পার্বত্য চট্টগ্রাম নিয়ে বিএনপির বড় অঙ্গীকার: শান্তি, উন্নয়ন ও নৃগোষ্ঠীর অধিকার নিশ্চিতের প্রতিশ্রুতি

পার্বত্য চট্টগ্রাম নিয়ে বিএনপির বড় অঙ্গীকার: শান্তি, উন্নয়ন ও নৃগোষ্ঠীর অধিকার নিশ্চিতের প্রতিশ্রুতি

পার্বত্য চট্টগ্রাম নিয়ে বিএনপির বড় অঙ্গীকার: শান্তি, উন্নয়ন ও নৃগোষ্ঠীর অধিকার নিশ্চিতের প্রতিশ্রুতি
“এখান থেকে শেয়ার করতে পারেন”

Loading

নিউজ ডেস্ক

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়ী হয়ে দুই দশক পর সরকার গঠনের সুযোগ পেলে পার্বত্য চট্টগ্রামের শান্তি, উন্নয়ন ও পার্বত্যবাসীর জীবনমান উন্নয়নে একগুচ্ছ বিশেষ উদ্যোগ নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)।

দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান ঘোষিত নির্বাচনি ইশতেহারে পার্বত্য চট্টগ্রামকে গুরুত্ব দিয়ে নিরাপত্তা, অধিকার সুরক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, কর্মসংস্থান ও টেকসই শান্তি প্রতিষ্ঠার সুস্পষ্ট রূপরেখা তুলে ধরা হয়েছে।

শুক্রবার বিকাল সাড়ে ৩টায় ঢাকার হোটেল সোনারগাঁওয়ের বলরুমে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত ও জাতীয় সংগীতের মধ্য দিয়ে বিএনপির নির্বাচনি ইশতেহার ঘোষণার আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়।

‘মানবিক, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্র’ বিনির্মাণের প্রত্যয় নিয়ে ৯টি বিষয়ে অগ্রাধিকার দিয়ে ইশতেহার প্রণয়ন করা হয়েছে।

ইশতেহারে বলা হয়, পাহাড় ও সমতলের সকল ক্ষুদ্র-বৃহৎ নৃগোষ্ঠীর সাংবিধানিক অধিকার, নাগরিক অধিকার এবং জীবন, সম্মান ও সম্পদের পূর্ণ নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। দল-মত, জাতি, ধর্ম ও বর্ণ নির্বিশেষে সকল জনগোষ্ঠীর সামাজিক, রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক ও অর্থনৈতিক অধিকার সুরক্ষার অঙ্গীকার করা হয়।

পার্বত্য চট্টগ্রামে টেকসই শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ১৯৯৭ সালের শান্তি চুক্তি সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষের অংশগ্রহণে পুনর্মূল্যায়নের ঘোষণা দিয়েছে বিএনপি। একই সঙ্গে সশস্ত্র গোষ্ঠীর সদস্যদের স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনতে আস্থা বিনির্মাণ প্রক্রিয়া এবং সামাজিক পুনর্বাসন কর্মসূচি গ্রহণের কথাও ইশতেহারে উল্লেখ করা হয়েছে।

স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়নে তিন পার্বত্য জেলার জেলা হাসপাতালগুলো আধুনিকায়নের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর ভাষা, সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক স্বাতন্ত্র্য সংরক্ষণ এবং সুষম উন্নয়নের লক্ষ্যে ‘নৃ-গোষ্ঠী উন্নয়ন অধিদপ্তর’ প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনার কথাও জানানো হয়।

অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে পাহাড়ি পণ্য, হস্তশিল্প ও ইকো-ট্যুরিজমে বিনিয়োগ বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে ইশতেহারে উল্লেখ রয়েছে। স্থানীয় যুবদের দক্ষতা উন্নয়ন ও কর্মসংস্থানের লক্ষ্যে বিশেষ কর্মসূচি এবং বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে দলটি। এছাড়া পার্বত্য অঞ্চলের নৈসর্গিক সৌন্দর্যকে কাজে লাগিয়ে ‘এক্সক্লুসিভ ট্যুরিজম জোন’ প্রতিষ্ঠা এবং বেসরকারি বিনিয়োগ উৎসাহিত করার কথাও বলা হয়েছে।

এছাড়া পাহাড় ও সমতলের ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর যোগ্য জনগোষ্ঠীকে পর্যায়ক্রমে শতভাগ সামাজিক সুরক্ষা বেষ্টনীর আওতায় আনার উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে ইশতেহারে উল্লেখ করা হয়।

বিএনপির এই নির্বাচনি ইশতেহারকে কেন্দ্র করে পার্বত্য চট্টগ্রামে বসবাসরত জনগোষ্ঠীর মধ্যে নতুন করে আশার সঞ্চার হয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

  • অন্যান্য খবর জানতে এখানে ক্লিক করুন।
  • ফেসবুকে আমাদের ফলো দিয়ে সর্বশেষ সংবাদের সাথে থাকুন।
  • ইউটিউবেও আছি আমরা। সাবস্ক্রাইব করে ঘুরে আসুন ডিজিটাল  কন্টেন্টের দুনিয়ায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *