ত্রিপুরা ও মিজোরামে আসাম রাইফেলস ও ডিআরআই’র যৌথ অভিযানে বিপুল মাদক জব্দ, গ্রেপ্তার একাধিক

ত্রিপুরা ও মিজোরামে আসাম রাইফেলস ও ডিআরআই’র যৌথ অভিযানে বিপুল মাদক জব্দ, গ্রেপ্তার একাধিক

ত্রিপুরা ও মিজোরামে আসাম রাইফেলস ও ডিআরআই’র যৌথ অভিযানে বিপুল মাদক জব্দ, গ্রেপ্তার একাধিক
“এখান থেকে শেয়ার করতে পারেন”

Loading

নিউজ ডেস্ক

ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে মাদক পাচারবিরোধী অভিযানে বড় সাফল্যের দাবি করেছে আসাম রাইফেলস ও ডিরেক্টরেট অব রেভিনিউ ইন্টেলিজেন্স (ডিআরআই)। ত্রিপুরা ও মিজোরাম রাজ্যে পরিচালিত ধারাবাহিক ও সমন্বিত অভিযানে ৩৮ কোটি রুপির বেশি মূল্যের বিভিন্ন ধরনের মাদকদ্রব্য জব্দ করা হয়েছে এবং একাধিক ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

পুলিশ ও নিরাপত্তা সূত্র জানায়, গত ২৪ জানুয়ারি গভীর রাতে নির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ত্রিপুরার খোয়াই জেলার জাতীয় মহাসড়ক–৮ এ একটি টাটা ট্রাক আটক করা হয়। তল্লাশি চালিয়ে ট্রাকটির ভেতর থেকে ১ লাখ ৬০ হাজার ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়, যার আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ১৬ কোটি রুপি। এ ঘটনায় আসামের শ্রীভূমি জেলার এক বাসিন্দাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত ট্রাকটি জব্দ করা হয়েছে এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িত চক্র শনাক্তে তদন্ত চলছে।

এর আগে মিজোরামের চাম্পাই জেলায় সীমান্তপথে মাদক পাচারের তথ্যের ভিত্তিতে আরেকটি অভিযান চালানো হয়। জেলার নগুর গ্রামে একটি কেনবো মোটরসাইকেল আরোহীকে থামিয়ে তল্লাশি চালানো হলে তার কাছ থেকে ২ দশমিক ২ কেজি মেথামফেটামিন ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত এই সাইকোট্রপিক মাদকের আন্তর্জাতিক বাজারমূল্য আনুমানিক ৬ কোটি ৬০ লাখ রুপি বলে দাবি করা হয়েছে। অভিযুক্ত লালহমাঙ্গাইহজুয়ালাকে আটক করে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থার জন্য চাম্পাইয়ের আবগারি ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ দপ্তরের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

এছাড়া একই জেলার আরেকটি ঘটনায় সপ্তাহের শুরুতে সন্দেহজনক একটি দুই চাকার যান আটকানোর চেষ্টা করলে চালক ও আরোহী পালিয়ে যায়। পরে পরিত্যক্ত যানটি তল্লাশি করে ২ দশমিক ০৫৭ কেজি হেরোইন নং–৪ উদ্ধার করা হয়, যার আনুমানিক মূল্য প্রায় ১৫ কোটি ৪২ লাখ রুপি। এ সময় একটি মোবাইল ফোনও জব্দ করা হয়। উদ্ধারকৃত মাদক ও আলামত পরবর্তী তদন্তের জন্য স্থানীয় পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

নিরাপত্তা কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, প্রজাতন্ত্র দিবসকে সামনে রেখে উত্তর-পূর্বাঞ্চলে যখন নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে, ঠিক সেই সময়ে এসব অভিযান মাদক পাচার চক্র ভাঙার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। সংশ্লিষ্ট এলাকায় আরও বিস্তৃত তদন্ত ও নজরদারি অব্যাহত রয়েছে।

প্রসঙ্গত, ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চল দীর্ঘদিন ধরেই আন্তর্জাতিক মাদক পাচার রুট হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে, আর সেই প্রেক্ষাপটে আসাম রাইফেলসসহ বিভিন্ন সংস্থার ধারাবাহিক অভিযানে সাম্প্রতিক সময়ে একের পর এক বড় মাদক উদ্ধারের ঘটনা সামনে আসছে।

  • অন্যান্য খবর জানতে এখানে ক্লিক করুন।
  • ফেসবুকে আমাদের ফলো দিয়ে সর্বশেষ সংবাদের সাথে থাকুন।
  • ইউটিউবেও আছি আমরা। সাবস্ক্রাইব করে ঘুরে আসুন ডিজিটাল  কন্টেন্টের দুনিয়ায়।

You may have missed