্যৎ প্রজন্ম গঠনের একটি সুদূরপ্রসারী প্রয়াস। তারা আরও বলেন, রাষ্ট্রীয় অন্যান্য সংস্থার পাশাপাশি সেনাবাহিনীর এমন সক্রিয় ভূমিকা পার্বত্য অঞ্চলে শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, শিক্ষা অবকাঠামো উন্নয়নের মাধ্যমে পার্বত্য এলাকায় সামাজিক স্থিতিশীলতা, সম্প্রীতি ও দীর্ঘমেয়াদি শান্তি প্রতিষ্ঠার পথ আরও সুগম হবে। শিক্ষিত প্রজন্ম গড়ে ওঠার মধ্য দিয়েই পাহাড়ের উন্নয়ন ও মূলধারার সঙ্গে সংযুক্তি জোরদার হবে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন। প্রসঙ্গত, পার্বত্য চট্টগ্রামের দুর্গম ও পিছিয়ে পড়া এলাকাগুলোতে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, যোগাযোগ ও মানবিক সহায়তা কার্যক্রমের মাধ্যমে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী দীর্ঘদিন ধরে জনকল্যাণমূলক ভূমিকা রেখে আসছে। লক্ষীছড়িতে শিক্ষা অবকাঠামো উন্নয়নের এই উদ্যোগ সেই ধারাবাহিকতারই একটি গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টান্ত, যা স্থানীয় জনগণের আস্থা ও সহযোগিতাকে আরও দৃঢ় করেছে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, গণ্যমান্য ব্যক্তি, শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে জোন অধিনায়ক লেঃ কর্নেল মোঃ তাজুল ইসলাম বলেন, দুর্গম পার্বত্য অঞ্চলে সেনাবাহিনীর এ ধরনের শিক্ষা ও উন্নয়নমূলক উদ্যোগ শুধু অবকাঠামো উন্নয়নেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং এটি মানবসম্পদ উন্নয়ন ও ভবিষ্যৎ প্রজন্ম গঠনের একটি সুদূরপ্রসারী প্রয়াস।

পার্বত্য খাগড়াছড়ির দুর্গম লক্ষীছড়ি উপজেলায় শিক্ষাক্ষেত্রে এক উল্লেখযোগ্য অগ্রগতির সূচনা করেছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। সেনাবাহিনীর উদ্যোগে বাইন্যাছোলা–মানিকপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের নবনির্মিত ছাত্র হোস্টেল, আধুনিক বিজ্ঞান ও আইসিটি ভবন এবং বিদ্যালয় সংযোগকারী সড়কের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়েছে। রবিবার (২৫ জানুয়ারি) সকাল ১০টায় লক্ষীছড়ি জোনের সার্বিক তত্ত্বাবধানে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এসব স্থাপনার উদ্বোধন করেন লক্ষীছড়ি জোন কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোঃ তাজুল ইসলাম, পিএসসি, জি। বাইন্যাছোলা–মানিকপুর উচ্চ বিদ্যালয়টি লক্ষীছড়ি উপজেলার প্রত্যন্ত অঞ্চলের একমাত্র মাধ্যমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে বাঙালি ও পাহাড়ি শিক্ষার্থীদের শিক্ষাদানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে আসছে। বর্তমানে বিদ্যালয়টিতে প্রায় ৪৫০ জন শিক্ষার্থী অধ্যয়নরত রয়েছে, যাদের একটি বড় অংশ দুর্গম পাহাড়ি এলাকা থেকে নিয়মিত যাতায়াত করে শিক্ষা গ্রহণ করে থাকে। দুর্গমতার কারণে দীর্ঘদিন ধরে আবাসন সংকট, যোগাযোগ সমস্যা ও আধুনিক শিক্ষাসুবিধার অভাব এই অঞ্চলের শিক্ষার্থীদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছিল। এই বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়ে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী লক্ষীছড়ি জোনের তত্ত্বাবধানে শিক্ষার্থীদের নিরাপদ আবাসন ও নিয়মিত পড়াশোনার সুযোগ নিশ্চিত করতে একটি সুপরিকল্পিত ছাত্র হোস্টেল নির্মাণ করেছে। নবনির্মিত এ হোস্টেলে একসঙ্গে ৪০ জন শিক্ষার্থী থাকার সুযোগ পাবে, যা দূরবর্তী এলাকার শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়মুখী করতে সহায়ক হবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেছেন। স্থানীয়দের মতে, এই হোস্টেল শিক্ষার্থীদের ঝরে পড়া রোধে কার্যকর ভূমিকা রাখবে। একই সঙ্গে আধুনিক ও মানসম্মত শিক্ষাব্যবস্থা নিশ্চিত করতে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে একটি দ্বিতল বিশিষ্ট বিজ্ঞান ও আইসিটি ভবন নির্মাণ করা হয়েছে। এই ভবনের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা বিজ্ঞানভিত্তিক ব্যবহারিক শিক্ষা এবং তথ্যপ্রযুক্তি নির্ভর জ্ঞান অর্জনের সুযোগ পাবে, যা তাদের ভবিষ্যৎ উচ্চশিক্ষা ও কর্মজীবনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি তৈরি করবে। শিক্ষকরা জানান, দীর্ঘদিন ধরে প্রয়োজনীয় অবকাঠামোর অভাবে বিজ্ঞান ও আইসিটি শিক্ষা কার্যক্রম সীমিত ছিল, নতুন ভবনটি সে সংকট নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখবে। এছাড়া বিদ্যালয়ের যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নয়নের অংশ হিসেবে স্কুলের মূল ফটক পর্যন্ত ৫৩৫ ফুট দৈর্ঘ্যের একটি সংযোগ সড়ক নির্মাণ করা হয়েছে। এর ফলে বর্ষাকালসহ প্রতিকূল আবহাওয়ায় শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও স্থানীয় জনগণের যাতায়াত সহজ ও নিরাপদ হবে। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, এই সড়ক শুধু বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য নয়, আশপাশের গ্রামবাসীর দৈনন্দিন চলাচলেও ইতিবাচক পরিবর্তন আনবে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, গণ্যমান্য ব্যক্তি, শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা উপস্থিত ছিলেন। বক্তারা বলেন, দুর্গম পার্বত্য অঞ্চলে সেনাবাহিনীর এ ধরনের শিক্ষা ও উন্নয়নমূলক উদ্যোগ শুধু অবকাঠামো উন্নয়নেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং এটি মানবসম্পদ উন্নয়ন ও ভবিষ্যৎ প্রজন্ম গঠনের একটি সুদূরপ্রসারী প্রয়াস। তারা আরও বলেন, রাষ্ট্রীয় অন্যান্য সংস্থার পাশাপাশি সেনাবাহিনীর এমন সক্রিয় ভূমিকা পার্বত্য অঞ্চলে শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, শিক্ষা অবকাঠামো উন্নয়নের মাধ্যমে পার্বত্য এলাকায় সামাজিক স্থিতিশীলতা, সম্প্রীতি ও দীর্ঘমেয়াদি শান্তি প্রতিষ্ঠার পথ আরও সুগম হবে। শিক্ষিত প্রজন্ম গড়ে ওঠার মধ্য দিয়েই পাহাড়ের উন্নয়ন ও মূলধারার সঙ্গে সংযুক্তি জোরদার হবে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন। প্রসঙ্গত, পার্বত্য চট্টগ্রামের দুর্গম ও পিছিয়ে পড়া এলাকাগুলোতে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, যোগাযোগ ও মানবিক সহায়তা কার্যক্রমের মাধ্যমে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী দীর্ঘদিন ধরে জনকল্যাণমূলক ভূমিকা রেখে আসছে। লক্ষীছড়িতে শিক্ষা অবকাঠামো উন্নয়নের এই উদ্যোগ সেই ধারাবাহিকতারই একটি গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টান্ত, যা স্থানীয় জনগণের আস্থা ও সহযোগিতাকে আরও দৃঢ় করেছে।

বক্তারা বলেন, রাষ্ট্রীয় অন্যান্য সংস্থার পাশাপাশি সেনাবাহিনীর এমন সক্রিয় ভূমিকা পার্বত্য অঞ্চলে শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে।

সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, শিক্ষা অবকাঠামো উন্নয়নের মাধ্যমে পার্বত্য এলাকায় সামাজিক স্থিতিশীলতা, সম্প্রীতি ও দীর্ঘমেয়াদি শান্তি প্রতিষ্ঠার পথ আরও সুগম হবে। শিক্ষিত প্রজন্ম গড়ে ওঠার মধ্য দিয়েই পাহাড়ের উন্নয়ন ও মূলধারার সঙ্গে সংযুক্তি জোরদার হবে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

পাহাড়ে শিক্ষার ভিত মজবুত করছে সেনাবাহিনী: লক্ষীছড়িতে বিদ্যালয়ের অবকাঠামো উন্নয়নে নতুন সংযোজন

প্রসঙ্গত, পার্বত্য চট্টগ্রামের দুর্গম ও পিছিয়ে পড়া এলাকাগুলোতে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, যোগাযোগ ও মানবিক সহায়তা কার্যক্রমের মাধ্যমে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী দীর্ঘদিন ধরে জনকল্যাণমূলক ভূমিকা রেখে আসছে। লক্ষীছড়িতে শিক্ষা অবকাঠামো উন্নয়নের এই উদ্যোগ সেই ধারাবাহিকতারই একটি গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টান্ত, যা স্থানীয় জনগণের আস্থা ও সহযোগিতাকে আরও দৃঢ় করেছে।

  • অন্যান্য খবর জানতে এখানে ক্লিক করুন।
  • ফেসবুকে আমাদের ফলো দিয়ে সর্বশেষ সংবাদের সাথে থাকুন।
  • ইউটিউবেও আছি আমরা। সাবস্ক্রাইব করে ঘুরে আসুন ডিজিটাল  কন্টেন্টের দুনিয়ায়।

You may have missed